
পাঠকদের অনুপ্রাণিত করার জন্য জেলা প্রশাসক এর ফেসবুক থেকে সুন্দর মানসিকতার নিদর্শন টি তুলে ধরা হলো।
গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে একটি পরীক্ষার দায়িত্ব শেষে ফিরছিলাম।দৃষ্টিতে পড়ল গ্রামীণ খেলনার সমাহার।পৌরপার্ক সংলগ্ন রাস্তার ধার ঘেষে।বিক্রেতাদের একত্র করে পরিচয় দিলাম,কথা বললাম।
তারা রামচন্দ্রপুর ও তুলশীঘাট গ্রামের বাসিন্দা।অনেক দক্ষতার সাথে গ্রামীণ খেলনা তৈরী করেন। চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে মেলায় এ খেলনার যথেষ্ঠ চাহিদা রয়েছে।
তাদের পরিবার, সন্তান, সন্তানদের, লেখাপড়া, আয় -রোজগার এসব বিষয়ে জানলাম। সন্তানদের বাল্যবিয়ে না দেয়ার জন্য বুঝালাম।তাদের পেশা সম্প্রসারিত করা ও নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করার জন্য উদ্ধুদ্ধ করলাম। প্রয়োজনে তাদের ঋণ সহায়তা দেয়া যাবে মর্মে জানালাম। তাদের সরলতা আমাকে মুগ্ধ করেছে।
শহরে তাদের পণ্য বিক্রির জন্য একটি স্থান প্রয়োজন মর্মে তারা জানান। এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য মেয়র সাহেবকে অনুরোধ করা হলো।

শৈশবে এসব খেলনার প্রতি আকর্ষন আমাকে অনুরনিত করে।
২০৩০ সালের মধ্যে আমরা অর্জন করব টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা। এজন্য প্রয়োজন প্রতিটি পেশায় দক্ষতা।
এ লক্ষ্য অর্জনে আপনারাও গর্বিত অংশীদার।
গ্রামীণ খেলনা প্রস্তুতকারদেরকে স্যালুট।
শুভকামনা।
শুভেচ্ছান্তে-
গৌতম চন্দ্র পাল
জেলাপ্রশাসক
গাইবান্ধা
২৩.৩.২০১৮