
চাকুরী না পাওয়ায় বেকার জীবনের অবসান না হওয়ায় বাবা মার বকুনিতে অতীষ্ঠ হয়ে যুবক দুলাল নিজের স্ত্রী সিথিলাকে ছুরিকাঘাত করে এরপর নিজেই নিজের হাতে থাকা ছুরি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
দুজনকে গুরতর অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে যুবক দুলাল চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা গেছে। তার স্ত্রী সিথিলা হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও তার অবস্থা আশংকাজনক। এ ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার আটঘরিয়া হোসেনপুর গ্রামে।
স্বজনরা জানায় এক বছর আগে পার্শ্ববর্তী কাতলী গ্রামের সাদা মিয়ার মেয়ে মিথিলার সাথে আটঘরিয়া হোসেনপুর গ্রামের বাবলু মন্ডলের ছেলে দুলালের বিয়ে হয়। দুলাল বিয়ের পর থেকে চাকুরীর চেষ্টা করেও কোন চাকুরী না পাওয়ায় বেকার জীবন নিয়ে বাবা মার সাথে স্ত্রী সিথিলাকে নিয়ে বসবাস করে আসছিল। দুলালের বাবা মা ছেলের চাকুরী না পাওয়ায় এ ভাবেই বউ ছেলে দুজনকে খাওয়াতে পারবেনা তাদের দুজনকেই বাড়ি থেকে চলে যাবার কথা বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এ নিয়ে বুধবার বিকেলে বাবা বাবলু মন্ডলের সাথে ছেলে দুলালের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় ক্ষুব্ধ দুলাল তার সিথিলাকে ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাথ করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। দুলাল তার স্ত্রী মারা গেছে ভেবে সে নিজেও তার হাতে থাকা ছুরি দিয়ে নিজের বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসি ও স্বজনরা দুজনকে গুরতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
সেখানে চিকিৎসাধিন অবস্থায় বুধবার রাত ১১ টার দিকে দুলাল মারা যায়। তার স্ত্রী মিথিলার অবস্থা আশংকা জনক বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন।