সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র গাইবান্ধায় সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে গাইবান্ধার সদর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে প্রাণখোলা ঈদ আড্ডা ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান সাংবাদিকতা পেশা কতিপয় ব্যক্তির কারণে বিতর্কিত: তথ্যমন্ত্রী পলাশবাড়ীর ৩ ফিলিং স্টেশনে রেজিস্টার পরিদর্শন, পরিমাপ যাচাই না করায় প্রশ্ন লালমনিরহাট জেলা শহরে বাস-অটো সংঘর্ষে আহত ৮ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আমেজে পলাশবাড়ীতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন দল-মত নির্বিশেষে সকলে মিলে দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর সৌদির সাথে মিল রেখে পলাশবাড়ীতে ঈদ উদযাপন

জনশক্তি রপ্তানির প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে সিঙ্গাপুর সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১২ মার্চ, ২০১৮
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি আশা করি, সিঙ্গাপুর সরকার তাদের (বাংলাদেশের কর্মী) জন্য উপযোগী কাজের পরিবেশ তৈরি করবে এবং জনশক্তি রপ্তানির প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে।’

সিঙ্গাপুর সফররত প্রধানমন্ত্রী সোমবার (১২ মার্চ) দুপুরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি শিয়েন লুংয়ের দেওয়া এক মধ্যাহ্নভোজের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন। এর আগে শেখ হাসিনা বৈঠক করেন শিয়েন লুংয়ের সঙ্গে, তারও আগে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হালিমা ইয়াকুবের সঙ্গে। তিনটি অনুষ্ঠানই হয়েছে সিঙ্গাপুর প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘ইস্তানা’য়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। দুই দেশের এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক মূল্যবোধ, ইতিহাস ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হচ্ছে।

দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর তাদের উপস্থিতিতে দু’দেশের মধ্যে উড়োজাহাজ চলাচলে সহযোগিতার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক এবং পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে (পিপিপি) সহযোগিতা বিষয়ে আরেকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে পিপিপি এবং উড়োজাহাজ চলাচলে সহযোগিতা সংক্রান্ত দু’টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। আগামীকাল আরও কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর হবে। আমি আশা করি, এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা হবে।

সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বৈঠকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের শ্রমশক্তির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের উন্নয়ন ভিন্ন মাত্রার। তবে আমরা অর্থনৈতিকভাবে আদান-প্রদানের মাধ্যমে একে অপরের পরিপূরক হতে পারি। সিঙ্গাপুর প্রযুক্তির দিক থেকে এগিয়ে আছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিশাল অংশ তরুণ এবং শিক্ষিত। এসব শিক্ষিত তরুণদের জন্য সিঙ্গাপুরের প্রযুক্তির খাত উন্মুক্ত থাকবে বলে আমি আশা করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের চমৎকার পরিবেশ রয়েছে, লাভজনক স্থানও বটে। সিঙ্গাপুরের অনেক প্রতিষ্ঠান এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছে এবং এর হার দিনে দিনে বাড়ছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুর একই মত পোষণ করে। আমরা জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে একে অপরকে সমর্থন করেছি। আমি আশা করি ভবিষ্যতেও এই সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

চার দিনের সরকারি সফরে রবিবার (১১ মার্চ) সিঙ্গাপুর গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী বুধবার (১৪ মার্চ) তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft