1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১লা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীতে সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধ বাবা–মায়ের ওপর একমাত্র ছেলে ও পুত্রবধূর নৃশংস নির্যাতন, ছেলে গ্রেপ্তার পলাশবাড়ীতে ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন প্রকল্পে গ্রাহক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে উপজেলা জামায়াতের প্রস্তুতি সভা সুন্দরগঞ্জে অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের দুই লাখ টাকা জরিমানা ফুলছড়িতে সিপিবির মতবিনিময় সভায় কেন্দ্রীয় সভাপতি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে কাস্তে মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে পৌর জামায়াতের প্রস্তুতি সভা নেপালকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ ব্রিটিশ মিডিয়ার বিরুদ্ধে শেষ আইনি লড়াইয়ে আদালতে ফিরছেন হ্যারি গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ-তে সিল দিন: প্রধান উপদেষ্টা বেগম খালেদা জিয়া’র বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় পলাশবাড়ীতে দো’আ মাহফিল

এবি ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ, ২০১৮
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

১৬৫ কোটি টাকা পাচারের মামলার আসামি এবি ব্যাংকের তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুদকের সহকারী পরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।

আর এই জিজ্ঞাসাবাদ বিকেল পর্যন্ত চলবে বলে দুদক সূত্রে জানা যায়। জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি দুদকের জনসংযোগ দপ্তর থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তারা হলেন- এবি ব্যাংকের হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, হেড অব করপোরেট ব্যাংকিং মোহাম্মদ মাহফুজ উল ইসলাম এবং জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. নুরুল আজিম।

একই মামলার তদন্তে আজ ব‌্যাংকটির বর্তমান চেয়ারম‌্যান এম এ আউয়াল ও ব‌্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মশিউর রহমান চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর মধ‌্যে এম এ আউয়ালকে দ্বিতীয়বারের মতো জিজ্ঞাসাবাদের জন‌্য তলব করেছে দুদক।অনুসন্ধান পর্যায়ে গত ৭ জানুয়ারি তাকে প্রথমবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল দুদক।

এর আগে এ ঘটনা প্রাক্তন চেয়ারম‌্যান, এমডি ও পরিচালনা পর্ষদের সদস‌্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

ভুয়া অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগের নামে ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে গত ২৫ জানুয়ারি মামলা দায়ের করে দুদক। মামলায় মোট ৮ জনকে আসামি করা হয়।

তারা হলেন- এবি ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহমেদ চৌধুরী, মো. ফজলুর রহমান, কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামাল, এবি ব্যাংকের হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, হেড অব করপোরেট ব্যাংকিং মোহাম্মদ মাহফুজ উল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. নুরুল আজিম এবং এবি ব্যাংকের গ্রাহক আটলান্টিক এন্টারপ্রাইজের মালিক সাইফুল হক।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগের নামে ১৬৫ কোটি টাকা এবি ব্যাংকের চট্টগ্রাম ইপিজেড শাখা থেকে দুবাইয়ে পাচার করে এবং পরে তা আত্মসাৎ করে। আত্মসাৎকালে ওয়াহিদুল হক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন। কথিত ওই বিনিয়োগ এবং অর্থ আত্মসাতের নেপথ্যে ব্যাংকের গ্রাহক আটলান্টিক এন্টারপ্রাইজের সাইফুল হকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এক সময় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে কাজ করা সাইফুল হকের এবি ব্যাংকে কোনো অংশীদারিত্ব নেই। তবে তিনি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মোরশেদ খানের মেয়ের স্বামী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, সাইফুল হক দুবাইয়ে থাকাকালে আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রের সদস্য খুররম আবদুল্লাহ ও আব্দুস সামাদ খানের সঙ্গে তার সখ্য হয়। তিনি এবি ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান ওয়াহিদুল হকেরও পূর্বপরিচিত। সাইফুল হকই এবি ব্যাংকের অর্থপাচারের বিষয়ে ওই প্রতারক চক্রের সঙ্গে ‍ওয়াহিদুল হকের পরিচয় করিয়ে দেন। পরে দুবাই ও বাংলাদেশে একাধিকবার বৈঠক করেন তারা।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ওয়াহিদুল হক ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল ব্যাংকের বোর্ডকে না জানিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে দুবাই গিয়ে প্রতারক চক্রের সঙ্গে বৈঠক করেন। আর ওই প্রতারক চক্র পিনাকল গ্লোবাল ফান্ড (পিজিএফ) নামে একটি কোম্পানি সৃষ্টি করে। সেই কথিত পিনাকলের ৮ কোটি ডলারের সঙ্গে এবি ব্যাংকের ২ কোটি ডলার মিলিয়ে ১০ কোটি ডলারের একটি তহবিল গঠন করে তা দুবাইয়ে বিনিয়োগের একটি কাল্পনিক প্রস্তাব তৈরি করা হয়। আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও শামীম আহমেদের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংকের বোর্ড সভায় উপস্থাপন করে তা পাস করিয়ে নেওয়া হয় ২০১৩ সালে। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুবাইয়ে চেং বাও জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি নামের এক কোম্পানির নামে পাঠানো ওই ২ কোটি ডলার আবুধাবির একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যায়। সেখান থেকে পরে তা আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।

২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে অর্থ পাচারের ওই ঘটনা ঘটে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মামলায়। মামলার দায়ের করার পর এম ওয়াহিদুল হকসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে দুদক। যদিও ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম ছাড়া বাকি আসামিরা জামিনে আছেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft