1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১লা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীতে ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন প্রকল্পে গ্রাহক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে উপজেলা জামায়াতের প্রস্তুতি সভা সুন্দরগঞ্জে অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের দুই লাখ টাকা জরিমানা ফুলছড়িতে সিপিবির মতবিনিময় সভায় কেন্দ্রীয় সভাপতি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে কাস্তে মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে পৌর জামায়াতের প্রস্তুতি সভা নেপালকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ ব্রিটিশ মিডিয়ার বিরুদ্ধে শেষ আইনি লড়াইয়ে আদালতে ফিরছেন হ্যারি গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ-তে সিল দিন: প্রধান উপদেষ্টা বেগম খালেদা জিয়া’র বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় পলাশবাড়ীতে দো’আ মাহফিল গাইবান্ধায় গণভোট নিয়ে মতবিনিময় সভায় স্লোগান, বক্তব্য অসমাপ্ত রেখে মঞ্চ ছাড়লেন ড. আসিফ নজরুল

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৭ মার্চ, ২০১৮
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন। এই দিনে তৎকালীন ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক উত্তাল জনসমুদ্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দেন।

বঙ্গবন্ধু তার বজ্রকঠোর কণ্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন, ‘‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম”।

এই ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আন্দোলনরত নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে মুক্তির মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত করে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামকে জনযুদ্ধে পরিণত করেন।

সেদিন বেলা ৩টা ২০ মিনিটে রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত হন কোটি জনতার সেই মহানায়ক। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ওইদিন রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। গগন কাঁপানো স্লোগান ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা, তোমার আমার ঠিকানা’ ছিল পুরো ময়দানজুড়ে। জনসমুদ্রে উপস্থিত জনতাকে বঙ্গবন্ধু যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে।’

১৯৭০ সালের আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী বিজয়ী আওয়ামী লীগ তথা বাঙালিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করে। প্রকৃতপক্ষে তাদের উদ্দেশ্য ছিল, যে কোনভাবে পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা।

এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ১ মার্চ এ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মূলতবি ঘোষণা করা হয়। প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ২ ও ৩ মার্চ সারা দেশে হরতাল পালন করে।

এই পটভূমিতে ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে অসীম সাহসিকতায় তার বলিষ্ঠ কণ্ঠে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহন করে এবং বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণার অনির্বান শিখা হয়ে অফুরন্ত শক্তি ও সাহস যুগিয়ে আসছে।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গ্রহণ করেছে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft