
(ছবিগুলো করতোয়া নদী হতে তোলা)
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী, বালু ব্যবসায়ী, বালু পরিবহণকারীদের জ্ঞাতার্থে ও আইন প্রয়োগকারী সংশ্লিষ্ট সকলের জানাতে চাই এই কাজটি বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। অথচ গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা জুড়ে ৩২ টির অধিক স্থানে হতে আইন অমান্য করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে মহা উৎসব চলছে সংশ্লিষ্ট সকলের নিরব ভুমিকায়।

এ আইনে অনুর্ধ ২বছরের কারাদন্ড অথবা সর্বনিম্ন ৫০ হাজার হতে সর্বোচ্চ ১০লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয়দন্ড হতে পারে। ট্রাক্টর মালিকসহ যারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কাজটির সাথে জড়িত তাদের সকলে সমান অপরাধি।
এ উপজেলার হোসেনপুরে আবাদী জমি ও বসতবাড়ী,বিল, নদী হতে ৭ টি স্থানে , কিশোরগাড়ীর উপরে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীতে ২ টি স্থানে। মহদীপুর ২ টি স্থানে । বেতকাপা মরা নদী সহ আবাদী জমি ও বসতবাড়ীর পাশ হতে ৫ টি স্থানে। পবনাপুরে আবাদী জমি ও বসতবাড়ীর পাশ হতে ৭ টি স্থানে। মনোহরপুর আবাদী জমি ও বসতবাড়ী পাশ হতে ৬ টি স্থানে। হরিনাবাড়ীর আবাদী জমি ও বসতবাড়ীর পাশে ৩ টি স্থান হতে প্রতিনিয়ত আইন অমান্য করে অবৈধভাবে এ বালু উত্তোলনে মহাউৎসব চলছে।
এতে করে ভূমি যেমন ঝঁকিতে তেমনি রাস্তাঘাট এমনটি বন্যা রক্ষা বাঁধ ব্যাপকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে চলছে জনদূর্ভোগ কাকড়া আর ট্রলি নসিমনের দৌড়াত্বে।