1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩রা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে কৃত্রিমভাবে রাসায়নিক সার সংকট সৃষ্টির দা‌য়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে : প্রধান উপদেষ্টা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫টি আসনে দলীয় প্রতীক পেলেন যারা মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২৫ এর গেজেট প্রকাশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ আসনে দলীয় প্রতীক পেলেন যারা গণভোট ২০২৬: সংস্কারের পথে জনমতের সন্ধান—বৈরচুনা থেকে যে বার্তা উঠে এল গোবিন্দগঞ্জে মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কল্পে মাঠ দিবস পলাশবাড়ী পৌরশহরের উদয়সাগর গ্রামের পরিচিত মুখ মিন্টু মিয়ার ইন্তেকাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফুলছড়ির থানা পরিদর্শন করলেন এডিশনাল ডিআইজি আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সমন্বয় সভা ও মাঠ পরিদর্শন

‘অবশেষে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘকে মেনে নিচ্ছে মায়ানমার’

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ৩০ মার্চ, ২০১৮
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

মায়ানমার শেষপর্যন্ত জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বা ইউএনএইচসিআরকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে রাজী হয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম একথা জানিয়ে বলেছেন, এতদিন মিয়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বাংলাদেশ চাইলেও মায়ানমার ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করতে রাজী ছিল না। অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রথম দফায় আট হাজার জনের বেশি রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয়ার যে তালিকা দিয়েছিল, সেই তালিকার মাত্র কয়েকশ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয়ার ছাড়পত্র দিয়েছে মায়ানমার। প্রত্যাবাসনেরও কোন দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। তারপরও বাংলাদেশ দ্বিতীয় তালিকা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। খবর-বিবিসি

মায়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিক সব আলোচনায় বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করার প্রস্তাব তুলেছিল।কিন্তু সেই প্রস্তাবে মায়ানমারকে রাজী করানো সম্ভব হয়নি বলে ঢাকায় কর্মকর্তারা বলছেন।

মায়ানমারকে রাজী করাতে ব্যর্থ হয়ে বাংলাদেশ নিজেদের প্রক্রিয়ায় ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করেছে। এখন এনিয়ে মায়ানমারের সাথে সরাসরি আর কোন আলোচনা করেনি বাংলাদেশ।

তবে সম্প্রতি জেনেভায় ইউএনএইচসিআর এর প্রধানের সাথে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

ঢাকায় ফিরে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ইউএনএইচসিআর এর প্রধানের বরাত দিয়ে বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করতে রাজী হয়েছে।

‘বাংলাদেশ এককভাবে ইউএনএইচসিআর বা ইউএন এজেন্সিকে যুক্ত করতে চেয়েছিল।কিন্তু মায়ানমারকে আমরা রাজী করাতে পারিনি।কিন্তু অতিসম্প্রতি মায়ানমার রাজী হয়েছে।আমি জাতিসংঘে বৈঠক করেছি গত সপ্তাহে। ইউএনএইচসিআর এর প্রধান আমাকে নিশ্চিত করেছেন যে, মায়ানমার সরকার তাদেরকে প্রস্তাব দিয়েছেন। তারা ইউএনএইচসিআরকে প্রত্যাবান প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে চান। এটা অনেক আশাবাদী একটা খবর।’

মায়ানমার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘকে কিভাবে যুক্ত করতে পারে, তার কোন ইঙ্গিত কি বাংলাদেশ পেয়েছে?

এই প্রশ্নে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য হচ্ছে, ‘এটা মায়ানমার এবং ইউএনএইচসিআর আলোচনা করে ঠিক করবে।বাংলাদেশ এবং ইউএনএইচসিআর এর আলোকে আমি বলতে পারি, আমরা যে ফরমগুলো ফিলাপ করছি, তা ইউনএইচসিআর নিশ্চিত করলে প্রত্যাবাসনে সুবিধা হবে।আরেকটি বিষয় হচ্ছে, স্বেচ্ছায় ফেরত যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি পরিবারের পক্ষে ঐ পরিবারটির কর্তা ফরমে স্বাক্ষর করবেন।এগুলো ইউএনএইচসিআর নিশ্চিত করলে মায়ানমারের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।’

এছাড়াও রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার পর তাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত করা হচ্ছে কিনা, সে ব্যাপারেও বাংলাদেশ ইউএনএইচসিআর এর ভূমিকা চায়।

কিন্তু মিয়ানমার কোন ধরণের শর্থের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সংস্থাটিকে যুক্ত করবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা আইওএম এর সাবেক কর্মকর্তা আসিফ মুনির বলেছেন, আন্তর্জাতিক চাপের কারণে শুধু লোক দেখানো হিসেবে মায়ানমার যদি ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করে, তাতে কোন লাভ হবে না।

‘মনে রাখতে হবে, এই যুক্ত করাটা যেন সাইনবোর্ড সর্বস্ব না হয়।’

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ এখন তালিকা বিনিময় করছে।

প্রথম দফায় বাংলাদেশ যে ৮ হাজার ৩২ জনের তালিকা দিয়েছে। তারমধ্যে মাত্র সাড়ে পাঁচশ জনের মতো রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয়ার ব্যাপারে মায়ানমার ছাড়পত্র দিয়েছে।

মিয়ানমার ফেরত নেয়ার কোন সময় এখনও দেয়নি।

তবে আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিবদের নেতৃত্বে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বৈঠকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় দফায় দশ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা দিতে পারে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলছিলেন, তারা রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরই তাদের ফেরত পাঠানোর প্রশ্নে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

‘বিষয়টা কিন্তু অনেক জটিল। আমরাও চাই না, ১১ লাখ রোহিঙ্গা যারা বাংলাদেশে আছেন, এরমধ্যে অনেক তাড়াহুড়ো করে যদি এক লাখও পাঠানো হয়, তাদের দু’শ জনও নির্যাতিত হয়ে চলে আসেন বাংলাদেশে। সেটা বাকি ১০ লাখ রোহিঙ্গার উপর একটা খারাপ প্রভাব ফেলবে। এটা পুরো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকেই ঝুলিয়ে দেবে।’

বাংলাদেশের কর্মকর্তারা এটাও বলছেন, ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে নিয়ে এই সংকট দীর্ঘ হতে পারে, এটিও বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সাহায্য নিয়ে এগুচ্ছে।

এদিকে, এখন বর্ষা মৌসুমের আগে কক্সবাজারের বালুখালী শিবিরে থাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে এক লাখ ভূমি ধসের ঝুঁকিতে আছে বলে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে।

তাদের আগামী দুই মাসের আগে ঐ শিবিরেই নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft