
সিরিয়ার কুর্দি গেরিলা নিয়ন্ত্রিত আফরিনে চলমান অভিযানে এ পর্যন্ত তুরস্কের ৩১ জন সেনা নিহত হয়েছেন। এছাড়াও, ১৪২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার তুরস্কের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২০ জানুয়ারি থেকে অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত তাদের ১৭৪ জন সেনা হতাহত হয়েছে। অন্যদিকে, চলমান অভিযানে এ পর্যন্ত এক হাজার ৩৬৯ জন কুর্দি গেরিলা নিহত হয়েছে।
এছাড়া, তুর্কি বিমান হামলায় ওয়াইপিজি’র ১৫টি শক্ত ঘাঁটি ও অস্ত্র গুদাম ধ্বংস হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সেখানকার ৫১টি কৌশলগত অঞ্চল তুর্কি বাহিনী ও সহযোগী যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
কুর্দি গেরিলা গোষ্ঠী ওয়াইপিজি-কে নির্মূল করার লক্ষ্যে তুরস্ক গত ২০ জানুয়ারি থেকে সিরিয়ার আফরিনে সেনা অভিযান শুরু করেছে।
সিরিয়ার কুর্দি গেরিলাদেরকে তুরস্ক সন্ত্রাসী হিসেবে মনে করে এবং তুর্কি গেরিলা গোষ্ঠী পিকেকে’র সঙ্গে এদের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে। অন্যদিকে, সিরিয়া সংকটে ওয়াইপিজি-কে সমর্থন ও মদদ দিয়ে আসছে আমেরিকা। এ নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আংকারার মারাত্মক টানাপড়েন দেখা দিয়েছে।
সৌদি-পাকিস্তান যৌথ নৌ-মহড়া
পাকিস্তান নৌ বাহিনী ও সৌদি রাজকীয় নৌ বাহিনীর মধ্যে বৃহৎ আকারের যৌথ নৌ-মহড়া শুরু হয়েছে।
রবিবার আরব উপসাগরে সৌদি আরবের ইস্ট ফ্লিটের ‘কিং আবদুল আজিজ’ নৌ-ঘাঁটিতে এই মহড়া শুরু হয়।
সৌদি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রয়্যাল সৌদি নেভাল ফোর্সের সঙ্গে পাকিস্তানের নৌ-বাহিনী ওই মহড়া শুরু করেছে। এতে যথাক্রমে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের যুদ্ধজাহাজ নাসিম আল বাহার-১১ ও দেরা আল শাহিল-৪ অংশ নিচ্ছে।
ইস্টার্ন ফ্লিটের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল লাফি বিন হুসাইন আল-হারবি বলেন, ‘অভিজ্ঞতা বিনিময়, যুদ্ধ প্রস্তুতি উন্নতকরণ এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করাই এই যৌথ মহড়ার লক্ষ্য।’
তিনি আরো বলেন, ‘রয়্যাল সৌদি এয়ার ফোর্স ছাড়াও এই মহড়ায় পাকিস্তান ও সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ, বোট এবং ভার্টিক্যাল টেক-অফ এন্ড ল্যান্ডিং (ভিটিওএল) এয়ারক্রাফট অংশ নিচ্ছে।’
মহড়ার পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজির বিন রুফাইদ আল-ইনিজি বলেন, ‘মেরিন ও স্পেশাল নেভাল ফোর্সের অংশ গ্রহণে অনুষ্ঠিত এই মহড়ায় বাস্তব সামরিক অভিযান, প্রচলিত যুদ্ধ এবং মাইন এ্যাকশনা অপারেশনের অবিকল নকল করা হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই মহড়ায় তাজা গোলাবারুদ ব্যবহারের পাশপাশি ইন্টারসেপশন, ইন্সপেকশন ও কাউন্টার-পাইরেসি অপারেশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’