1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
বিএনপি সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় নির্মাণ শ্রমিকদের সম্মানে ইফতার ও দো’আ মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় এতিম ও দুঃস্থদের নিয়ে জোনার ফাউন্ডেশনের ইফতার মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া গাইবান্ধায় দুই খাদ্য উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে রঙ ব্যবহার করায় জরিমানা ঢাকাস্থ গোবিন্দগঞ্জ সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ীতে গ্রাহকের অনিচ্ছায় আবারও প্রিপেইড মিটার স্থাপন, ‘ভুতুড়ে বিল’ ও হয়রানির অভিযোগ পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি পীরগঞ্জে বিদ্যালয়ের পাশেই ইটভাটা!শিক্ষা ও পরিবেশের উপর নীরব হুমকি গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

‘রোহিজ্ঞাদের নির্যাতনে অং সাং সুচির দায় রয়েছে’

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

রোহিজ্ঞাদের নির্যাতনে অং সাং সুচির দায় রয়েছে, ক্ষমতা ছেড়ে তাকে শাস্তির পক্ষে আসা উচিৎ, অন্যথায় তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নোবেল বিজয়ী তিন নারী।

বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে তারা অং সাং সুচিকে উদ্দেশ্য করে এসব কথা বলেন।

কক্সবাজারের উখিয়ায় মায়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়া আসা রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন শান্তিতে নোবেল জয়ী তিন নারী।

নোবেল বিজয়ী তিন নারী হলেন-ইরানের শিরিন এবাদি, ইয়েমেনের তাওয়াক্কুল কারমান ও যুক্তরাজ্যের মেরেইড ম্যাগুয়ার।

সোমবার এই পরিদর্শন শেষে তিন নোবেল লরিয়েট সাংবাদিকদের বলেন, মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পরিকল্পিতভাবে স্মরণকালের ভয়াবহ গণহত্যা সংগঠিত হয়েছে। এজন্য অং সান সুচিকে দায়ী এবং বিষয়টি আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এসময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে মায়ানমারের রাখাইনে গণহত্যার বিচারের দাবি করেন তারা।

বাংলাদেশের মানবিকতার প্রসংশা করে সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিন নোবেল জয়ী।

আগামীকাল মঙ্গলবার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে তাদের।

গেলো বছরের ২৫ আগস্ট থেকে মায়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনে প্রাণভয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে নোবেল বিজয়ী তিন নারী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বিষয়টি তুলে ধরবেন বলেও জানিয়েছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় অমানবিক রাষ্ট্রীয় আচরণ রোহিঙ্গা নিধনের ঘটনায় ভিকটিম হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া নির্যাতিতদের দেখতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শনে পৌঁছেছেন।

২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশেষ বিমানে কক্সবাজারে পৌঁছান। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি উখিয়ার জামতলি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসেন। তার সঙ্গে আছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী হাসানসহ সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা। কক্সবাজারের উখিয়ার জামতলি ক্যাম্পে তিনি রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন। এই সময় তিনি রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ করেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ইন্দোনেশিয়ান জোকো উইদোদোর বৈঠক অনুষ্ঠিত, দুই দেশের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি, চারটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

রবিবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এই বৈঠক ও চুক্তি, সমঝোতা স্মারক সই হয়। দুই নেতার উপস্থিতিতে করবী হলে চুক্তিগুলো সই হয়েছে।

এর আগে সকাল ৯টা ৪৯ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসে পৌঁছান ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টাইগার গেটে জোকো উইদোদোকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শিমুল হলে একান্ত বৈঠকে বসেন এশিয়ার দুই নেতা। একান্ত বৈঠক শেষে চামেলী হলে দুই দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকও করেন তারা। এর শনিবার আগে দক্ষিণ এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে দু’দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা এসেছেন তিনি। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বলেন, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের আগমন উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে শুরু করে মেরিন ড্রাইভ রোড হয়ে কোটবাজার ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বন্ধুপ্রতিম ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও তার সফর সঙ্গীদের অভ্যর্থনা জানাতে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রামের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশসহ (ডিআইজি) পদস্থ কর্মকর্তারা কক্সবাজারে অবস্থান করছেন।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী হিসেবে আসছেন ফার্স্ট লেডি ইরিয়ান জোকো উইদোদোসহ একাধিক মন্ত্রী। এ ছাড়া একটি শক্তিশালী ব্যবসায়ী দল তার সঙ্গে রয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে রয়েছে মায়ানমারের বেশ সুসম্পর্ক। ইন্দোনেশিয়াই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জোট আসিয়ানে মায়ানমারকে সদস্য করেছিল। তাই রোহিঙ্গা সংকটকালে মায়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি হতে পাওে এমন কোনো শব্দ উচ্চারণ করেনি ইন্দোনেশিয়া। তবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশ হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ার অভ্যন্তরে রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের পক্ষে প্রবল জনমত রয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট উইদোদোর বাংলাদেশ সফর আয়োজনের প্রথমদিকে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে যাওয়ার কোনো কর্মসূচি ছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার অভ্যন্তরে জনমতের চাপের কথা বিবেচনা করে তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে যাচ্ছেন। এতে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাকার্তা তার প্রথমদিকের অবস্থানে খানিকটা পরিবর্তন করেছে বলেও মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার বিষয়ক তৃতীয় কমিটির ভোটেও ইন্দোনেশিয়া রোহিঙ্গাদের পক্ষে ভোট দিয়েছে।সূত্র-আরটিএনএন

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!