1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় কমিউনিস্ট পার্টির ৭৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাঘাটায় গোয়ালঘরে ভয়াবহ আগুনে দগ্ধ হয়ে ২টি গরুর মৃত্যু গাইবান্ধায় জাল টাকাসহ সিন্ডিকেটের এক সদস্য গ্রেফতার গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রী অপহরণের ঘটনায় প্রধান আসামী গ্রেফতার : ভিকটিম উদ্ধার বিএনপি সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় নির্মাণ শ্রমিকদের সম্মানে ইফতার ও দো’আ মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় এতিম ও দুঃস্থদের নিয়ে জোনার ফাউন্ডেশনের ইফতার মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া গাইবান্ধায় দুই খাদ্য উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে রঙ ব্যবহার করায় জরিমানা ঢাকাস্থ গোবিন্দগঞ্জ সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

পোশাক কারখানায় নারী শ্রমিকদের ভয়াবহ নির্যাতন

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মরত নারী শ্রমিকদের প্রায় ১৩ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার৷ শারীরিক নির্যাতনের শিকার ২০ শতাংশ৷ মানসিক নির্যাতনের শিকার ৭১ শতাংশেরও বেশি৷ আর এই নির্যাতনকারীর ভূমিকায় শীর্ষে রয়েছেন সুপারভাইজাররা৷

‘এস্টেট অব রাইটস ইমপ্লিমেন্টেশন অব ওম্যান রেডিমেড গার্মেন্টস ওয়াকার্স’ শিরোনামের এক গবেষণা প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর জানিয়েছে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলে।

অস্ট্রেলিয়ান ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের আর্থিক সহযোগিতায় ‘কর্মজীবী নারী’ নামে একটি সংগঠন ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কেয়ারের সহায়তায় গবেষণাটি করে৷

বিভিন্ন ধরনের পোশাক কারখানার ১৫০ নারী শ্রমিকের মধ্যে গবেষণাটি পরিচালিত হয়৷ কর্মস্থলের পরিবেশ, চাকরির শর্ত ও কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য– গবেষণায় মূলত এ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয়া হয়৷ এতে নির্যাতনের পাশাপাশি অনেক অনিয়মের ঘটনাও উঠে এসেছে৷

গবেষণায় দেখা যায়, ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ নারী শ্রমিকের কোনো নিয়োগপত্র নেই৷ ৫৩ দশমিক ৩ শতাংশে নেই সার্ভিসবুক৷ তবে ৯৮ দশমিক ৭ শতাংশের হাজিরা কার্ড আছে৷

শ্রম আইনের লঙ্ঘন করে ৫০ শতাংশকে ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য করা হয়৷ আর ৫০ শতাংশ ১০ ঘণ্টারও বেশি৷ ওভারটাইম করা বাধ্যতামূলক এবং তা দিনে দুই ঘণ্টারও বেশি৷ বিশ্রামের কোনো সুযোগ পান না ৭০ শতাংশ শ্রমিক৷ ২৫ দশমিক ৩ শতাংশ সাপ্তাহিক ছুটি পান না৷ নারী শ্রমিকদের ৮৪ দশমিক ৭ শতাংশ মৌখিক হয়রানির শিকার হন৷ ৭১ দশমিক ৩ শতাংশ শিকার হন মানসিক নির্যাতনের৷ ২০ শতাংশ শারীরিক নির্যাতনের কথা বলেছেন৷ আর যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার হন ১২ দশমিক ৭ শতাংশ৷

আর এই নির্যাতনের ৫২ শতাংশের জন্য তারা দায়ী করেছেন পোশাক কারখানার সুপারভাইজারদের৷ নির্যাতনের শিকার ৩২ শতাংশই জানেন না এর বিরুদ্ধে কোথায় অভিযোগ করতে হবে৷

এ ছাড়া কর্মস্থলে ডে কেয়ার সেন্টার ও বিশ্রামের জায়গা না থাকা, রাতে কাজের সময় নিরাপত্তা সংকটের কথাও উঠে এসেছে৷ ৭৪ দশমিক ৭ শতাংশ নারী বলেছেন, তাদের রাতের পালায় কাজ করতে হয়৷ উঠে এসেছে নারীদের কর্মস্থলে স্বাস্থ্য ও মেটার্নিটি সেবার অপ্রতুলতার কথা৷

বাংলাদেশ সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের প্রধান নাজমা আক্তার ডয়েচে ভেলেকে বলেন, ‘পোশাক কারখানায় যারা শ্রমিক, তাদের অধিকাংশই নারী৷ আর যারা সিদ্ধান্ত নেন, তারা পুরুষ৷ ফলে নারী শ্রমিকরা নানা ধরনের হয়রানি ও প্রতিকূল পরিবেশের মুখে পড়েন৷ আর নারীরা পোশাক কারখানায় নেতৃত্বের দিক দিয়ে অনেক দুর্বল৷ আরেকটি বিষয় হল- নারীকে পোশাক কারখানায় নারী হিসেবে নয়, সস্তা শ্রমিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়৷ আর সেই বিবেচনার কারণে নারীরা নানা ধরনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন৷’ তিনি বলেন, ‘সচেতন হওয়া এবং নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়া ছাড়াও বৈষম্য ও নির্যাতন অবহেলা থেকে বাঁচার কোনো উপায় নেই৷’

গবেষণাকারী ‘কর্মজীবী নারী’র শিরীন আখতার ডয়েচে ভেলেকে বলেন, ‘আমরা গবেষণাটি করেছিলাম পোশাক কারখানায় নারীদের অবস্থা জানতে৷ আর তাতে আমরা যে ভয়াবহ তথ্য পেয়েছি, তাতে আমরা নিজেরাই বিস্মিত হয়েছি৷’

তিনি বলেন, ‘এটি মালিকদের মানসিকতার কারণে সৃষ্টি হয়েছে৷ তারা নারী শ্রমিকদের কম মজুরিতে নিয়োগ করেন৷ আর তাদের কাছ থেকে কাজ আদায় করতে যাদের নিয়োগ দেয়া হয়, তাদের যে কোনো উপায়ে অধিক কাজ আদায় করতে বলা হয়৷ ফলে নারীরা নির্যাতন, বৈষ্যম্যের শিকার হন৷ আর পোশাক কারখানায় কর্মরত নারীরা বিকল্প কোনো কাজ জানেন না৷ তাই নানা নির্যাতনের শিকার হলেও তা প্রকাশ করেন না৷’

তিনি আরও বলেন, ‘নারী সুপারভাইজার নিয়োগ দিলেও কাজ হবে না৷ কারণ তারা তো মালিকের আদেশ বাস্তবায়ন করবে৷ প্রয়োজন মালিকদের মানসিক অবস্থার পরিবর্তন৷ আর ট্রেড ইউনিয়নকে শক্তিশালী করার কোনো বিকল্প নেই৷’

শিরিন আখতার বলেন, ‘আমরা ওই গবেষণার পর কিছু সুপারিশও করেছি৷ কিন্তু তা কেউ আমলে নিচ্ছে না৷’

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!