1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩০শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে হাসপাতালে অনুপস্থিত থেকেও বহাল তবিয়তে কর্মকর্তা। মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগে নড়েচড়ে বসেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হ্যাঁ ভোটের প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বাধা নেই : আলী রীয়াজ পলাশবাড়ীতে ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সমাবেশ ও নির্বাচনী আলোচনা সভা পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় গাইবান্ধায় কালোবাজারে বিক্রির সময় ২০ বস্তা সার জব্দ পলাশবাড়ীতে শৈত্যপ্রবাহে হলদে বিবর্ণ বোরো বীজতলা নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় ভূক্তভোগী কৃষক ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা ! নারীই সমাজ গঠনের মূল চালিকা শক্তি: এটিএম আজহারুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসন; সব ক্ষেত্রে উপেক্ষিত নৃগোষ্ঠী, উন্নয়নের নামে এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০১৮: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণের ফলে দেশে ইলিশের উৎপাদন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০১৮ উপলক্ষে শুক্রবার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসসের

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে আগামীকাল থেকে ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০১৮ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই’।

তিনি বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। আবহমানকাল থেকেই ইলিশ বাঙালির সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও জনপ্রিয়তার মানদন্ডেও একক প্রজাতি হিসেবে ইলিশের অবস্থান শীর্ষে।

রাষ্ট্রপতি বাণীতে উল্লেখ করেন, উপকূলীয় ও নদী অববাহিকার গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান, পুষ্টি চাহিদাপূরণ তথা সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইলিশের অবদান অনস্বীকার্য। তাই সরকার ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য জাতীয় মাছ ইলিশের ঐতিহ্য সুসংহত করতে বদ্ধপরিকর।

এ প্রেক্ষাপটে এবারের প্রতিপাদ্য ‘জাটকা ধরে করবো না শেষ, বাঁচবে জেলে হাসবে দেশ’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগি হয়েছে বলে রাষ্ট্রপতি মনে করেন।

তিনি বলেন, ইলিশ সুরক্ষায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় মৎস্য অধিদপ্তর যুগোপযোগী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। সকলের অব্যাহত প্রচেষ্টায় জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণের ফলে দেশে ইলিশের উৎপাদন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মৎস্যজীবী ও জেলে সম্প্রদায়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগি সংস্থা ও প্রচার মাধ্যমের সক্রিয় অংশগ্রহণে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ সফল ও স্বার্থক হয়ে উঠবে- এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

তিনি, জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০১৮’র সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে জাটকা আহরণ নিষিদ্ধের সময়কালীন জাটকা নিধন বন্ধ এবং ইলিশ সংরক্ষণে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০১৮ উপলক্ষে শুক্রবার এক বাণীতে তিনি এ আহবান জানান।

প্রতি বছরের মতো এবারও শনিবার থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত দেশব্যাপী ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০১৮’ পালন করা হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ উপলক্ষে ‘আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি’।

এবারের প্রতিপাদ্য ‘জাটকা ধরে করবো না শেষ, বাঁচবে জেলে হাসবে দেশ’ অত্যন্ত সময়োপযোগি হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় মাছ ইলিশ আজ ‘বাংলাদেশ ইলিশ’ নামে একটি ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য। অনাদিকাল থেকেই আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও আমিষের চাহিদাপূরণে এ মাছ অনন্য ভূমিকা রেখে আসছে।

তিনি বাণীতে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আজ মাছ উৎপাদনে স¦য়ংসম্পূর্ণ। আমাদের খাদ্যে, আমিষের শতকরা ৬০ শতাংশ যোগান দেয় মাছ। ২০০৮-০৯ সালে ইলিশের মোট উৎপাদন ছিল ২ লাখ ৯৮ হাজার ৯২১ মেট্রিক টন। ২০১৬-২০১৭ সালে ইলিশের মোট উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৪১৭ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। মাত্র আট বছরের ব্যবধানে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৬ শতাংশের অধিক।

শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকার ইলিশের স্থায়িত্বশীল উৎপাদন নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানসম্মত ও সমাজবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সুফলভোগীদের অংশগ্রহণে অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা, প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ, জাটকা সংরক্ষণ, সম্মিলিত বিশেষ অভিযান, মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থানসহ বহুমাত্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাসহ ইলিশ সমৃদ্ধ নদী অববাহিকার পাঁচ লক্ষাধিক মৎস্যজীবীর জীবন-জীবিকা বহুলাংশে ইলিশের ওপর নির্ভরশীল। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় জাটকা আহরণ নিষিদ্ধকালীন ২৩৮,৬৭৩টি পরিবার এবং মা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালীন ৩৫৬,৭২৩টি পরিবারকে মাসিক ৪০ কেজি ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হচ্ছে।

মৎস্যজীবীদের জন্য প্রদেয় প্রণোদনা ও সহায়তা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইলিশ আহরণে সম্পৃক্ত মৎস্যজীবীসহ দেশের ১৪ লাখ ২০ হাজার মৎস্যজীবীকে পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের এসকল কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সহজলভ্য হয়েছে’।

তিনি ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০১৮’র সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft