1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
পানি শূন্যতায় বালাসীঘাট স্থানান্তর গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র যমুনা ও তিস্তায় নৌ চলাচল হুমকির মুখে - খবরবাড়ি24.com
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৫শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করবে গাইবান্ধার দুই আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর পলাশবাড়ীতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মৃত অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে গোবিন্দগঞ্জে আকস্মিক ভারি বর্ষণে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের আলুক্ষেত তারাগঞ্জে ড্রেনের কাদা একাকার রাস্তা: জনদুর্ভোগ চরমে, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট তারাগঞ্জে খারুভাজ ব্রিজের কাছে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ট্রাকচালক নিহত, আহত ১ পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র ল্যাব টেকনোলজিস্ট জাভেদ হেসেনের ইন্তেকাল পলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউনিয়নে দুঃস্থ-অসহায়দের মাঝে ভিজিএফ’র ১০ কেজি করে চাল বিতরণ পলাশবাড়ীর পৌরশহরের এসআর মিঠু’র মেধাবী সন্তান শিহাবের ইন্তেকাল ‎‘চোরের মুখে ধর্মের কাহিনী’ দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধনে বরখাস্ত হওয়া বিতর্কিত অধ্যক্ষ তারাগঞ্জে ক্যানেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

পানি শূন্যতায় বালাসীঘাট স্থানান্তর গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র যমুনা ও তিস্তায় নৌ চলাচল হুমকির মুখে

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

 

তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনাসহ গাইবান্ধার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সবগুলো নদ-নদীর পানি কমে গিয়ে সেগুলো শাখা-প্রশাখায় ভাগ হয়ে এখন শীর্ণকায় রূপ নিয়েছে। মূলত, পানি সংকটের কারণে নৌ যোগাযোগ এখন হুমকির মুখে। আকস্মিক পানি শূন্যতায় প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা নৌ ঘাটগুলোর অস্তিত্ব এখন বিপন্ন।

ইতিমধ্যে অনেক নৌ ঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি পানির অভাবে গাইবান্ধার ফুলছড়ির বালাসীঘাট থেকে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সেখান থেকে নৌ ঘাটটি এখন সাতারকান্দিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যেসব নৌ ঘাট এখনও কোন রকমে টিকে রয়েছে সেগুলোরও এখন বেহাল দশা। চরাঞ্চলের নৌ যাত্রীদের বালুচরে হেটে গিয়ে অনেক দুরে নৌকায় উঠতে হচ্ছে। এছাড়া চ্যানেলের অভাবে নৌযান কমে গেছে অর্ধেকেরও বেশি। এই হারে নদীর পানি কমতে থাকলে যে কোন সময় নৌ চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

যেসব রুটে এখনও যান্ত্রিক নৌকাগুলো চলছে জেগে ওঠা চরের কারণে ঘুর পথে চলাচল করতে হচ্ছে বলে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে সময় লাগছে দ্বিগুণেরও বেশি। অপরদিকে ছোট ছোট নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় ওইসব নদীতে ইতিপূর্বে স্থাপিত সেচ যন্ত্রগুলো এখন পানি সংকটের মুখে পড়েছে।

গত বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও যমুনাসহ ছোট বড় সবগুলো নদীর পানি দ্রুত কমতে শুরু করে। অব্যাহত পানি হ্রাসের ফলে নদীগুলো নিজেদের অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। এ তিনটি নদীর পানি এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে এবং বিশাল বিশাল চর জেগে উঠেছে এখন নদীর বুকে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্র্ণ চরাঞ্চলের বসবাসকারী হাজার হাজার মানুষ নদীতে নাব্যতা থাকার সময় স্বাভাবিকভাবে নৌকায় চলাচল করতো। এখন নদী বুকে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ চর এবং শীর্ণকায় নদীর শাখাগুলো পায়ে হেটে গন্তব্য স্থলে তাদের পৌঁছতে হয়।

ইতিমধ্যে অনেক চরে ভ্ট্টূা, বাদাম ও মরিচসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!