
লিবিয়ার বেনগাজিতে দুটি গাড়িতে বোমা হামলায় অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো অন্তত ২০ থেকে ৩০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে এই বোমা হামলা দুটি হয়। খবর বিবিসির
বেনগাজির কেন্দ্রীয় মসজিদ আল সালমানির সামনে প্রথম গাড়িবোমা হামলাটি হয়। এ সময় মাগরিবের নামাজ পড়ে বের হচ্ছিলেন মানুষ। এর কয়েক মিনিট পরেই রাস্তার অপর প্রান্তে দ্বিতীয় গাড়িবোমা বিস্ফোরণটি হয়। হামলার শিকারদের মধ্যে সাধারণ মানুষসহ কিছু সামরিক সদস্যও রয়েছেন।
হামলায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে স্থানীয় আল-জালা হাসপাতালের একজন মুখপাত্র এএফপিকে জানান।
তবে কারা এই বোমা হামলা ঘটিয়েছে, এ বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। বিবিসির উত্তর আফ্রিকার প্রতিবেদক রানা জেওয়াদ জানান, লিবিয়ায় এ ধরনের বহু বোমা হামলা হলেও এ পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি।
বিবিসিতে রানা জেওয়াদের করা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই বোমা হামলার দায় কেউ স্বীকার না করলেও মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে দুটি বোমা হামলার ঘটনা মোটেই সাধারণ নয়। ধারণা করা হচ্ছে, সাধারণ মানুষকে হত্যার অনেক বড় পরিকল্পনা করেছিল হামলাকারীরা।
বেনগাজিতে খালিফা হাফতারের নেতৃত্বে লিবিয়ান জাতীয় সেনা ও ইসলামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ২০১১ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গাদ্দাফির সময় কর্তৃত্বকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু শক্তিশালী সামরিক গোষ্ঠী ও প্রতিদ্বন্দ্বী সাংসদদের মধ্যে অশান্ত পরিস্থিতির সূত্র ধরে লিবিয়ায় এই ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর জন্ম হয়।
লাইবেরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন ফুটবল তারকা জর্জ উইয়া
আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ায় নতুন এক প্রেসিডেন্ট সোমবার থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করছেন। তবে, তিনি কোন পেশাদার রাজনীতিক নন। তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল লেজেন্ড জর্জ উইয়া।
জর্জ উইয়া চেলসি এবং ম্যানচেষ্টার সিটি ফুটবল ক্লাবের পক্ষে দীর্ঘদিন খেলেছেন এবং একমাত্র আফ্রিকান ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’আর পুরষ্কার জিতেছেন।
বিবিসির সংবাদদাতা খবর দিচ্ছেন, মনরোভিয়ার যে স্টেডিয়ামে উইয়ার শপথ গ্রহণ করবেন, সেখানে রাত থেকেই মানুষ জড়ো হতে শুরু করেছেন।
সেলেব্রিটি ফুটবলাররা এসে যোগ দিয়েছেন এই অনুষ্ঠানে। চেলসির দিদিয়ে ড্রগবা, ক্যামেরুনের স্যামুয়েল এটো এবং নাইজেরিয়া থেকে সানডে ওলিসে ও টারিবো ওয়েস্ট – সবাই এসেছেন।
লিওনেল মেসিও এখন মনরোভিয়ায় আছেন, এরকম একটা গুজবও শোনা গিয়েছিল। কিন্তু যতই জনপ্রিয় হোন না কেন জর্জ উইয়ার সামনে রয়েছে বিরাট চ্যালেঞ্জ।
লাইবেরিয়ায় ১৯৯০-এর দশকে গৃহযুদ্ধের জের এখনও কাটেনি। অর্থনীতি পর্যুদস্ত। বেকারত্বের হার অনেক উঁচু।
ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে বিদেশি পর্যটকরা কিংবা ব্যবসায়ীরা লাইবেরিয়ায় যেতে নারাজ। কিন্তু তার পরও জর্জ উইয়ার প্রতি আস্থা রেখে লাইবেরিয়ানরা তাকিয়ে আছেন এক নতুন ভবিষ্যতের দিকে।