
মার্কিনিরা মনে করে ট্রাম্প মানসিক রোগী! আমেরিকার প্রায় অর্ধেক নাগরিক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মানসিকভাবে অসুস্থ বলে মনে করেন। পাশাপাশি বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালন করার মতো অবস্থায় নেই ট্রাম্প।
সোমবার ইরান ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পার্স টুডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। ল্যাঙ্গার রিসার্চ এসোসিয়েটস পরিচালিত নতুন এক জনমত জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
জরিপে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল- প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মানসিকভাবে সুস্থ কিনা। জরিপে অংশ নেয়া লোকজনের শতকরা ৪৮ ভাগ ইতিবাচক বলেছেন আর ৪৭ ভাগ বলেছেন ‘না’। তবে শতকরা ৫৮ ভাগ মানুষ ট্রাম্পের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন নি; মাত্র ৩৬ ভাগ সন্তুষ্ট।
জরিপের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে- বেশিরভাগ নারীই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমালোচনায় মুখর। মাত্র ২৯ ভাগ নারী ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট আর শতকরা ৫৫ ভাগ নারী ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়ে সন্দিহান।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর মাইকেল উলফের লেখা বই ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি:ইনসাইড দ্যা ট্রাম্প হোয়াইট হাউজ’ প্রকাশের পর যখন ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে তখন এই জনমত জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হলো। এ বইয়ে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে যেটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে তা হচ্ছে- মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনেকেই মনে করেন জাতিকে নেতৃত্ব দেয়ার মতো সুস্থতা ট্রাম্পের নেই।
ইসলাম ও মুসলামনদের সম্পর্কে ট্রাম্পের ভাষা আইএসের মতো: লন্ডন মেয়র
ইসলাম ও মুসলামনদের সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএসের মতোই বলে মন্তব্য করেছেন লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র সাদিক খান।
ব্রিটেনের উগ্র ডানপন্থী গোষ্ঠী ‘ব্রিটেন ফার্স্ট’র উপ-প্রধান জায়দা ফ্রানসেন সম্প্রতি টুইটারে যেসব ইসলাম-বিদ্বেষী পোস্ট প্রচার করেছেন তার সমর্থনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও টুইটারে বক্তব্য রাখায় সাদিক খান এই মন্তব্য করেছেন।
লন্ডনের মেয়র বলেন, ট্রাম্পের এসব রিটুইট বিভক্তি ও ঘৃণার বাণীকে জোরালো করছে; আর তাই তাকে নিন্দা জানানো উচিত।
ট্রাম্পের সঙ্গে সাদিক খানের বাকযুদ্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার-অভিযানের সময়ই শুরু হয়েছিল। সে সময় ট্রাম্প সব মুসলমানকে অজ্ঞ হিসেবে অভিহিত করে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সাদিক খান ট্রাম্পের ওই মন্তব্য ও প্রস্তাবের নিন্দা জানিয়েছিলেন।