
দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্রমশ বাড়তে থাকার মধ্যেই পাকিস্তানের ইরান সীমান্তের একটি শহরে সামরিক ঘাঁটি খুলতে যাচ্ছে চীন।
সম্প্রতি এক রিপোর্টে জানা গেছে, ইতিমধ্যে ইসলামাবাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনাও শুরু করে দিয়েছে বেইজিং। ভারতের ওপর কৌশলগত চাপ বাড়াতে চীন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।
জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে ইরানের চবাহার বন্দরের অদূরে জিয়ানিতে চীন সামরিক ঘাঁটি করবে। তাৎপর্য পূর্ণভাবে চবাহার বন্দর পুননির্মাণে ইরানকে সাহায্য করছে ভারত। এমনকি ইরানের চাবাহার থেকে আফগানিস্তানের হাজিগক পর্যন্ত যে করিডর নির্মাণের কাজ চলছে তার প্রধান বিনিযোগকারী দেশ ভারত। এই করিডর নির্মাণের কাজ শেষ হলে আফগানিস্তান হয়ে ইরান পর্যন্ত ভারতীয় পণ্য রপ্তানি আরও মসৃণভাবে করা যাবে।
তাছাড়া ভৌগলিকগত দিক থেকেও এই এলাকার গুরুত্ব অনেক। একদিকে রয়েছে গালফ অফ ওমান সীমান্ত অন্যদিকে আছে বালোচিস্তান প্রদেশ। ফলে জিয়ানিতে সামরিক ঘাঁটি হলে গোটা চত্বরে নজরদারি চালাতে পারবে চীন। একই সঙ্গে চবাহার থেকে হাজিগক পর্যন্ত করিডরও চীনের নজরদারির আওতায় চলে আসবে।
এ ব্যাপারে এক দক্ষিণ এশীয় বিশেষজ্ঞের মতে, ‘বেজিং এবং ইসলামাবাদ উভয়েরই যৌথভাবে পাকিস্তানের মাটিতে নৌ এবং বিমানসেনা ঘাঁটি তৈরি করার ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে এমন কোনো পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই।’
উল্লেখ্য, দেশের বাইরে এর আগে আফ্রিকার জিবুতিতে নৌসেনাঘাঁটি খুলেছে চীন।