
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, কেক কাটা, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গাইবান্ধায় আজ ১০ জানুয়ারী বুধবার কালের কন্ঠ পত্রিকার ৮ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়। দৈনিক কালের কন্ঠের পাঠক ফোরাম শুভ সংঘ জেলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ সব কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলন।
সকাল ১১টায় গাইবান্ধা প্রেসক্লাব থেকে বর্ণাঢ্য বিশাল শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিন করে। শোভাযাত্রায় সাংবাদিকরা ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, নারী সংগঠনের নেতাকর্মী ও শিশুরা অংশ নেন।
প্রেসক্লাব মিলনায়তনে শুভ সংঘের সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক প্রমতোষ সাহার সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সাবু, পরিবেশ আন্দোলন নেতা ওয়াজিউর রহমান রাফেল, জেলা যুবলীগ সভাপতি সরদার মো. শাহীদ হাসান লোটন, শিক্ষক ও শিল্পী আফরোজা বেগম লুপু, দৈনিক জনসংকেত সম্পাদক দীপক কুমার পাল, আরিফুল ইসলাম বাবু, শিরিন আকতার, আফরোজা লুনা, মহিলা পরিষদের জেলা সম্পাদক রিকতু প্রসাদ, উত্তম সরকার, খায়রুল ইসলাম, রজতকান্তি বর্মন, কালেরকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি অমিতাভ দাশ হিমুন প্রমুখ।
কালেরকণ্ঠের শুভ কামনা করে কেক কাটার সময় শিল্পী ও শুভ সংঘের কর্মীরা সমস্বরে ‘আগুনের পরশ মনি ছোঁয়া প্রাণে’ গেয়ে ওঠেন।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল বলেন, প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কালেরকণ্ঠ দৃঢ় ভূমিকা পালন করে। যে ধারাবাহিকতায় উন্নয়ন বিষয়ক ইতিবাচক সংবাদ পরিবেশন, অনিয়ম দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে কালেরকণ্ঠ পাঠকের মনে স্থান করে নেয়।
পৌর মেয়র বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে কালেরকণ্ঠের আত্মপ্রকাশ এক গৌরবময় ইতিহাসের স্বীকৃতি। তিনি সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে বসুন্ধরা গ্র“পের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, মানবতার সেবায় তাদের অবদান তুলনাবিহীন।
সবশেষে মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শক শ্রোতাদের মিষ্টিমুখ করানোর মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই আনন্দময় আয়োজন।