
মঙ্গলবার পিয়ংইয়ং এর উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। চলতি মাসের ৯ তারিখে বৈঠকের আহ্বান করেছে তারা। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের শান্তি প্রস্তাব এবং আসন্ন উইন্টার অলিম্পিকে প্রতিনিধি পাঠানোর প্রস্তাবের পর এমন প্রস্তাব দিয়েছে সিউল।
এর আগে ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে দেয়া ভাষণে কিম জং উন জানান, তার দেশ অস্ত্র উৎপাদন প্রক্রিয়া আরও সমৃদ্ধ করেছে এবং পরমাণু অস্ত্রের সুইচ তার টেবিলেই থাকে। কিন্তু একই ভাষণে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় আয়োজিত আসন্ন উইন্টার অলিম্পিকে তার দেশের প্রতিনিধি পাঠানোর ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার সমন্বয় বিভাগের মন্ত্রী চো মিয়ং-গিয়ন জানান, যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি তার দেশ।
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি দুই কোরিয়া মুখোমুখি আলোচনার মাধ্যমে উইন্টার অলিম্পিক গেমসে উত্তর কোরিয়ার অংশগ্রহন এবং অন্যান্য যৌথ ইস্যুতে সমাধানের বিষয়ে কথা বলতে পারে।’
এর আগে শান্তির ইঙ্গিত দিয়ে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেন, ‘উত্তর-দক্ষিণের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের উচিত কোরীয় উপদ্বীপে সামরিক উত্তেজনা কমানো। দুই কোরিয়ারই উচিত এক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেয়া।’
প্রসঙ্গত, ১৯৫০-৫৩ সালের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আলাদা হয়ে যায় দুই কোরিয়া। সর্বশেষ ২০১৫ সালে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।