1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
পেটে গজ রেখে অস্ত্রোপচার, ভুয়া চিকিৎসক কারাগারে - খবরবাড়ি24.com
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
রমজান উপলক্ষে গাইবান্ধায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি শুরু পলাশবাড়ীতে হোসেনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান টিটু’র উদ্যোগে প্রতিবছরের ন্যায়এবারো বিশাল ইফতার মাহফিল তারাগঞ্জে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান,দুইজনের ১ লাখ টাকা জরিমানা রাজধানীতে বিড়াল হত্যার দায়ে একজনের ৬ মাসের কারাদণ্ড লালমনিরহাটে সরকারি বিধি তুড়ি মেরে ব্যবসা ও গুণ্ডামি, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ পলাশবাড়ীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিএনপি কর্তৃক জামায়াত নেতা-কর্মিদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সাংবাদ সম্মেলন পলাশবাড়ীতে বিষ্ণুপুর জামে মসজিদে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নাম প্রেরণে অনিয়মের অভিযোগ, ইউএনও’র কাছে লিখিত আবেদন পলাশবাড়ীতে পুলিশি টহল কমায় পরিস্থিতির অবনতি, দ্রুত ব্যবস্থা চায় সচেতন মহল রংপুরে ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

পেটে গজ রেখে অস্ত্রোপচার, ভুয়া চিকিৎসক কারাগারে

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

সন্তান প্রসবের সময় এক নারীর পেটে গজ রেখে অস্ত্রোপচার করা ভুয়া চিকিৎসক অঞ্জুন চক্রবর্তী ওরফে রাজন দাসকে আটক দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে রাজন দাস ও পটুয়াখালীর বাউফলের নিরাময় ক্লিনিকের মালিকসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ৬ নভেম্বর ওই চিকিৎসকের সনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে হাইকোর্ট। এর আগে আদালতে পটুয়াখালীর সিভিল সার্জনের পক্ষে দাখিল করা প্রতিবেদনে চিকিৎসক নামধারী রাজন দাসের সনদ ভুয়া প্রমাণিত হয়।

গত ২৩ জুলাই পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ও বরিশাল মেডিকেল কলেজের গাইনি বিভাগের প্রধানসহ তিনজনকে তলব করে হাইকোর্ট। এ ছাড়া পটুয়াখালীর বাউফলের নিরাময় ক্লিনিকের মালিককেও হাজির হতে বলা হয়।

একটি জাতীয় দৈনিকে গত ২২ জুলাই ‘সাড়ে তিন মাস পর পেট থেকে বের হলো গজ!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. শহিদ উল্লাহ আদালতের নজরে আনার পর রুলসহ হাইকোর্ট আদেশ দেয়।

ওই পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘অস্ত্রোপচারের সাড়ে তিন মাস পর বরিশালে মাকসুদা বেগম (২৫) নামের এক নারীর পেট থেকে গজ বের করা হয়েছে। মুমূর্ষু অবস্থায় ওই নারীকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। চিকিৎসকরা বলেন, দীর্ঘদিন পেটের ভেতর গজ থাকায় খাদ্যনালীতে অনেক ছিদ্র হয়ে গেছে। মাকসুদা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। মাকসুদা পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বিলবিলাস গ্রামের মো. রাসেল সরদারের স্ত্রী। গত মার্চে অস্ত্রোপচারের মধ্যমে মাকসুদা একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। তখন তার পেটে গজ রেখে সেলাই করে দেন চিকিৎসক।’

মাকসুদার মা রোকেয়া বেগমের বরাত দিয়ে আইনজীবী শহিদ উল্লাহ বলেন, হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার একমাস পর মাকসুদা পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করায় আবারো ওই ক্লিনিকে যান তারা। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওষুধ দিয়ে ব্যথা কমানোর চেষ্টা করেন। দুই মাস পর খিঁচুনি দিয়ে জ্বর ওঠে। তখন খাওয়া-দাওয়াও বন্ধ হয়ে যায়।

গত জুনে বরিশালে শেমিক হাসপাতালের বহির্বিভাগে দেখানো হয়। তখন আলট্রাসনোগ্রাফিতেও কিছু ধরা পড়েনি। এরপর পটুয়াখালীতে এক চিকিৎসককে দেখানোর পর তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। ১২ জুলাই হাসপাতালে মাকসুদার অস্ত্রোপচার হয়। তখন তার পেটের ভেতর থেকে গজ বের করা হয়।

এ ঘটনায় ২৩ জুলাই পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ও পটুয়াখালীর বাউফলের নিরাময় ক্লিনিকের মালিককে তলব করে রুল জারি করে একই হাইকোর্ট বেঞ্চ। ১ আগস্ট হাইকোর্টে হাজির হয়ে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় তাদের।

রুলে ওই ঘটনায় কেন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হবে না- তা জানতে চায় হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্যসচিব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ ৯ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

পরে পটুয়াখালীর সিভিল সার্জনের কাছে ঘটনার বিষয়ে প্রতিবেদন চায় হাইকোর্ট। সে প্রতিবেদনেই চিকিৎসক রাজন দাসের লাইসেন্সটি ভুয়া হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!