1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
৬টি কোচিং সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল - খবরবাড়ি24.com
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২২শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
লালমনিরহাটে সরকারি বিধি তুড়ি মেরে ব্যবসা ও গুণ্ডামি, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ পলাশবাড়ীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিএনপি কর্তৃক জামায়াত নেতা-কর্মিদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সাংবাদ সম্মেলন পলাশবাড়ীতে বিষ্ণুপুর জামে মসজিদে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নাম প্রেরণে অনিয়মের অভিযোগ, ইউএনও’র কাছে লিখিত আবেদন পলাশবাড়ীতে পুলিশি টহল কমায় পরিস্থিতির অবনতি, দ্রুত ব্যবস্থা চায় সচেতন মহল রংপুরে ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত তারাগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনার দৃঢ় পদক্ষেপ: জনস্বার্থ রক্ষায় আপসহীন অভিযানের প্রশংসা গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু তারুণ্যের দীপ্তিতে বদলে যাচ্ছে তারাগঞ্জ: ইউএনও মনাব্বর হোসেনের কর্মতৎপরতায় জনসেবায় নতুন দিগন্ত। পলাশবাড়ীতে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদ্যাপন

৬টি কোচিং সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

ইউসিসি, ওমেগা, আইকনসহ ছয়টি কোচিং সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ ও অননুমোদিত সাইনবোর্ড, পোস্টার, ফেস্টুন, ওভারহেড সাইনবোর্ড অপসারণ না করায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাতিল হওয়া কোচিং সেন্টারগুলো হলো, ইউসিসি কোচিং সেন্টার, ইউনিএইড কোচিং সেন্টার, আইকন কোচিং সেন্টার, আইকন প্লাস কোচিং সেন্টার, ওমেগা কোচিং সেন্টার এবং প্যারাগন কোচিং সেন্টার। সবগুলো কোচিং সেন্টারের ফার্মগেট শাখার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএনসিসির প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা এ এস এম মানুন জানান, অবৈধভাবে পোস্টার লাগানোর বিষয়ে এই কোচিং সেন্টারগুলোকে ইতঃপূর্বে সতর্ক করা হয়েছিল। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে দেয়াল লিখন ও পোস্টার নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২ অনুযায়ী বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এরপরও সংশোধিত না হওয়ায় দি সিটি কর্পোরেশন (ট্যাক্সেশন) রুলস-১৯৮৬ অনুযায়ী এই কোচিং সেন্টারগুলোর ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

কোচিং বন্ধে দুদকের ৮ সুপারিশ
ঢাকা: রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে কোচিং সেন্টার বন্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আটটি সুপারিশ করেছে।

দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রবণ কুমার ভট্টাচার্য আজ বাসসকে জানান, উল্লেখযোগ্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, কোচিং সেন্টারের মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করবে দুদক। কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে যারা অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন তাদের বিষয়গুলো দুদক খতিয়ে দেখবে।

তিনি জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নিশ্চিত করতে মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা মনিটরিং কমিটি গঠন করা যেতে পারে বলে সুপালিশমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। খবর বাসসের।

সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলির নীতিমালা অনুসারে বদলি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কোনো অবস্থাতেই মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের সংযুক্তির মাধ্যমে প্রশাসনিক কোনো পদে বা ঢাকার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পদায়ন করা উচিত নয় বলে সুপারিশে উল্লেখ করা হয়।

তিনি জানান, প্রশ্নপত্র আমূল সংস্কার করা প্রয়োজন: যেমন পরীক্ষায় বহু নির্বাচনি প্রশ্নপত্র সম্পূর্ণ বাদ দেয়া প্রয়োজন। প্রশ্ন হতে পারে বর্ণনামূলক, সৃজনশীল এবং বিশ্লেষণধর্মী।

সরকার প্রণীত কোচিং নীতিমালার বাইরে যে সকল শিক্ষক কোচিং করাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে সুপালিমালায় উল্লেখ করা হয়।

শিক্ষক, অভিভাবক ও স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির মধ্যে নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠানের সুপারিশ করেছে দুদক।
শিক্ষাখাতে দুর্নীতি নিরসনের জন্য বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব বরাবরে ৩৯টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করেছে দুদক। এরমধ্যে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে আটটি সুপারিশ রয়েছে।

এসব সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর বরাবরে প্রেরণ করা হয়।

তিনি জানান, রাজধানী ঢাকায় কোচিং বাণিজ্য বন্ধে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ব্যাবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে দুদক। কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজসহ ঢাকা মহানগরের স্বনামধন্য আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯৭ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক।

তিনি জানান, যেসব শিক্ষক একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন বহাল থেকে কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অনৈতিক অর্থ উপার্জন করছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

সাধারণত এ জাতীয় অনৈতিক অর্থ আয়ে কোনো প্রকার ভ্যাট বা ট্যাক্স দেওয়া হয় না। ফলে উপার্জিত অর্থ অনুপার্জিত আয় হিসেবে পরিগণিত হয়। এভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কমিশনকে।

ইংরেজি ও গণিত শিক্ষকের স্বল্পতা দূর করতে হবে উল্লেখ করে প্রবণ কুমার ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকগণ স্ব-স্ব বিষয়ের বাইরে কোনো ক্লাস নিতে পারবেন না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকগণ কোচিং বাণিজ্যের স্বার্থে ইংরেজি ও গণিত ডিসিপ্লিনের বাইরের শিক্ষকদের এসব ক্লাস নেওয়ার সুযোগ দিয়ে থাকেন। এ ব্যবস্থার অবসান হওয়া দরকার বলে সুপারিশমালায় উল্লেখ করা হয়।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!