
কয়েক হাজার শিক্ষক অনশনে অংশ নিয়েছেন। এরমধ্যে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বাকিদের অনশনস্থলেই স্যালাইন দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় দিনে রবিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে এমনই চিত্র দেখা গেছে।
বেতন স্কেলে বৈষম্য কমানোর দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের আমরণ অনশন চলছে।
এর আগে শনিবার সকাল ১০টা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। রাতেও শিক্ষকেরা শহীদ মিনারেই অবস্থান করেছেন।
জানা যায়, বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের ডাকে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সহকারী শিক্ষকদের আটটি সংগঠন এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। সংগঠনের নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা অনশন চালিয়ে যাবেন।
নওগাঁ থেকে আসা সহকারী শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, এর আগে সহকারী শিক্ষকেরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এক ধাপ নিচের গ্রেডে বেতন পেতেন। কিন্তু এখন সহকারী শিক্ষকেরা তিন ধাপ নিচের গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। এখন প্রধান শিক্ষক পান ১১তম গ্রেড আর সহকারী শিক্ষক পান ১৪তম গ্রেডে বেতন, যা তাদের জন্য চরম অপমানজনক ও বৈষম্যমূলক। তিনি বলেন, তারা চান প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তাদের বেতনের পার্থক্য যেন ১ গ্রেড হয়।
শিক্ষকরা বলেন, দাবি না মানা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। ২০ বছর চাকরি করার পর একজন সহকারী শিক্ষক যে বেতন পান, একজন প্রধান শিক্ষক চাকরির শুরুতেই সেই বেতন পান। এর ফলে পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা বৈষম্যের শিকার হন।