1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
ভারতের ছত্তিশগড়ে আড়াই বছরে ১,৩৪৪ কৃষকের আত্মহত্যা - খবরবাড়ি24.com
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩০শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
লালমনিরহাটে ঈদ উপলক্ষে ‘রোজ’ এনজিওর খাদ্য সহায়তা বিতরণ বিশ্বকাপ নয়, আমরা যুক্তরাষ্ট্র বয়কট করব : ইরান ফুটবল প্রধান লালমনিরহাটে অনলাইন জুয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৬ মোবাইল ও ২৪ সিম পলাশবাড়ীতে প্রথমবার মহিলাদের অংশগ্রহণে ঈদের নামাজের জামাত, প্রশংসায় ভাসছে বায়তুল করিম জামে মসজিদ আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে ঈদ উপলক্ষ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা তারাগঞ্জে সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলামের আর্থিক অনুদান বিতরণ গাইবান্ধায় ১ টাকায় নিত্যপণ্য পেল ২’শ ৫০ পরিবার পলাশবাড়ীতে ‘স্বপ্ন’ সুপার শপের আউটলেটের শুভ উদ্বোধন গাইবান্ধায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলের আব্দুল করিম এমপি লালমনিরহাটে বড়ুয়া খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ত্রান মন্ত্রী দুলু

ভারতের ছত্তিশগড়ে আড়াই বছরে ১,৩৪৪ কৃষকের আত্মহত্যা

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যে গত আড়াই বছরে অন্তত ১,৩৪৪ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

রাজ্য বিধানসভায় এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামসেবক পাইকরা বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১৪,৭০৫টি আত্মহত্যার ঘটনা রেকর্ড করা হয়। এর মধ্যে ১,৩৪৪ জন কৃষক ও বাকিরা অন্য।

বিধানসভার কংগ্রেস সদস্য অমরজিৎ ভগৎ-এই প্রশ্ন উত্থাপন করেন।

মন্ত্রী বলেন, আত্মহত্যার ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৩ জন আর্থিক দৈন্যদশার কারণে আত্মহত্যা করেন। আর ১৯ জন আত্মহত্যা করেন ঋণের বোঝা বইতে না পেরে।

২৫ আত্মহত্যাকারীর আত্মীয়-স্বজনকে সরকার ১৬,৩৫,৯২৪ রুপি ক্ষতিপূরণ দিয়েছে বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরো জানান যে, ২২৪ কৃষক আত্মহত্যা করেছে সুরজপুর জেলায়। এরপর রয়েছে বলদাবাজারে ২১০, বলদে ১৬৫, মহাসামুন্দে ১৩৪, বিলাসপুরে ৮৫, বলরামপুরে ৭০, মুঙ্গেলিতে ৭৭ ও গরিয়াবন্দে ৬৫ জন।

এছাড়া সারগুজায় ৬৩, জসপুরে ৫৩, বেমেতারায় ৫১, কবিধামে ৪৫, রাজনন্দগাঁও -এ ২৫, রায়পুর ২৪, দার্গ ১৮, করিয়া ১৭, ধামতারি ৭, জিঙ্গির-চম্পায় ৪, রাইগারাহয় ৩, কান্দাগাঁও-এ ২ জন আত্মহত্যা করে বলে মন্ত্রী জানান।

 

বিশ্বে অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুর প্রায় অর্ধেকই রয়েছে ভারতে। গত এক দশকে ভারতে নবজাতক শিশু মৃত্যুর হার এবং পাঁচ বছর কমবয়সী শিশু মৃত্যুর হার কমলেও শিশুদের অপুষ্টিতে আক্রান্ত হওয়া কমেনি।

আসোসিয়টেড চেম্বারস অফ কমার্স ইন্ডাস্ট্রি ইন ইন্ডিয়া (আসোচেম) এবং ইওয়াই ইন্ডিয়ার যৌথ গবেষণা এ তথ্য পাওয়া গেছে।

‘শুন্যস্থান পূরণ: সর্বোত্তম পুষ্টির জন্য কৃষির সর্বোচ্চ সম্ভাব্যতা নিশ্চিত করা’ শীর্ষক ওই গবেষণায় বলা হয়, ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ ৪০ শতাংশ ভারতীয় শিশু অপুষ্ট ছিল। ভারতে পাঁচ বছর কমবয়সী শিশুদের ৩৭ শতাংশ ওজন-স্বল্পতা, ৩৯ শতাংশ ধীর শারীরিক বিকাশ এবং ৮ শতাংশ গুরুতর পুষ্টিহীনতায় ভুগছে।

শারীরিক বিকাশ কমে যাওয়া শিশুর সংখ্যা ২০০৫-২০০৬ এর তুলনায় (৪৮ শতাংশ) ২০১৫-১৬ সালে কমলেও সামগ্রিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। শহরগুলোর (২৯ শতাংশ) তুলনায় গ্রামাঞ্চলে (৩৮ শতাংশ) শিশুদের ওজন-স্বল্পতার প্রবণতা বেশী।

৬ থেকে ২৩ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করে। সারা দেশে যে বৈষম্য তার সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে শিশুদের উপর।

১-৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে, ঝাড়খন্ডে ৪২ শতাংশ, বিহারে ৩৭ শতাংশ, মধ্যপ্রদেশে ৩৬ শতাংশ এবং উত্তরপ্রদেশে ৩৪.১ শতাংশ এবং মণিপুরের ১৪.১ শতাংশ শিশু ওজন-স্বল্পতায় ভুগছে।

শারীরিক বিকাশ কমার হার সবেচেয়ে বেশী উত্তরপ্রদেশে (৫০.৪ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম কেরালায় ১৯.৪ শতাংশ। গুরুতর পুষ্টিহীনতায় ভুগছে অরুণাচল প্রদেশে সর্বোচ্চ ১৯ শতাংশ শিশু এবং সর্বনিম্ন সিকিমে ৫ শতাংশ।

অন্যদিকে মাত্রাতিরিক্ত ওজনের লোকসংখ্যাও ভারতে বেশী। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর ভারতের স্থান। ২০০৫ সাল থেকে ২০১৫ সালে মাত্রাতিরিক্ত ওজনের লোকসংখ্যা ৯ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৯ শতাংশে দাঁড়ায়।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft