1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
‘বিশ্বে চরম ঘৃণিত জুলুমবাজ জাতি হচ্ছে ইহুদি’ - খবরবাড়ি24.com
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র ল্যাব টেকনোলজিস্ট জাভেদ হেসেনের ইন্তেকাল পলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউনিয়নে দুঃস্থ-অসহায়দের মাঝে ভিজিএফ’র ১০ কেজি করে চাল বিতরণ পলাশবাড়ীর পৌরশহরের এসআর মিঠু’র মেধাবী সন্তান শিহাবের ইন্তেকাল ‎‘চোরের মুখে ধর্মের কাহিনী’ দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধনে বরখাস্ত হওয়া বিতর্কিত অধ্যক্ষ তারাগঞ্জে ক্যানেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া সংসদকে যুক্তি, তর্ক ও জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী শপথ নিলেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন ঘিরে তারাগঞ্জে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা রমজান উপলক্ষে গাইবান্ধায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি শুরু পলাশবাড়ীতে হোসেনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান টিটু’র উদ্যোগে প্রতিবছরের ন্যায়এবারো বিশাল ইফতার মাহফিল

‘বিশ্বে চরম ঘৃণিত জুলুমবাজ জাতি হচ্ছে ইহুদি’

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী ঐক্যজোটের মাহাসচিব ও বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতী মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ বলেন, জেরুসালেমকে ইসরাইলের তথা ইহুদিদের রাজধানী ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ কোরআনের ভাষায় জেরুসালেম হচ্ছে বরকতময় শহর, কল্যাণময় শহর ও মুসলামনদের শহর। বিশ্বের মাঝে চরম ঘৃণিত জুলুমবাজ জাতি হচ্ছে ইহুদি। তাদের কোনো দেশ থাকতে পারে না। যাদের দেশ থাকতে পারে না তাদের রাজধানীও থাকতে পারে না।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে গালাহার দারুল কোরআন মাদরাসার বার্ষিক সম্মেলনে এ কথাগুলো বলেন তিনি।

মুফতী ফয়জুল্লাহ বলেন, জিহাদ শব্দকে সন্ত্রাসী শব্দের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়েছে। জিহাদ সন্ত্রাস করার জন্যে নয়। জিহাদ এসেছে সন্ত্রাস নির্মূল করার জন্য। আজ মুসলামমানদের অবস্থা করুণ। পাহাড়ে লাশ, নদীতে লাশ, গাছে লাশ, কাটাতারে মুসলমানদের লাশ ঝুলছে। আমরা নির্যাতিত হচ্ছি, নিপীড়িত হচ্ছি, লাশ হচ্ছি, দেশে দেশে মার খাচ্ছে মুসলমান। আজ আমরা ভীরু-কাপুরুষে পরিণত হয়েছি।

মসজিদুল আকসার দিকে কু-দৃষ্টিতে তাকালে চোখ থাকবে না বলে হুঁশিয়ারি করে হেফাজতের এই নেতা বলেন, কেউ যদি সেটাকে হস্তক্ষেপ করতে চায় তাহলে সেই হাত ভেঙ্গে ফেলা হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পাগল আখ্যায়িত দিয়ে তিনি আরো বলেন, পাগলা ট্রাম্প জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করেছে। এই পাগলা সমস্ত আমেরিকাবাসীকে পাগল জাতিতে পরিণত করেছে। তিনি মনে করেছিলেন জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করলে মুসলমানরা চুপ থাকবে। ফিলিস্তিনীরা কোনঠাসা হয়ে পড়বে। দীর্ঘদিনের প্রতিবাদী আন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়বে। কিন্তু না, এটি ভুল প্রমাণিত হয়েছে। মুসলমানরা এটা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। ফিলিস্তিনীরা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে।

‘মুসলমানরা বীরের জাতি, মুসলমানরা আমেরিকা, রাশিয়া, ভারতকে ভয় করতে পারে না। মুসলামনরা কোনো শয়তান, নাস্তিক্যবাদি, মুরতাদদের সামনে এমনকি পারমাণবিক অস্ত্রের সামনে জীবন উৎসর্গ করতে পারে, কিন্তু মাথানত করতে পারে না। যেসব রাষ্ট্রে মুসলমানদের নির্যাতন করা হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করা হোক।’

ফয়জুল্লাহ বলেন, আমরা মুসলমান কিন্তু আমরা মোমিন হতে পারিনি। আজ আমরা যদি মোমিন হতাম তাহলে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে নাস্তিকরা আঙ্গুল তুলতে সাহস দেখাতো না। আমরা যদি মুমিন হতাম তাহলে সমাজে ধর্ষণ, বেহায়াপনা, গায়ে হলুদের নামে অশ্লীলতা হতে পারতো না। আমরা কোনো অন্যায় করতাম না।

যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা রাস্তায় নারী দেখলে ইভটিজিং কর। অবমাননাকর উক্তি করে বিব্রত কর। ওড়না ধরে টান দেও। কারণ তোমরা মনে করো এটি তোমার বাবা দেখেনি, মা দেখেনি। তবে আজ থেকে শুনে রাখ এটি তোমার বাবা-মা না দেখলেও একজন দেখেন। তিনি হলেন তোমার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ।

‘আমি মুসলমান। নিজেকে মুমিন দাবি করি। কিন্তু আমি ঘুষ খাই, নারী নির্যাতন করি, জুলুম করি, অত্যাচার করি, সন্ত্রাস করি, তাহলে মুমিন তো দূরের কথা আমার তো মুসলমানিত্বই থাকে না। আমি যদি মুমিন হতাম তাহলে অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন, সন্ত্রাস, লুটতরাজ, ঘুম, খুন করতে পারতাম না।’

হেফাজতের এই নেতা একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, মাটির বাঘ দেখতে একই রকম হলেও তাতে প্রকৃত শক্তি থাকে না। নাস্তিকরা অযথা লাফালাফি করছে। তাদের ঠিকানা ঢাকার এয়ারকন্ডিশন পর্যন্ত সীমিত। তারা এখানে (ঈশ্বরগঞ্জে) এসে কোরআনের বিরোধিতা করতে পারবে না।

আমাদের মধ্যে যদি বিশ্বাস থাকতো যে, একদিন মহান আল্লাহর সামনে হাজির হতে হবে। সমস্ত কর্মের হিসেব দিতে হবে। হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সাফায়েত দরকার হবে, তাহলে সমস্ত অন্যায় বর্জন করতাম।সূত্র- আরটিএনএন

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!