
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি যে কোনো প্রয়োজনে বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার যশোরের মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
এর আগে বেলা ১১টায় বিমান ঘাঁটি পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন।
আজ ২৭টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল ৩টায় যশোর ঈদগাহ ময়দানে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভাষণ দিবেন তিনি। বর্তমান সরকারের মেয়াদে যশোরে এটাই তার প্রথম জনসভা।
জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোর মেডিকেল কলেজের একাডেমিক ভবন, কপোতাক্ষ নদ খনন উন্নয়ন কাজসহ দেড় ডজন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করবেন। একইসঙ্গে যশোরের মৃত ভৈরব নদ সংস্কার, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ রাসেল জিমনেসিয়াম ভবন, টিএসসিসহ ডজন খানেক উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে উৎসবে শহরে পরিণত হয়েছে যশোর। শহরের অলিগলিতে ব্যানার ফেস্টুন, তোরণে ঢেকে গেছে। জেলার প্রত্যেকটি প্রান্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন ও তাকে স্বাগত জানানোর বার্তা পৌঁছে গেছে
দলীয় প্রধানের এই সফরে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়েছেন। বিভিন্ন স্তরের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছে। চার লাখ লোক সমাগমের টার্গেট নিয়ে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
প্রধানমন্ত্রী একান্ত সহকারী সচিব সাইফুজ্জামান শিখর বলেন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা সফল করার জন্য যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট। এটা আর এখন শুধু আওয়ামী লীগের জনসভা নেই। সর্বসাধারণের জনসভায় পরিণত হয়েছে। জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে বলে আশাবাদী।
জানা যায়, ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর যশোর ঈদগাহ ময়দানে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ২০১৪ সালের ২৩ মার্চ নির্বাচনী সহিংতার শিকার অভয়নগরের মালোপড়া পরিদর্শনে গিয়ে নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ভাষণ দেন তিনি। এর আগে ২০১০ সালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস উদ্বোধনে আসেন প্রধানমন্ত্রী।