1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রোহিঙ্গা নির্যাতনে দায়ী ব্যক্তিদের বিচার করুন: সু চিকে টিলারসন - খবরবাড়ি24.com
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সভা গাইবান্ধায় বসুন্ধরা শুভ সংঘের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন ডা. মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধায় তরুণদের উদ্যোগে সবুজ পণ্যের বাজার নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে গাইবান্ধা মহিলা পরিষদের জেলা সংগঠকদের প্রশিক্ষণ সুন্দররগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ১১৭ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ২ গোবিন্দগঞ্জে কাটাখালী পত্রিকার উদ্যোগে আলোচনা সভা, ইফতার ও দো’আ মাহফিল শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয় ছাত্রশক্তির গাইবান্ধা জেলার সদস্য সচিবের পদ স্থগিত ইশতেহার বাস্তবায়ন, কৃষির উন্নয়ন ও সামাজিক অপরাধ দূর করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য—- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্রী গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভায় হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

রোহিঙ্গা নির্যাতনে দায়ী ব্যক্তিদের বিচার করুন: সু চিকে টিলারসন

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

 

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচার করার সুপারিশ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন। একইসাথে তিনি বলেছেন, রাখাইনে যেসব নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে তার ওপর স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত চালাতে হবে।

মায়ানমারে এক সফরের সময় টিলারসন বর্মী সামরিক বাহিনীর সুপরিকল্পিত সহিংসতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক সহিংসতার সময় মায়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী এবং অস্ত্রধারী বেসরকারি গোষ্ঠীগুলোর হাতে ব্যাপক নির্যাতনের বিশ্বাসযোগ্য খবরে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’ খবর বিবিসির।

মায়ানমারের রাজধানী নেপিট’তে তিনি যখন এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব বক্তব্য রাখেন, তখন তার পাশে ছিলেন মায়ানমার নেত্রী অং সান সুচি। টিলারসন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাহায্যের জন্য ৪০ কোটি ৭০ লক্ষ ডলার অর্থ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কোনো আইন প্রণেতা মায়ানমারের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের লক্ষ্যে বিল পেশ করার কথা বললেও টিলারসন বলেন, পরিস্থিতি বলে এই নিষেধাজ্ঞা সমস্যা সমাধানে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে না।

এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মায়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং লাইং-এর সাথেও বৈঠক করেন। রাখাইন নির্যাতনে বর্মী সেনাবাহিনীর সাফাই ওদিকে, মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের প্রেক্ষাপটে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।

ওই প্রতিবেদনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছে মায়ানমার সেনাবাহিনী।

কোনো রোহিঙ্গাকে হত্যা, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া, নারীদের ধর্ষণ বা লুটপাটের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে প্রতিবেদনে। জাতিসংঘ ইতোমধ্যে মায়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞের অন্যতম উদাহরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

বিবিসির সংবাদদাতাও ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেছেন কিভাবে জ্বালাওপোড়াও চলেছে। তবে এগুলোর সঙ্গে মায়ানমার সেনাবাহিনীর প্রতিবেদনের কোনো মিল নেই।

মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে মায়ানমার সেনাবাহিনী নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ দূর করার চেষ্টা করছে। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী এমন অভিযোগের পর থেকে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনকে মায়ানমারে প্রবেশ করে সঠিক তথ্য যাচাইয়ের দাবি জানিয়ে আসছিল।

কিন্তু রাখাইন রাজ্যে গণমাধ্যমের প্রবেশের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কড়া ব্যবস্থা রয়েছে।

কিছুদিন আগে সরকার তাদের নিয়ন্ত্রনে সাংবাদিকদের একটি দলকে রাখাইন সফরে নিয়েছিল এবং সে সফরে গিয়ে বিবিসির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধি জোনাথন হেড দেখেছেন রোহিঙ্গাদের কয়েকটি গ্রাম আগুনে পুড়ছে। রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে পুলিশের সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পুরুষদেরও দেখতে পেয়েছেন তিনি।

ড্রোন ফুটেজে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল
চলতি বছরের ২৫ আগস্টে রাখাইনে যে সহিংস পরিস্থিতি শুরু হয়, সেই পরিস্থিতি থেকে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ। রাখাইনের কয়েকটি পুলিশ পোস্টে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলার পর মায়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে তাদের অভিযান শুরু করে।

রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা অভিযোগ করেন যে, স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনের সহায়তায় মায়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ওপর আক্রমণ করছে এবং সাধারণ মানুষ হত্যা করছে।

তবে মায়ানমার সেনাবাহিনী ফেসবুকে এক বিবৃতিতে জানায় , তারা হাজারখানেক গ্রামবাসীর সাক্ষাতকার নিয়েছে যারা এমন অভিযোগের কথা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ওই পোস্টে সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, গ্রামবাসী স্বীকার করেছে যে নিরাপত্তা বাহিনী- কোনো ‘নিরীহ গ্রামবাসীর ওপর গুলি চালায়নি’ নারীদের ওপর ‘যৌন অত্যাচার বা ধর্ষণ করেনি’ গ্রামের সাধারণ ‘বাসিন্দাদের গ্রেপ্তার, মারধর বা হত্যা করেনি’ সাধারণ মানুষের বাড়ি থেকে স্বর্ণ বা রূপাসহ কোনো মূল্যবান সামগ্রী বা গবাদিপশু লুটপাট করেনি,মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়নি,সাধারণ মানুষের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়নি,ফেসবুক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী আরো বলেছে, তাদের ভাষায় ‘বাঙ্গালি সন্ত্রাসীরা’ এসব ধ্বংসযজ্ঞের জন্য দায়ী এবং এসব সন্ত্রাসীদের ভয়ে লাখো মানুষ রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে।

সেনাবাহিনীর এ প্রতিবেদনের বিষয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, ‘এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে এটা পরিষ্কার যে মায়ানমার সেনাবাহিনীর জবাবদিহি নিশ্চিত করার কোনো ইচ্ছা নেই।’

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!