1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
প্রাডো গাড়ীতে মিললো বাঘ সিংহের বাচ্চা - খবরবাড়ি24.com
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সভা গাইবান্ধায় বসুন্ধরা শুভ সংঘের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন ডা. মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধায় তরুণদের উদ্যোগে সবুজ পণ্যের বাজার নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে গাইবান্ধা মহিলা পরিষদের জেলা সংগঠকদের প্রশিক্ষণ সুন্দররগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ১১৭ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ২ গোবিন্দগঞ্জে কাটাখালী পত্রিকার উদ্যোগে আলোচনা সভা, ইফতার ও দো’আ মাহফিল শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয় ছাত্রশক্তির গাইবান্ধা জেলার সদস্য সচিবের পদ স্থগিত ইশতেহার বাস্তবায়ন, কৃষির উন্নয়ন ও সামাজিক অপরাধ দূর করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য—- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্রী গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভায় হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

প্রাডো গাড়ীতে মিললো বাঘ সিংহের বাচ্চা

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা যশোরে বিলাসবহুল প্রাডো গাড়ী থেকে দুটি বাঘ ও দুটি সিংহশাবক উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান বিবিসিকে বলেন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ শহরের চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকায় বাঘ ও সিংহশাবক বহনকারী প্রাডো জিপে তল্লাশি চালায় পুলিশের একটি দল।

আনিসুর রহমান বলেন তাদের কাছে আগেই খবর এসেছিলো যে এ পথে কয়েকটি প্রাণী পাচার করা হবে এবং এর ভিত্তিতেই ওই এলাকায় চেকপোস্ট বসান তারা। খবর বিবিসির।

তিনি বলেন, ‘বাঘের দুটি বাচ্চা ও দুটি সিংহশাবক কাঠের বাক্সে করে নিয়ে যাচ্ছিলো পাচারকারীরা। এগুলো সীমান্ত পার করে ভারতে পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছিলো। যে দুজন এগুলো গাড়ীতে করে নিয়ে যাচ্ছিলো তাদের আটক করেছি।’

পরে আটক হওয়া দুজন জানিয়েছেন যে তারা ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে এগুলো বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশ সুপার জানান উদ্ধার হওয়া বাঘ ও সিংহ শাবক বনবিভাগের কাছে দেয়া হবে আর এগুলো পাচারের সাথে আর কারা জড়িত ছিলো এবং গাড়িটি কার সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাঘ হত্যা বন্ধে কী পদক্ষেপ, জানতে চায় হাইকোর্ট
এর আগে ইন্টারপোলের প্রতিবেদন অনুযায়ী সুন্দরবনের বাঘ হত্যা ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

রবিবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি জেএন দেব চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্ব-প্রণোদিত হয়ে এই রুল জারি করেন।

বন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, ডিআইজি খুলনা, ডিজি কোষ্টগার্ড, ডিসি খুলনা, বিভাগীয় বন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের ১ সেপ্টেম্বরের এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

এর আগে গত ২৯ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে ‘বাঘ হত্যা ও চোরাচালানে রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

রবিবার প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মনিরুজ্জামান।

প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইন্টারপোলের বরাত দিয়ে বলা হয়, সুন্দরবনের বাঘ হত্যায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়। এই চক্র সুন্দরবনে বাঘ হত্যায় অস্ত্র সরবরাহ, হত্যা শেষে বাঘের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও চামড়া চোরাচালানের সঙ্গে কাজ করে। সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকার সরকারদলীয় একজন সাংসদ, ইউনিয়ন পরিষদের তিনজন চেয়ারম্যান এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর বেশ কয়েকজন নেতা জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত জানুয়ারি মাসে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোল বাংলাদেশ সরকারের কাছে সুন্দরবনের বাঘ হত্যা এবং ক্ষুদ্র অস্ত্রের সরবরাহ নিয়ে দুটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সুন্দরবন থেকে বাঘ হত্যা করে এর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ভারতে পাচার করা হয়। এই পাচারের সঙ্গে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরাও জড়িত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদন দুটি তৈরি করতে ইন্টারপোল ২০১৪ সালের আগস্ট থেকে ২০১৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করেছে। মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন এবং স্থানীয় পর্যায়ের তথ্য থেকে তৈরি করা হয়েছে এই প্রতিবেদন। বাংলাদেশ ও ভারতের ইন্টারপোল সমন্বয়কদের কাছে প্রতিবেদন দুটি জমা দেওয়া হয়।

২০০৪ সালের বাঘ শুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে বাঘের সংখ্যা ছিল ৪৪০টি। সর্বশেষ ২০১৫ সালে বাংলাদেশ দ্বিতীয় বাঘ জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, বাংলাদেশে বাঘের সংখ্যা কমে ১০৬টিতে দাঁড়িয়েছে।

ইন্টারপোলের প্রতিবেদনে বাঘ হত্যা এবং ডাকাত দলগুলোকে অস্ত্র সরবরাহকারী ৩২ ব্যক্তির নাম এবং বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এই তালিকায় সাতক্ষীরা-৪ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সাংসদ এস এম জগলুল হায়দারের নাম উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সেখানে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলী আজম ওরফে টিটু, একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মাসুদুল আলম, রমজাননগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আকবর আলী গাজীর নাম রয়েছে।

সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশ থেকে বাঘ চোরাচালান করে ভারতে পাচারের সঙ্গে গিরেন বিশ্বাস, গোলজার ও নিখিল নামের তিনজন ভারতীয় চোরাচালানকারীকে চিহ্নিত করেছে ইন্টারপোল। এ ছাড়া বন বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী এবং বন বিভাগের চোরাচালানবিরোধী অভিযানের তথ্য ফাঁসকারী হিসেবে শফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির কথাও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!