1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
নাশকতার মামলায় গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসিফ সরকার গ্রেফতার গাইবান্ধা-২ আসনের বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ পলাশবাড়ীতে যুবদলের নির্বাচনে করণীয় শীর্ষক কর্মীসভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় শিশু সাংবাদিকতার কর্মশালা শেষে সনদ বিতরণ পলাশবাড়ীতে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জে যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ীতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি নাইট ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ভ্রাম্যমান আদালতে কারাদণ্ড গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ পলাশবাড়ীতে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত মানুষকে অনুপ্রাণিত করে: বক্তারা

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

নাগরিক সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত মানুষকে তাঁদের অধিকার আদায়ের লড়াইকে অনুপ্রাণিত করবে। তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর যে ভাষণ আগে শুধু আমাদের সম্পদ ছিল, এখন তা সারা বিশ্বের সম্পদ।

তারা শনিবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে এ কথা বলেন। খবর বাসসের।

এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আগে শুধু আমাদের সম্পদ থাকলেও এখন তা সারা বিশ্বের সম্পদ। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষকে তাদের অধিকার আদায়ের লড়াইকে অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত করা হলে তা বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ হবে। বঙ্গবন্ধু আমাদের হয়েও তিনি এখন সারা বিশ্বের সম্পদ। বিশ্ববাসী এ ভাষণের শক্তি অনুভব করতে পারবে। এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নাট্য ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার ও ড. নুজহাত চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টর।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক এ ভাষণ আগে থেকেই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃত ছিল। ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণকে বিশ্ব ঐতিহ্যেও প্রামাণ্য দলিল হিসেবে নিবন্ধিত করেছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ একমাত্র অলিখিত ভাষণ যা একটি জাতি রাষ্ট্র সৃষ্টি করেছে। সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালীকে আন্দোলিত করে মৃত্যু ভয়কে জয় করে স্বাধীনতার যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল।

অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, নতুন প্রজন্মকে দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। আর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারলেই তার ৭ মার্চের ভাষণের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হবে।

অধ্যাপক জাফর ইকবাল বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে যার হাতে যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে বলেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করতে আবারো তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে মোকাবেলা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের জাতির পিতাকে আমরা রক্ষা করতে পারিনি। এ দুঃখ আমরা কোথায় রাখব। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারলে আমাদের দুঃখ কিছুটা হলেও লাঘব হবে।’

গোলাম সারওয়ার বলেন, উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হলে আবারো আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করতে হবে। দেশে ষড়যন্ত্র চলছে। তা প্রতিহত করেই বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

নাগরিক সমাবেশকে সফল করতে সকাল ১১ থেকেই বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগনের ব্যানার নিয়ে মিছিল সহকারে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করে। দুপুর ১২টার মধ্যেই সমাবেশের মূল প্যান্ডেল পূর্ণ হয়ে যায়।

সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও তার বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন যোগদান করে। সমাবেশ উপলক্ষে বাংলা মোটর থেকে শাহবাগ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এবং দোয়েল চত্বর থেকে হাইকোট মোড় হয়ে মৎস্য ভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত্র এলাকা মিছিলে মিছিলে সয়লাব হয়ে যায়।

দুপুর বারোটার পর সমাবেশ স্থলের সামনে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লোক ছড়িয়ে পড়ে। পুরো উদ্যান জনসমুদ্রে রূপ লাভ করে। স্বাধীনতার পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এটাই বড় সমাবেশ বলে অনেকের মুখে বলতে শুনা যায়। চার লাখেরও বেশি মানুষ এ সমাবেশে যোগদান করেছে বলে ধারনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলা ২টা ৪০ মিনিটে সমাবেশস্থলে এসে পৌছান। প্রধানমন্ত্রীর আসন গ্রহণের পর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নাগরিক সমাবেশ শুরু হয়। এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের স্মরণে দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। তারপর বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়।

সমাবেশে শিল্পকলা একাডেমীর শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। গান শেষে কবি নির্মলেন্দু গুণ পাঠ করে শোনান ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে নিয়ে স্বরচিত কবিতা ‘স্বাধীনতা, এ শব্দটি আমাদের কিভাবে হলো।’

পরপরই ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টর বক্তব্য রাখেন। তার বক্তব্য শেষে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে, সে আগুন ছড়িয়ে গেল সব খানে।’ গানটি পরিবেশিত হয়।

এরপর বক্তব্যের ফাঁকে ফাঁকে চলে আবৃত্তি ও গান। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’ গানটি পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীত শিল্পী শাহীন সামাদ। সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর আবৃত্তি করে শুনান সৈয়দ শামসুল হকের একটি কবিত। তারপর জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত শিল্পী মমতাজ বেগম এমপি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা একটি গান গেয়ে শোনান।

ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক এ সংগঠনটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাঠ করেন। প্রস্তাব পাঠ শেষে তিনি তা ইউনেস্কো প্রধানের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টরের কাছে হস্তান্তর করেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft