1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
পোপ ফ্রান্সিসকে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দ না বলার পরামর্শ - খবরবাড়ি24.com
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে ড্রেনের কাদা একাকার রাস্তা: জনদুর্ভোগ চরমে, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট তারাগঞ্জে খারুভাজ ব্রিজের কাছে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ট্রাকচালক নিহত, আহত ১ পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র ল্যাব টেকনোলজিস্ট জাভেদ হেসেনের ইন্তেকাল পলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউনিয়নে দুঃস্থ-অসহায়দের মাঝে ভিজিএফ’র ১০ কেজি করে চাল বিতরণ পলাশবাড়ীর পৌরশহরের এসআর মিঠু’র মেধাবী সন্তান শিহাবের ইন্তেকাল ‎‘চোরের মুখে ধর্মের কাহিনী’ দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধনে বরখাস্ত হওয়া বিতর্কিত অধ্যক্ষ তারাগঞ্জে ক্যানেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া সংসদকে যুক্তি, তর্ক ও জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী শপথ নিলেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন ঘিরে তারাগঞ্জে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

পোপ ফ্রান্সিসকে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দ না বলার পরামর্শ

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশ ও মায়ানমার সফরের সময় ক্যাথলিক চার্চপ্রধান পোপ ফ্রান্সিসকে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার না করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে। যদিও এর আগে পোপ ‘রোহিঙ্গা ভাই-বোন’ শব্দটি ব্যবহার করে তাদের প্রতি সহমর্মিতার কথা উল্লেখ করেছিলেন।

ক্যাথলিক চার্চ ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি পোপকে এ পরামর্শ দেয়। তবে এ ধরনের পরামর্শের বিরোধিতা করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা; যারা এরই মধ্যে ‘বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত এই দেশহীন জনগোষ্ঠীকে’ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ‘রোহিঙ্গা’ বলেই অভিহিত করে আসছে।

চলতি বছরের অক্টোবরে রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা সৃষ্টির পর সেখান থেকে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এই ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদি উদাহরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘ। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মায়ানমার ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি পরিহার করার পাশাপাশি এই জনগোষ্ঠীকে নিজেদের দেশের নাগরিক বা স্বতন্ত্র নৃগোষ্ঠী বলেও স্বীকৃতি দিতে রাজি নয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পাঁচ দিনের সফরে পোপ ফ্রান্সিস ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশে সফর করবেন, পরে তিনি মায়ানমার যাবেন। ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি সেখানে থাকবেন।

রাখাইনের সহিংসতা নিরসনে মায়ানমার সরকার গঠিত কমিশনের প্রধান ও জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান ও মায়ানমারের কার্ডিনাল চার্লস মং বো আশা করেন যে, পোপ তার সফরে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করবেন না। খ্রিস্টানরাও মায়ানমারে সংখ্যালঘু।

পোপকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে ‘রোহিঙ্গা’র পরিবর্তে ‘রাখাইন রাজ্যের মুসলিম’ শব্দটি ব্যবহার করার জন্য। যদিও গত অক্টোবরে সহিংসতা শুরুর পর এক বিবৃতিতে ‘রাখাইনের রোহিঙ্গা ভাই-বোনদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে’র জন্য মায়ানমার সরকারকে আহ্বান জানিয়েছিলেন পোপ। এ সময় তিনি ‘তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাস’ রক্ষার কথাও বলেন।

কফি আনান কমিশন রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে তাদের প্রতিবেদন মায়ানমার সরকারের কাছে দাখিল করার পর পরই রাখাইনে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানকার ৩০টি সেনা ও পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালানো হয়, যার জন্য দায়ী করা হয় রাখাইন রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (অরসা) নামে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের একটি সংগঠনকে। যার জের ধরে সেনাবাহিনীর হামলা-হত্যা-ধর্ষণের মুখে ছয় লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

ভ্যাটিকান সিটি জানিয়েছে, গত ৬ নভেম্বর কফি আনান আরো তিনজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে নিয়ে পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। কমিশনের ৬৩ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি পোপকে দেয়া হয়। ওই প্রতিবেদনেও ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি পরিহার করে শুধু ‘রাখাইন রাজ্যের মুসলিম’ ব্যবহার করা হয়েছে।

ভ্যাটিকান অবশ্য এ বৈঠকের বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি। তবে পরদিন কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে নাশতার সময় কফি আনান জানান, যাঁরা ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করতে চান, তিনি তাদের সঙ্গে একমত। তবে মায়ামমারের শাসকদের ‘মনঃক্ষুণ্ণের’ কথা চিন্তা করেই এটি ব্যবহার করা হচ্ছে না।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের সরকার প্রথম থেকেই ‘শরণার্থী’ না বলে ‘অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করে। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাখাইন রাজ্য থেকে আসা জনগোষ্ঠীকে ‘বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমারের নাগরিক’ হিসেবে চিহ্নিত করার কথা বলা হয়।

মায়ানমার সরকারও ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করে না। মায়ানমারে কর্মরত জাতিসংঘ কার্যালয়ও তাদের বিভিন্ন সংবাদ বিবৃতিতে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটির পরিবর্তে ‘রাখাইনের মুসলিম’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!