1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
৪ঠা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৯শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় কালোবাজারে বিক্রির সময় ২০ বস্তা সার জব্দ পলাশবাড়ীতে শৈত্যপ্রবাহে হলদে বিবর্ণ বোরো বীজতলা নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় ভূক্তভোগী কৃষক ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা ! নারীই সমাজ গঠনের মূল চালিকা শক্তি: এটিএম আজহারুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসন; সব ক্ষেত্রে উপেক্ষিত নৃগোষ্ঠী, উন্নয়নের নামে এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা গোবিন্দগঞ্জে বেগম জিয়ার আত্মার শান্তিতে সনাতনী সম্প্রদায়ের বিশেষ প্রার্থনা তারাগঞ্জে এবি পার্টির নেতা ইউনুস গ্রেপ্তার পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’-এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল বাস্তবায়নে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধার চরাঞ্চলে র‌্যাব-১৩এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

জোট নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হলে জার্মানিতে আবার নির্বাচন

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

জার্মানিতে তথাকথিত জামাইকা কোয়ালিশন আগামী জোট সরকার গঠনের আলোচনা শুরু করতে পারবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছে। সপ্তাহান্তেও প্রাথমিক আলোচনা সফল না হলে নতুন করে নির্বাচন হতে পারে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর জার্মানির সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সম্ভাব্য জোট সরকার গঠনের জন্য অনুকূল হয়নি। চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের ইউনিয়ন শিবির পছন্দের উদারপন্থি এফডিপি দলের সঙ্গে জোট গড়তে প্রয়োজনীয় আসন পায়নি।

সামাজিক গণতন্ত্রী এসপিডি ও সবুজ দলের সম্মিলিত আসনসংখ্যাও যথেষ্ট নয়। আগের মতো ইউনিয়ন ও এসপিডি দলের মহাজোট সরকার চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও শুরুতেই বাতিল করে দিয়েছেন এসপিডি দলের শীর্ষ নেতা। ফলে অবশিষ্ট রয়েছে একটি মাত্র সম্ভাব্য জোট। দলের রংগুলির কারণে এই জোটের পোশাকি নাম জামাইকা কোয়ালিশন। এফডিপি দলের সঙ্গে সবুজ দলকেও সঙ্গে নিয়ে জোট গঠন করতে চায় ম্যার্কেলের ইউনিয়ন শিবির। ভোটারদের রায় মেনে পরস্পরের মধ্যে আপোশ মীমাংসা করে এই জোট গঠন করার জন্য চাপ দিচ্ছেন ম্যার্কেল।

এই প্রচেষ্টা বিফল হলে সম্ভবত নতুন করে আবার নির্বাচন ডাকতে হবে। সে ক্ষেত্রে জার্মানির মানুষ বিষয়টি মোটেই ভালোভাবে নেবেন না বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ম্যার্কেল। উল্লেখ্য, সংখ্যালঘু সরকার গঠনও আরেকটি বিকল্প হতে পারে, যদিও তার স্থায়িত্ব নিয়ে সন্দেহ থেকে যাবে।

তিনটি রাজনৈতিক শিবিরের চারটি দলের মধ্যে আদৌ জোট গঠন করা সম্ভব কিনা, সেই নিয়ে প্রায় চার সপ্তাহ ধরে আলোচনা করেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। প্রথা অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে ঐকমত্য ছাড়া জোট সরকার গঠনের মূল আলোচনা শুরু করাই সম্ভব নয়। শুক্রবার সকালের মধ্যেই প্রাথমিক আলোচনা শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছিল। কিন্তু ইতিবাচক ফলাফল না পাওয়ায় আলোচনা সপ্তাহান্ত পর্যন্ত চলবে।

সম্ভাব্য জোটসঙ্গীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিরোধ দেখা যাচ্ছে কয়েকটি বিষয় নিয়ে। জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলার প্রশ্নে পরিবেশবাদী সবুজ দলের কঠোর অবস্থান বাকিরা সবাই মানতে পারছে না। সবুজ দল চায়, শরণার্থীরা তাদের পরিবারের সদস্যদের জার্মানিতে নিয়ে আসার অধিকার পাক। এই প্রশ্নেও রুখে দাঁড়িয়েছে বাভেরিয়ার সিএসইউ দল। সরকারি অর্থ ব্যয় নিয়েও বিরোধ মিটছে না।

বহুকাল পর সরকারে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েও বিশেষ করে ছোট দলগুলি যে যার নিজস্ব আদর্শ বর্জন করতে প্রস্তুত নয়। বরং নিজেদের অবস্থানে অটল থেকে সমর্থকদের আস্থা ধরে রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। তার উপর উগ্র দক্ষিণপন্থি এএফডি দলের উত্থানের কারণে বাভেরিয়ার সিএসইউ দলও শরণার্থী ও অভিবাসনের বিষয়ে কড়া অবস্থান ছাড়তে চাইছে না।

চ্যান্সেলর ম্যার্কেলও নিজের সিডিইউ দলের মধ্যে কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। ফলে সবার মুখরক্ষা করে জোট গঠনের আলোচনার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা মোটেই সহজ কাজ নয়।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft