1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
৯ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৪ঠা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতবস্ত্র নিয়ে রোগীদের পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক চিকিৎসা সহযোগিতা সম্প্রসারণ করল যুক্তরাষ্ট্র সুন্দরগঞ্জে ব্যবসায়ীর টাকা হত্যা চেষ্টা ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন গাইবান্ধায় ইকোসাইকেল প্রকল্প পরিচিতি ও সচেতনতা সভা ভোটারদের যাতায়াত ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি অনুমোদন গাইবান্ধা-৫ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ও দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী গণসংযোগ পলাশবাড়ীতে জমির ৯ লাখ টাকা ফেরত পেতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন তারাগঞ্জে রংপুর-২ আসনের জামায়াতের উদ্যোগে বিশাল নির্বাচনী মিছিল সাদুল্লাপুরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রচারণামূলক পথনাটক নিয়ে গাইবান্ধায় ভোটের মাঠে সুজন

কাশ্মীর ইস্যুর জট খোলা কি সম্ভব?

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

কাশ্মীরের ভূমিগত বাস্তবতার নিরিখে গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজতে সোমবার কাশ্মীরে গেছেন কেন্দ্রের বিশেষ প্রতিনিধি দীনেশ্বর শর্মা। সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে সাড়া না এলেও, কথোপকথনের ধারাটা বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অশান্ত কাশ্মীরে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পাঁচ দিনের সফরে জম্মু-কাশ্মীরে গেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ প্রতিনিধি দীনেশ্বর শর্মা৷ তিনি শ্রীনগরে পা রাখতে না রাখতেই কাশ্মীরের ফুলওয়ামা জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে নিহত হয় তিনজন। নিহতদের একজন সম্পর্কে জয়স-ই-মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজাহারের ভাইপো। এছাড়া ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর একজন জওয়ানও প্রাণ হারায় কান্দি-আগলার গ্রামে।

কেন্দ্রের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে প্রাক্তন এই গোয়েন্দা কর্তার নাম ঘোষণার সময় থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, এই কাজে তিনি কতটা সক্ষম হবেন? তবে কাশ্মীরের হালহকিকত সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল তিনি। বিরোধী পক্ষগুলির বক্তব্য শোনার ধৈর্য ও সহনশীলতা আছে তার। এমনকি কাশ্মীর ইস্যুর সংবেদনশীলতাও তিনি বোঝেন।

নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, সব শিবিরের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত তিনি। সেকথা চিঠি দিয়েও তিনি জানিয়েছেন। কিন্তু গলদ রয়ে গেছে গোড়াতেই। কাশ্মীরের রাজনৈতিক দল, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এবং যুব সমাজ ভালোভাবেই জানে যে, কেন্দ্রীয় সরকারের যে-কোনো শান্তি আলোচনাকারীকে সংবিধানের মধ্যেই থাকতে হবে। অর্থাৎ সমাধানের কোনো সূত্রই সংবিধানের লক্ষণরেখার বাইরে গিয়ে হবে না।

এটা বুঝেই সম্ভবত প্রধান প্রধান পক্ষ, যেমন হুরিয়াতের কট্টরপন্থি, মধ্যপন্থি এবং রাজ্যের শাসক বিরোধী রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল কনফারেন্স দীনেশ্বরের ‘মিশন কাশ্মীর’-এর প্রতি আগ্রহ দেখায়নি৷ উপত্যকার শান্তি আলোচনায় বিশেষ প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করতেও নারাজ তারা। হুরিয়াত জানিয়েছে, এইসব শান্তি আলোচনা অর্থহীন।

স্রেফ কালক্ষেপ করা। তাদের ভাষায়, কাশ্মীর আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন, এই ধরনের আলোচনায় যোগ দেওয়া মানে তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা। উল্লেখ্য গিলানি, মিরওয়াইজ, ইয়াসিন মালিকের মতো শীর্ষ নেতারাই এখন হুরিয়াত, তথা কাশ্মীরের জনগণের সর্বেসর্বা।

ওদিকে কাশ্মীরের উত্তপ্ত বাতাবরণে সম্প্রতি ঘি ঢেলেছেন কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী চিদামবরমের একটি মন্তব্য। তিনি কাশ্মীরে স্বশাসনের প্রসঙ্গটি তুলেছেন। এহ বাহ্য, সংবিধানের ৩৭০ নং ধারা এবং ৩৫-এ সংশোধন করার ইস্যু নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। আর এতে বিজেপি সরকার পড়েছে আরো বেকায়দায়। সমস্যা আরো জটিল হয়েছে। কাজেই প্রথমে শান্তি-সমঝোতার দু’টো প্রধান কাঁটা তুলতে হবে। এক, যে করেই হোক হুরিয়াতকে আলোচনার টেবিলে আনা।

কিন্তু পাকিস্তানের অঙুলে লেহন ছাড়া হুরিয়াতকে আলোচনার টেবিলে আনা কার্যত অসম্ভব। দিল্লি তা মেনে নেবে না। দুই, সংবিধানের ৩৭০ এবং ৩৫-এ ধারা নিয়ে যাবতীয় বিতর্কের অবসান করা। কাশ্মীরিদের আশঙ্কা, এভাবে সংবিধান সংশোধন করা হলে কাশ্মীরি মুসলিমরা শেষ পর্যন্ত রাজ্যে সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে।

তবে প্রথমদিন শ্রীনগরে দীনেশ্বর শর্মার সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেন রাজ্যের ১০টি যুব গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা। তারা জানান, কাশ্মীরিদের আস্থা অর্জন করতে হলে নিরাপত্তা বাহিনীকে ছররা গুলি চালানো বন্ধ করতে হবে। তুলে নিতে হবে কাশ্মীরি যুবকদের ওপর করা যাবতীয় মামলা।

সীমান্তবর্তী গুজ্জর বাক্কারওয়াল সম্প্রদায়ের জেনারেল সেক্রেটারি ইয়াসিন পসওয়াল বলেন, দীনেশ্বর শর্মার মনোভাব ইতিবাচক। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর কাশ্মীর সফরের সময়ে তার কাছেও অনুরুপ দাবি রাখা হয়েছিল।

দীনেশ্বর অবশ্য ইতিমধ্যেই তার উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখ্য, কাশ্মীরের যুব সমাজকে চরম পথ থেকে ফিরিয়ে আনা এবং কাশ্মীরকে আর একটি সিরিয়া হতে না দেওয়া।

কাশ্মীর সমস্যার জট খোলা কি কেন্দ্রের বিশেষ প্রতিনিধি দীনেশ্বর শর্মার পক্ষে সম্ভব হবে?
ডয়চে ভেলের এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক প্রতীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাশ্মীরে যারাই গেছেন তাদের দৃষ্টিভঙ্গি সব সময়েই সামরিক বা রাজনৈতিক ছিল৷ রাজ্যে জঙ্গি তত্পরতা চলছে, কাজেই ধরাবাঁধা পথেই তারা সামরিক সমাধানের চেষ্টা করে এসেছেন।

কাশ্মীরের সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক প্রেক্ষিতের দিকে নজর দেওয়া হয়নি। তাই ‘কেন্দ্রের দৃষ্টিভঙ্গির যতক্ষণ না বদল হবে, সমাজের মুখ যতক্ষণ না তাতে সামিল হবে, ততক্ষণ মরীচিকা হয়ে থাকবে শান্তি।’ তিনি জানান, ‘কেন্দ্রের উচিত আম কাশ্মীরিদের মনের কথা খোলাখুলিভাবে আদানপ্রদান করা৷ আর সেজন্য অন-লাইন, ভিডিও কনফারেন্স বা সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। এছাড়া সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে কাশ্মীরিদের আশঙ্কা দূর করতে হবে।’

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft