
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আব্দুল ওয়াহহাব মিঞার খাস কামরায় বৈঠকে বসেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তবে কী বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে সে সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
বুধবার বিকেল ৩ টার দিকে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।
মঙ্গলবার বিদেশ যেতে রাষ্ট্রপতির অনুমতি চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা। এর আগে অস্ট্রেলিয়ায় যেতে ভিসার জন্য আবেদন করেন প্রধান বিচারপতি।
অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২ অক্টোবর এক মাসের ছুটিতে যান এস কে সিনহা। এর পর রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়ার কথা জানায় আইন মন্ত্রণালয়।
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পুর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর সরকারের রোষাণলে পড়া প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার আকস্মিক ছুটিতে যাওয়া নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি বলছে, প্রধান বিচারপতিকে চাপ প্রয়োগ করে এই ছুটিতে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকেও একই অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে সরকারের তরফ থেকে এসব অভিযোগ নাকচ করে বলা হচ্ছে, অসুস্থতাজনিত কারণেই প্রধান বিচারপতি এক মাসের এই ছুটি নিয়েছেন। এর সঙ্গে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের কোনও সম্পর্ক নেই।
প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বয়স বিচারে অবসরে যাওয়ার দিন ধার্য রয়েছে আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি। তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি। মেয়াদ শেষ হওয়ার ৩ মাস আগেই এক মাসের ছুটিতে গেলেন তিনি। এর আগে গত ৮ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কানাডা ও জাপান সফরে যাওয়ার জন্য ১৬ দিনের ছুটি নেন প্রধান বিচারপতি।