1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
২৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৪শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জে সরিষা চাষে বিপ্লব, দুই ফসলি জমি হচ্ছে তিন ফসলি গাইবান্ধা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড-কল্যাণ সভা ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর অসহায় বিচারপ্রার্থী ও দারিদ্রপ্রীড়িত জনসাধারণের মাঝে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজের শীতবস্ত্র বিতরণ ফুলছড়িতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে কারিগরি কলেজের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ইব্রাহিম আকন্দ সেলিম এসিল্যান্ড অবিদীয় মার্ডি হত্যাকান্ডের বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন স্বজনরা বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির গাইবান্ধার গণমানুষের বর্ষীয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড বাদল হাজী’র ইন্তেকাল পলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউপি কার্যালয় পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মুশফিকুর রহমান সাঘাটার বোনারপাড়ায় স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে বৃদ্ধের মহদেহ উদ্ধার অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে ‎প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবীতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন

ঢামেক নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান হলেন সাদুল্যাপুরের কৃতি সন্তান ডা.এজাজ

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৭
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

একজন স্বনামধন্য অভিনেতা অধ্যাপক ডা.এজাজুল ইসলাম এজাজ। পাশাপাশি একজন সুচিকিৎসকও বটে। স¤প্রতি তিনি পদোন্নতি পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগদান করেছেন। ডা.এজাজুল রংপুর মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করেছেন। ১৯৮৪ সালে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর তিনি যোগদেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি)। এখান থেকে তিনি নিউক্লিয়ার মেডিসিনে স্নাতকোত্তর করেন। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মাধ্যমে ডা.এজাজ অভিনয় জীবন শুরু করেন।

হুমায়ূন আহমেদের নিপুন পরিচালনায় একাধিক চলচ্চিত্রেও তিনি কাজ করেছেন।’তারকাঁটা’চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। তিনি গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের সন্তান। তিনি একাধারে চিকিৎসক এবং একজন সফল অভিনেতা। তিনি দামি গাড়িতে চড়বেন এটাই স্বাভাবিক।কিন্তু না,জনপ্রিয় এই মানুষটি এখনো চেপে বসেন পাবলিক বাসের সীটে।পাবলিক বাসে চড়েই তিনি তার বাসা-কর্মস্থল থেকে শুরু করে শুটিং স্পট যাতায়াত করে থাকেন।
আমরা বহু গুনে গনান্বিত যে গুণী মানুষটির কথা বলছি তিনি আর কেউ নন আমাদের গাইবান্ধার কৃতি সন্তান ডা.এজাজুল ইসলাম।

ডা. এজাজ পেশায় একজন চিকিৎসক।কিন্তু তিনি সমান তালে টিভি পর্দা-চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি বহুজাতিক বিভিন্ন প্রতিষবঠানের টিভি বিজ্ঞাপনে মডেলিং করে চলেছেন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের স্বপ্ন দেখতেন এজাজুল ইসলাম। চতুর্থ শ্রেণীতে পড়াকালীন প্রথম মঞ্চে অভিনয় করার সুযোগ পান। সেদিন তার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে দর্শক প্রাণ ভরে হেসে উঠেছিল। তখন থেকেই অভিনয়ের পোকা তার মাথায় চেপে বসে। বিষয়টি অভিনয় করার ব্যাপারে আরও আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়। রংপুর অবস্থানকালীন ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত রংপুর রেডিও’র নাটকে নিয়মিত অভিনয় করতেন এজাজুল ইসলাম। ১৯৮৫ সালে চাকরির সুবাদে তিনি ঢাকায় চলে যান।

চাকরির পাশাপাশি টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের তীব্র আকাঙ্খা লালন করে আসছিলেন। এক পর্যায় ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের অভিনয় শিল্পী হিসেবে তিনি তালিকাভুক্ত হন। কিন্তু থিয়েটারে অভিনয়ে তেমন কোন অভিজ্ঞতা না থাকায় তিনি কোন নাটকে অভিনয় করার সুযোগ পাননি। রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রিধারী এজাজুল ইসলাম টেলিভিশনে অভিনয় চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে আবারো পড়াশোনায় মনযোগ দেন।পিজি হাসপাতালে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগে পোস্ট গ্রাজুয়েশনে ভর্তি হন। এ সময় একদিন ঘটনার আকস্মিকতায় বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক-নির্মাতা শিল্পী গড়ার কারিগর হুমায়ূন আহমেদের সাথে পরিচয় হয়। এজাজুল ইসলাম এসময় তার অভিনয় আগ্রহের কথা জানান তাকে। হুমায়ুন আহমেদ তখন গাজীপুরে দর্শকপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘সবুজ সাথী’র কাজ শুরু করছেন।

এজাজুল ইসলামের চেম্বার গাজীপুরে।প্রথম পরিচয়ের তিন চারদিনের ব্যবধানে হুমায়ূন আহমেদ ডা.এজাজ কে ডেকে পাঠান। এরপর পরই সবুজ সাথী ধারাবাহিকে কাজ করার সুযোগ করে দেন। হুমায়ূন আহমেদের টিভি নাটক-চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জনের পর আর তাঁকে পিছনে তাকাতে হয়নি। তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। ডা.এজাজ চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি প্রায় সব ধরনের নাটক-চলচ্চিত্র ও মডেলিং-এ অভিনয় করে চলেছেন। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘শ্রাবন মেঘের দিন’। এরপর দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্র কথা (২০০৩), শ্যামল ছায়া (২০০৪) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। টেলিভিশনের প্রায় সব চ্যানেলেই তাঁর অভিনীত কোন না কোন নাটক প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে।

তিনি তাঁরকাটা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ৩৯ তম জাতীয় চলচিত্র পুরষ্কার প্রদানে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত হন। গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার রসূলপুর গ্রামে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন।তিনি ১৯৮৪ সালে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি তার ডাক্তারি পেশা চালিয়ে যাচ্ছেন। গাজীপুরে তার নিজস্ব চেম্বারে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি নিয়মিত রোগী দেখেন ।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়াস বিভাগের প্রধান হিসাবে যোগদান করেন। উল্লেখ্য ; জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব ডা.এজাজ রোগিদের নিকট ভিজিট নিয়ে থাকেন সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা। এ জন্য ভুক্তভোগিরা তাঁকে ভালোবেসে গরীবের ডাক্তার বলে থাকেন। মূলত: গরীব-দুঃখি,অসহায় ও দুঃস্থ্য রোগিদের নিকট তিনি কোন অর্থই গ্রহন করেন না। বিনা পয়সায় ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন। বরং সাধ্যমত সম্ভাব্য সাহায-সহযোগিতা করে থাকেন। এক কথায় তিনি সবার প্রতি অতি আন্তরিক এবং একজন ভালো মানুষ। গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে জন্মগ্রহণ করা এই গুনি মানুষটির প্রতি রইল অনেক অনেক আন্তরিক শুভকামনা।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft