1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
জান্নাতুল নাঈমকে নিয়ে বোমা ফাঁটালেন তসলিমা - খবরবাড়ি24.com
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে ড্রেনের কাদা একাকার রাস্তা: জনদুর্ভোগ চরমে, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট তারাগঞ্জে খারুভাজ ব্রিজের কাছে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ট্রাকচালক নিহত, আহত ১ পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র ল্যাব টেকনোলজিস্ট জাভেদ হেসেনের ইন্তেকাল পলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউনিয়নে দুঃস্থ-অসহায়দের মাঝে ভিজিএফ’র ১০ কেজি করে চাল বিতরণ পলাশবাড়ীর পৌরশহরের এসআর মিঠু’র মেধাবী সন্তান শিহাবের ইন্তেকাল ‎‘চোরের মুখে ধর্মের কাহিনী’ দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধনে বরখাস্ত হওয়া বিতর্কিত অধ্যক্ষ তারাগঞ্জে ক্যানেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া সংসদকে যুক্তি, তর্ক ও জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী শপথ নিলেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন ঘিরে তারাগঞ্জে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

জান্নাতুল নাঈমকে নিয়ে বোমা ফাঁটালেন তসলিমা

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৭
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক: ফেসবুকে তসলিমা নাসরিন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলকে নিয়ে একটি লেখা পোস্ট করেছেন। সেটি নতুন সময়ের পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল।

তসলিমা লিখেছেন, ‘জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের বাবা গ্রামের গরিব চাষী। ১৬ বছর বয়সে এভ্রিলকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেন। আমার বাবা ধনী, নামী ডাক্তার, মেডিক্যাল কলেজের প্রফেসর ছিলেন। কেউ বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এলে আমার বাবা বলে দিয়েছেন, আমার মেয়ে পড়াশুনা করবে, বড় হবে। তারপর বিয়ে করতে চাইলে নিজের পছন্দ মতো বিয়ে করবে।

এভ্রিলের লেখাপড়ার সুবিধে ছিল না। স্বামীর ঘর থেকে পালিয়ে গিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে তাকে টিউশনি করতে হয়েছে, কলেজে পড়তে হয়েছে। বারো ক্লাস পর তার আর পড়া হয়নি। আমার বাবা মা আমাকে মুখে তুলে খাইয়ে, পরম আদর যত্নে রেখেছেন, উৎসাহ দিয়েছেন ডাক্তারি পড়তে। আমি ডাক্তারি পড়েছি। ডাক্তার হয়েছি।

এভ্রিল ছিল অসহায়। খাওয়া জোটেনি, টাকা জোটেনি। স্ট্রাগল করেছে বছরের পর বছর। নিজের পায়ে দাঁড়াতে চেয়েছে। শেষ পর্যন্ত একটি বাইক কোম্পানির ব্রান্ড এম্বাসাডার হয়েছে। ওর আরো বড় হওয়ার স্বপ্ন। আমার অভাব ছিল না। ডাক্তারি করার পাশাপাশি বই লিখেছি, বইগুলো প্রচুর লোকপ্রিয়তা পেয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে বই। নানা পুরস্কার এবং সম্মান পেয়েছি বিভিন্ন দেশ থেকে।

এভ্রিল মিস বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় নিজের সম্পর্কে মিথ্যে বলেছে। আমি সাত খন্ড আত্মজীবনী লিখেছি। কোথাও নিজের সম্পর্কে এক বর্ণ মিথ্যে লিখিনি।

এভ্রিল আর আমার মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ। কিন্তু দেশের মানুষ যখন আমাদের গালি দেয়, গালিগুলো সব এক — বেশ্যা, মাগি, খানকি, কুত্তা দিয়া চোদা, তরে চুদি, রেট কত ইত্যাদি।

সব মেয়েই ,সে গরিব হোক ধনী হোক, কালো হোক সাদা হোক, শিক্ষিত হোক অশিক্ষিত হোক, মিথ্যুক হোক অমিথ্যুক হোক, উঁচু জাত হোক নিচু জাত হোক, পুরুষের চোখে এক। সবাইকে প্রকাশ্যে এবং আড়ালে একইভাবে ডাকে এবং ডাকবে আমাদের মাথার ওপর বসে থাকা সম্মানিত পুরুষজাতি।’

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!