1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
২৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৪শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জে সরিষা চাষে বিপ্লব, দুই ফসলি জমি হচ্ছে তিন ফসলি গাইবান্ধা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড-কল্যাণ সভা ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর অসহায় বিচারপ্রার্থী ও দারিদ্রপ্রীড়িত জনসাধারণের মাঝে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজের শীতবস্ত্র বিতরণ ফুলছড়িতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে কারিগরি কলেজের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ইব্রাহিম আকন্দ সেলিম এসিল্যান্ড অবিদীয় মার্ডি হত্যাকান্ডের বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন স্বজনরা বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির গাইবান্ধার গণমানুষের বর্ষীয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড বাদল হাজী’র ইন্তেকাল পলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউপি কার্যালয় পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মুশফিকুর রহমান সাঘাটার বোনারপাড়ায় স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে বৃদ্ধের মহদেহ উদ্ধার অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে ‎প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবীতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন

জান্নাতুল নাঈমকে নিয়ে বোমা ফাঁটালেন তসলিমা

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৭
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক: ফেসবুকে তসলিমা নাসরিন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলকে নিয়ে একটি লেখা পোস্ট করেছেন। সেটি নতুন সময়ের পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল।

তসলিমা লিখেছেন, ‘জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের বাবা গ্রামের গরিব চাষী। ১৬ বছর বয়সে এভ্রিলকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেন। আমার বাবা ধনী, নামী ডাক্তার, মেডিক্যাল কলেজের প্রফেসর ছিলেন। কেউ বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এলে আমার বাবা বলে দিয়েছেন, আমার মেয়ে পড়াশুনা করবে, বড় হবে। তারপর বিয়ে করতে চাইলে নিজের পছন্দ মতো বিয়ে করবে।

এভ্রিলের লেখাপড়ার সুবিধে ছিল না। স্বামীর ঘর থেকে পালিয়ে গিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে তাকে টিউশনি করতে হয়েছে, কলেজে পড়তে হয়েছে। বারো ক্লাস পর তার আর পড়া হয়নি। আমার বাবা মা আমাকে মুখে তুলে খাইয়ে, পরম আদর যত্নে রেখেছেন, উৎসাহ দিয়েছেন ডাক্তারি পড়তে। আমি ডাক্তারি পড়েছি। ডাক্তার হয়েছি।

এভ্রিল ছিল অসহায়। খাওয়া জোটেনি, টাকা জোটেনি। স্ট্রাগল করেছে বছরের পর বছর। নিজের পায়ে দাঁড়াতে চেয়েছে। শেষ পর্যন্ত একটি বাইক কোম্পানির ব্রান্ড এম্বাসাডার হয়েছে। ওর আরো বড় হওয়ার স্বপ্ন। আমার অভাব ছিল না। ডাক্তারি করার পাশাপাশি বই লিখেছি, বইগুলো প্রচুর লোকপ্রিয়তা পেয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে বই। নানা পুরস্কার এবং সম্মান পেয়েছি বিভিন্ন দেশ থেকে।

এভ্রিল মিস বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় নিজের সম্পর্কে মিথ্যে বলেছে। আমি সাত খন্ড আত্মজীবনী লিখেছি। কোথাও নিজের সম্পর্কে এক বর্ণ মিথ্যে লিখিনি।

এভ্রিল আর আমার মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ। কিন্তু দেশের মানুষ যখন আমাদের গালি দেয়, গালিগুলো সব এক — বেশ্যা, মাগি, খানকি, কুত্তা দিয়া চোদা, তরে চুদি, রেট কত ইত্যাদি।

সব মেয়েই ,সে গরিব হোক ধনী হোক, কালো হোক সাদা হোক, শিক্ষিত হোক অশিক্ষিত হোক, মিথ্যুক হোক অমিথ্যুক হোক, উঁচু জাত হোক নিচু জাত হোক, পুরুষের চোখে এক। সবাইকে প্রকাশ্যে এবং আড়ালে একইভাবে ডাকে এবং ডাকবে আমাদের মাথার ওপর বসে থাকা সম্মানিত পুরুষজাতি।’

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft