শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
৭ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সৌদির সাথে মিল রেখে পলাশবাড়ীতে ঈদ উদযাপন ব্রহ্মপুত্রে ধরা পড়ল ৯০ কেজির বাঘাইর: ১ লাখে বিক্রি, মাছ কিনতে ক্রেতাদের ভিড় লালমনিরহাটে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শতাধিক পরিবারের ঈদ উদযাপন তারাগঞ্জে মঞ্জুরুল হত্যায় গ্রেপ্তার আরও ১,বেরিয়ে আসছে পরিকল্পিত খুনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পলাশবাড়ীতে বাসচাপায় অজ্ঞাত নারী নিহত গাইবান্ধায় খালের পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুণ মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল যুবক গ্রেফতার লালমনিরহাটে ঈদ উপলক্ষে ‘রোজ’ এনজিওর খাদ্য সহায়তা বিতরণ বিশ্বকাপ নয়, আমরা যুক্তরাষ্ট্র বয়কট করব : ইরান ফুটবল প্রধান লালমনিরহাটে অনলাইন জুয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৬ মোবাইল ও ২৪ সিম

প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিবের ফোন

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৭
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

মায়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন আর নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতারেস।

শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতারেস ফোন করেন এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য তাকে আকুণ্ঠ ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আরো সহায়তার আহ্বান জানান। এসময় তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নেয়ার জন্য মিয়ানমার সরকারকে আরো চাপ প্রয়োগ করার জন্য আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, জাতিসংঘ মহাসচিব শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফোন করেন এবং তারা রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে প্রায় ২০ মিনিট কথা বলেন।

আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী গত মাসে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তার উত্থাপিত ৫ দফা প্রস্তাব বাস্তবায়নে জাতিসংঘ মহাসচিবের সহায়তা কামনা করেন।

তিনি গুতেরেসকে বলেন, ‘আমি এই রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে ৫ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছি। এই ৫ দফা হলো-

১। মায়ানমারকে অবশ্যই নিঃশর্তভাবে রাখাইন রাজ্যে অবিলম্বে এবং চিরতরে সন্ত্রাস এবং জাতিগত নিধন বন্ধ করতে হবে।

২। জাতিসংঘ মহাসচিব মায়ানমারে অবিলম্বে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন পাঠাবেন।

৩। ধর্ম এবং জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে মায়ানমারকে অবশ্যই সকল বেসামরিক নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মায়ানমারের ভেতরে এ জন্য ‘নিরাপদ অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

৪। মায়ানমারকে বলপূর্বক তাড়িয়ে দেয়া সকল রোহিঙ্গা নাগরিককে বাংলাদেশ থেকে টেকসই প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে হবে।

৫। নিঃশর্তভাবে অবিলম্বে কফি আনান কমিশন রিপোর্টের পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জোরপূর্বক বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যকর পথ বের করতে মায়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি রোহিঙ্গা সমস্যা সম্পর্কে ভালভাবেই অবহিত আছেন এবং আপনি জানেন যে, এই সমস্যার মূল মায়ানমারেই রয়েছে এবং মায়ানমারকেই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান খুঁজে বের করতে আমরা আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও মায়ানমার পাঠাচ্ছি।’

জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশে লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনস্রোতের ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft