1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন
৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২রা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জে মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কল্পে মাঠ দিবস পলাশবাড়ী পৌরশহরের উদয়সাগর গ্রামের পরিচিত মুখ মিন্টু মিয়ার ইন্তেকাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফুলছড়ির থানা পরিদর্শন করলেন এডিশনাল ডিআইজি আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সমন্বয় সভা ও মাঠ পরিদর্শন উর্বর কৃষি জমির মাটি উত্তোলনের অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,জনস্বার্থের মুখোমুখি অদৃশ্য শক্তি! বাংলাদেশি ফলের চাহিদা বাড়ছে বিদেশে ইভ্যালির রাসেল-নাসরিন কারাগারে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনে ৭১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা বরাদ্দ উপজেলা কৃষি অফিসের অনিয়ম: কৃষকের স্বপ্ন ও প্রকল্পের আস্থা ঝুঁকির মুখে

‘আমাদের সময়ে প্রেমটা এত শরীরী ছিল না’

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৭
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক: আমার জন্ম ভবানীপুরের চিত্তরঞ্জনে। পড়াশোনা বেলতলা গার্লস হাইস্কুলে। কলকাতাকে চেনা শুরু করেছি খুব ছোটবেলায়। আমি খুব সেরিব্রাল। লোকে শুনলে হাসবে হয়তো। আমি বরাবরই স্বপ্নের জগতে থাকতাম। ওটাই একমাত্র পালিয়ে যাওয়ার জায়গা আমার জীবনে।

আমার বেড়ে ওঠা ভবানীপুরে। ভাগ্যবশত আমার বাবা-মা দু’জনেই খুব বেড়াতে ভালবাসেন। সে কারণেই অনেক জায়গায় আমার ঘুরতে যাওয়া হয়েছে। ডানকুনিতে একটা বাগান বাড়ি ছিল। আমাদের পুরনো বাড়ির ছাদের আলাদা একটা মজা ছিল। এখনও যখন মন কেমন করে, ওই চেনা গন্ধটা আমি পাই। তখন মনে হত, কবে বড় হব। এখন ভাবি ওই ছোট্টবেলাটায় আবার যদি ফেরত যেতে পারি!

ছোটবেলায় দুর্গাপুজোর দিনগুলো বেশ আনন্দে কাটত। ওই চার দিন পড়তে বসতে হত না। সেই নির্ভেজাল কলকাতাকে আমি খুব মিস করি এখন।

এর পর যখন একটু বড় হলাম, থিয়েটার জীবন শুরু হল। বাসে করে থিয়েটার করতে যেতাম। আমার নাটকের স্কুল ছিল উত্তর কলকাতায়। এই সময়টায় আমার প্রচুর থিয়েটার দেখা হত। এই জগতের প্রতি আমার আকর্ষণ কিন্তু তখন থেকেই ছিল। ছোটবেলায় আমি নাটকের স্ক্রিপ্টও লিখেছি।

ক্লাস সিক্সে যখন পড়ি, নাটকের শো নিয়ে মুম্বই পাড়ি দিই। এর পর ঢুকে পড়লাম নাচে। গুরু গোপাল শ্রেষ্ঠার কাছে গান শিখতে যেতাম। সেটাও খুব মজার ছিল।

এ বার কলেজ জীবনের কলকাতার কথা বলি। সাউথ সিটি কলেজের মর্নিং-এ পড়তাম। কলেজ লাইফে লেককে চেনা। এখনকার মতো তখন লেকে মর্নিংওয়াকের চল ছিল না। তখন লোকে প্রেম করতে লেকে যেত। সবাই ‘খারাপ জায়গা’ বলে আলাদা করে লেককে সরিয়ে রাখত। কিন্তু আমরা দলবেঁধে বন্ধুরা মিলে যেতাম, প্রেম করা দেখতাম। তখন যদিও প্রেমটা এতটা শরীরী ছিল না। আমরা যে সময় বেড়ে উঠেছি, প্রেমের মানেটা বেশি প্লেটোনিক ছিল। যে কারণে সকালবেলার লেকের আকাশ, প্রচুর পাখি একটা অদ্ভুত রিল্যাক্সেশেসনের কাজ করত।

কলকাতায় মল গড়ে উঠেছে প্রচুর, মেয়েদের ফ্যাশন তুমুল বদলে গেছে। একটা সাধারণ মেয়ে যে ভাবে সাজে, আমরা কল্পনাও করতে পারতাম না! এগুলো সবই বোধহয় নেট বা টিভির দৌলতে।

তবে বদল নিয়ে বেশি ভেবে লাভ নেই, কারণ আমিও প্রচুর বদলে গিয়েছি। আমি খুব সাদাসিধে ছিলাম। ভাগ্যিস বদলেছি। কিন্তু তাতেও কি খুব চালাক-চতুর হতে পেরেছি!

এখন আমার দিনের বেশির ভাগটাই কেটে যায় গাড়িতে, যাতায়াতে। কারণ আমার শ্বশুরবাড়ি বাগুইআটিতে। তবে আমি একে পজিটিভলি দেখি। এই সময়টায় আমি স্বপ্ন দেখার সময় পাই। কলকাতাকে দেখার সময় পাই। বাকি সময়টায় শুটিং-এ বন্দি আমি।

আমার স্বপ্ন কিন্তু ভাল থাকা। এক সময় মুম্বই চলে গিয়েছিলাম, সেখানে কাজ খোঁজার চেষ্টা করেছিলাম। মুম্বইকে আমি ভালবাসি। কিন্তু ফিরে আসার পরে কলকাতাকে আবার ভালবেসে ফেলেছি। এবং কোথাও মনে হয়, এটা আমার শহর। এখানে আমি শান্তি পাই।

এই শহরটা নিজের লোক না হলেও কাউকে ভালবেসে ফেলবে। আমি জানি, খুব কম টাকাতেও এখানে ভাল থাকা যায়। এটা সারভাইভ করার মতো একটা জায়গা। যে শহর মানুষকে বাঁচতে সাহায্য করে। এখানে চাহিদাগুলো এখনও আকাশছোঁয়া হয়ে যায়নি। এটা যদিও সম্পূর্ণ আমার নিজস্ব ধ্যান-ধারণা।

লেখক: কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft