1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন
২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৩শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবিরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত গণভোট উপলক্ষে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে পলাশবাড়ীতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে দুঃস্থ-অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ গোবিন্দগঞ্জে পুনাকের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফিরাত কামনায় পলাশবাড়ী পৌর যুবদলের দোয়া মাহফিল গণভোট উপলক্ষে গাইবান্ধায় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে সমন্বয় সভা তিন দফা ফাঁসির আদেশ থেকে ফিরে আসা জীবন মানুষের সেবা ও কল্যাণে উৎসর্গ করতে চাই :এটিএম আজহারুল গণভোটের লোগো দৃষ্টিনন্দন স্থানে প্রদর্শনের জন্য নির্দেশনা নির্বাচনী গাড়ি রিকুইজিশন: ন্যায্যতা ও ভোটাধিকারের প্রশ্ন বিক্ষোভে জর্জরিত ইরান ‘বড় বিপদে’, ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের

সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙ্গনে বসতবাড়ি বিলীন

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তার নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে ৭ শতাধিক বসতবাড়ি, আবাদী জমি বিলীন হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে কমিউনিটি ক্লিনিকসহ কয়েকটি স্থাপনা।

বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পানির তীব্র স্রোতে  ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলো হচ্ছে কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার, পোড়ার চর, কালাই সোতার চর, শ্রীপুর ইউনিয়নের পুটিমারী, বেলকা ইউনিয়নের চর বেলকা, কিশামত সদর, বেলকা নবাবগঞ্জ, হরিপুর ইউনিয়নের লখিয়ারপাড়া, পাড়া সাদুয়া, হাজারির হাট, কাশিমবাজার, হরিপুর খেয়াঘাট, কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া ও চন্ডিপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ি, কামারের ভিটা, মালভাঙ্গা।

আবাদী জমিসহ বসতবাড়ি হারিয়ে পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে। বেলকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ জানান তার ইউনিয়নে এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ইতোমধ্যে চর বেলকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় ওই এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন সরকার জানান, তার ইউনিয়নে এ পর্যন্ত ২৮৭টি পরিবারের বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এর মধ্যে ২  নং ওয়ার্ডে ২৫ পরিবার, ৩ নং ওয়ার্ডে ২৫ পরিবার, ৬ নং ওয়ার্ডে ১৫০ পরিবার, ৭ নং ওয়ার্ডে ৪৭ পরিবার ও ৮ নং ওয়ার্ডে ৪০ পরিবার।

তিনি আরও জানান, হুমকির মুখে পড়েছে শতাধিক বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শত শত হেক্টর আবাদী জমি। হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল আলম সরকার জিমি জানান, তার ইউনিয়নে ৩০০ পরিবারের বসতবাড়ি ও আবাদী জমি বিলীন হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার জানান, এ পর্যন্ত উপজেলায় ৭০০ পরিবারের বসতবাড়ি ও আবাদী জমি তিস্তার গর্ভে বিলীন হয়েছে। এদিকে ভাঙ্গন কবলিত কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft