1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৯শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে দো’আ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় নারী দিবস উপলক্ষে নারী সমাবেশ ও মানববন্ধন সাঘাটায় ঐতিহাসিক বদর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল গোবিন্দগঞ্জে ‘হানিট্র্যাপ’ অভিযোগে মামলা দায়ের : গ্রেফতার ১ সরকার সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী পলাশবাড়ীর পল্লীতে জোরপূর্বক জমি দখলের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন পীরগঞ্জে পাবলিক গোরস্তান পরিণত হচ্ছে ভাগাড়ে; মানবিকতা ও পরিবেশের এক নীরব সংকট তারাগঞ্জের বিড়াবাড়ি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ক্ষতি সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি কেবলমাত্র ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারে : ট্রাম্প

একদিনেই ১৩০০০ রোহিঙ্গা, উপচে পড়ছে স্কুল-মাদ্রাসা

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে জাতিসংঘ শরণার্থী এক রাতের ব্যবধানেই টেকনাফে পালিয়ে আসা নতুন ১৩ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে চিহ্নিত করেছে। অস্থায়ী আশ্রয়ের জন্য স্কুল-মাদ্রাসাগুলো খুলে দেয়া হয়েছে, কিন্তু সেগুলো এখন উপচে পড়ছে।

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর কর্মকর্তা ভিভিয়েন ট্যান বলেন, এক রাতের ব্যবধানেই তারা রবিবার নতুন অন্তত ১৩০০০ রোহিঙ্গাকে চিহ্নিত করেছেন। খবর বিবিসির।

ফলে, শনিবার যেখানে রাখাইন থেকে পালিয়ে ঢোকা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৬০ হাজারের মত বলা হয়েছিলো, রবিবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৭৩ হাজার।

ভিভিয়েন ট্যান বলেন, যেভাবে শরণার্থীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে শীঘ্রই আশ্রয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরণের জরুরী সঙ্কট তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, পুরনো যে দুটি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির – কুতুপালং এবং নয়াপাড়া – তাতে আর তিল ধরণের জায়গা নেই।

স্থানীয় স্কুল মাদ্রাসা ছাড়াও, বিভিন্ন খোলা জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে পালিয়ে আসা মানুষজনকে ঠাঁই দেয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বর্তমান হারে শরণার্থী আসতে থাকলে পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যেতে পারে।

ঈদের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আশ্রয়ের জন্য ব্যবহার করা এখন সম্ভব হলেও, ছুটির পর কি হবে তা নিয়ে ত্রাণ সংস্থাগুলো উদ্বিগ্ন।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বলছেন, আরো হাজার হাজার লোক বাংলাদেশ সীমান্তের পথে রয়েছে।

টেকনাফের বালুখালি এলাকায় একটি অস্থায়ী ক্যাম্পেই রবিবার সকাল থেকে ৮০টি পরিবার এসে ঢুকেছে। সেখানে আশ্রয় নেয়া জামাল হোসেন বলেন, পথে শত শত মানুষ সীমান্তের দিকে এগুচ্ছে।

বাংলাদেশে-মায়ানমার সীমান্তের নো-ম্যানস্‌ ল্যান্ডের কয়েকটি জায়গায় কয়েক হাজার রোহিঙ্গা অপেক্ষা করছে।

রেডক্রস কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ বলেন, নো-ম্যানস ল্যান্ডে বসে থাকা রোহিঙ্গাদের অবস্থা সঙ্গিন, কারণ তাদেরকে কোনো সাহায্য দেয়া যাচ্ছেনা।

রেডক্রসের একটি দলের রবিবার নো-ম্যানস্‌ ল্যান্ডে অপেক্ষমাণ লোকজের কাছে ত্রাণ-সাহায্য নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সরকারের সাথে বোঝাপড়া সম্পন্ন না হওয়ায় তারা যেতে পারেননি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!