1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৩শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবিরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত গণভোট উপলক্ষে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে পলাশবাড়ীতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে দুঃস্থ-অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ গোবিন্দগঞ্জে পুনাকের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফিরাত কামনায় পলাশবাড়ী পৌর যুবদলের দোয়া মাহফিল গণভোট উপলক্ষে গাইবান্ধায় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে সমন্বয় সভা তিন দফা ফাঁসির আদেশ থেকে ফিরে আসা জীবন মানুষের সেবা ও কল্যাণে উৎসর্গ করতে চাই :এটিএম আজহারুল গণভোটের লোগো দৃষ্টিনন্দন স্থানে প্রদর্শনের জন্য নির্দেশনা নির্বাচনী গাড়ি রিকুইজিশন: ন্যায্যতা ও ভোটাধিকারের প্রশ্ন বিক্ষোভে জর্জরিত ইরান ‘বড় বিপদে’, ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের

একদিনেই ১৩০০০ রোহিঙ্গা, উপচে পড়ছে স্কুল-মাদ্রাসা

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে জাতিসংঘ শরণার্থী এক রাতের ব্যবধানেই টেকনাফে পালিয়ে আসা নতুন ১৩ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে চিহ্নিত করেছে। অস্থায়ী আশ্রয়ের জন্য স্কুল-মাদ্রাসাগুলো খুলে দেয়া হয়েছে, কিন্তু সেগুলো এখন উপচে পড়ছে।

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর কর্মকর্তা ভিভিয়েন ট্যান বলেন, এক রাতের ব্যবধানেই তারা রবিবার নতুন অন্তত ১৩০০০ রোহিঙ্গাকে চিহ্নিত করেছেন। খবর বিবিসির।

ফলে, শনিবার যেখানে রাখাইন থেকে পালিয়ে ঢোকা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৬০ হাজারের মত বলা হয়েছিলো, রবিবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৭৩ হাজার।

ভিভিয়েন ট্যান বলেন, যেভাবে শরণার্থীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে শীঘ্রই আশ্রয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরণের জরুরী সঙ্কট তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, পুরনো যে দুটি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির – কুতুপালং এবং নয়াপাড়া – তাতে আর তিল ধরণের জায়গা নেই।

স্থানীয় স্কুল মাদ্রাসা ছাড়াও, বিভিন্ন খোলা জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে পালিয়ে আসা মানুষজনকে ঠাঁই দেয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বর্তমান হারে শরণার্থী আসতে থাকলে পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যেতে পারে।

ঈদের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আশ্রয়ের জন্য ব্যবহার করা এখন সম্ভব হলেও, ছুটির পর কি হবে তা নিয়ে ত্রাণ সংস্থাগুলো উদ্বিগ্ন।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বলছেন, আরো হাজার হাজার লোক বাংলাদেশ সীমান্তের পথে রয়েছে।

টেকনাফের বালুখালি এলাকায় একটি অস্থায়ী ক্যাম্পেই রবিবার সকাল থেকে ৮০টি পরিবার এসে ঢুকেছে। সেখানে আশ্রয় নেয়া জামাল হোসেন বলেন, পথে শত শত মানুষ সীমান্তের দিকে এগুচ্ছে।

বাংলাদেশে-মায়ানমার সীমান্তের নো-ম্যানস্‌ ল্যান্ডের কয়েকটি জায়গায় কয়েক হাজার রোহিঙ্গা অপেক্ষা করছে।

রেডক্রস কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ বলেন, নো-ম্যানস ল্যান্ডে বসে থাকা রোহিঙ্গাদের অবস্থা সঙ্গিন, কারণ তাদেরকে কোনো সাহায্য দেয়া যাচ্ছেনা।

রেডক্রসের একটি দলের রবিবার নো-ম্যানস্‌ ল্যান্ডে অপেক্ষমাণ লোকজের কাছে ত্রাণ-সাহায্য নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সরকারের সাথে বোঝাপড়া সম্পন্ন না হওয়ায় তারা যেতে পারেননি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft