1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রোহিঙ্গা নির্যাতনে ক্ষুব্ধ-আতঙ্কিত বাংলাদেশের বৌদ্ধরা, মন্দির পাহারায় সাঁজোয়া যান - খবরবাড়ি24.com
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২১শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনার দৃঢ় পদক্ষেপ: জনস্বার্থ রক্ষায় আপসহীন অভিযানের প্রশংসা গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু তারুণ্যের দীপ্তিতে বদলে যাচ্ছে তারাগঞ্জ: ইউএনও মনাব্বর হোসেনের কর্মতৎপরতায় জনসেবায় নতুন দিগন্ত। পলাশবাড়ীতে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদ্যাপন সাদুল্লাপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধায় শ্রমিকদলের নেতা রঞ্জুর ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবীতে প্রতিবাদ সভা তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত আইন করার দাবিতে ২০ হাজার নাগরিকের আবেদন জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরব না : প্রধানমন্ত্রী তারাগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনার দৃঢ় পদক্ষেপ: জনস্বার্থ রক্ষায় আপসহীন অভিযানের প্রশংসা হাতীবান্ধায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর আত্মগোপন, র‍্যাবের জালে ধরা পড়লো প্রধান আসামি মামুন

রোহিঙ্গা নির্যাতনে ক্ষুব্ধ-আতঙ্কিত বাংলাদেশের বৌদ্ধরা, মন্দির পাহারায় সাঁজোয়া যান

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন ও সেনা অভিযানের তীব্র বিরোধিতা করছে বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়।

মায়ানমার একটি বৌদ্ধ অধ্যুষিত দেশ এবং একটি বড় অভিযোগ রয়েছে যে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনে শামিল হয়েছে সেখানকার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরাও। খবর বিবিসির।

কিন্তু এটা কোনোভাবেই বৌদ্ধ ধর্মের মূল নীতির সাথে যায় না উল্লেখ করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতা, ধর্মগুরু ও সাধারণ সদস্যরা।

ঢাকার পূর্বভাগে মেরুল বাড্ডার একটি সুপরিচিত বৌদ্ধ মন্দির, ঢাকা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার। মূল সড়কের পাশে মন্দিরটির বিরাট একটি ফটক। ফটকটি তালাবদ্ধ। পাশ দিয়ে একটি গলি চলে গেছে, সেদিক দিয়েই ঢুকতে হবে, ভেতরের দিকে রয়েছে দ্বিতীয় আরেকটি ফটক। কিন্তু সেদিক দিয়ে প্রবেশ করতেও পুলিশি বাধা।

এখানে সড়কের মুখে পুলিশের একটি সাঁজোয়া যান রাখা। রাস্তায় বেরিকেড সৃষ্টি করা। আর পুলিশের সশস্ত্র টহলতো রয়েছেই।

জিজ্ঞাসা করতে এই টহল দলটির প্রধান জানালেন, মায়ানমারে চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সপ্তাহ দুয়েক ধরে তারা এখানে এই নিরাপত্তা চৌকি বসিয়েছেন।

‘সরকারের তরফ থেকে আমরা তাদেরকে নিরাপত্তা দিচ্ছি’, বলছিলেন টহল দলটির নেতা।

পুলিশি তল্লাশী পেরিয়ে ভেতরে ঢুকলে চোখে পড়বে একটি টিন দিয়ে ছাওয়া ভবন। এটিই মন্দির। পাশেই তৈরি হচ্ছে নতুন বহুতল বিশিষ্ট দালান।

নির্মাণ কাজ শেষ হলে মন্দিরের কার্যক্রম সেখানেই চলে যাবে বলে কথা।

এই ভবনেরই একটি কামরায় বসে কথা হলো মন্দিরের ভান্তে বা অধ্যক্ষ ধর্মমিত্র মহাথেরোর সঙ্গে। মায়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর নির্যাতন ইস্যুতে তার কি অভিমত?

‘মায়ানমার একটি বৌদ্ধ জাতি। কিন্তু তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক এত ঘনিষ্ঠ নয়। বৌদ্ধ ধর্ম হতে পারে কিন্তু তাদের ভাষা আলাদা সংস্কৃতি আলাদা’।

‘সবার মধ্যেই ভালো মন্দ আছে। চিন্তা চেতনাতো সবার একরকম নয়। সেখানে যেটা হচ্ছে তাতে আমরা খুশী নই’।

ধর্মমিত্র মহাথেরো বলছেন, তারা স্পষ্টতই মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান সহিংসতা সমর্থন করছেন না।

কিন্তু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাধারণ নাগরিকদের মনোভাব কী?

ঢাকায় যে হাজার পাঁচেক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীর বসবাস, তার মধ্যে ষাট পয়ষট্টিটির মতো পরিবার বাস করে এই মেরুল বাড্ডাতেই, আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের অনতিদূরে ডিআইটি প্রজেক্টে।

গৃহবধু ষিটু বড়ুয়া মুন্নী বলছিলেন, ‘বার্মাতে ওটা কি কারণে হচ্ছে সেটা সঠিকভাবে কিন্তু আমরা জানিও না। কিন্তু বার্মা সরকার যেটা করতেছে, রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার, সেটা আমরা মানিনা। আমরা ওগুলা সমর্থন করিনা’।

এই এলাকারই বাসিন্দা এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে একজন নেতৃস্থানীয় মহিলা মধুমিতা বড়ুয়া বলছেন, ‘আমরা তো এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। একটা মশা মারতেও আমাদের অনেক চিন্তা ভাবনা, মনেই আসে না। আমরা এটাকে ধিক্কার জানাই। অবিলম্বে যেন এটা বন্ধ হয়ে যায় এবং যত দ্রুত সম্ভব যেন তাদের সসম্মানে ওখানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ওখানে তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়’।

কথাবার্তা বলে জানা যাচ্ছে, মায়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বৌদ্ধরা এখন এককাট্টা। সম্প্রদায়ের যত সংগঠন রয়েছে সবগুলো এরই মধ্যে একীভূত হয়ে বাংলাদেশের সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজ নামে একটি জোট গঠন করেছে, যেটির মুখ্য সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছেন অশোক বড়ুয়া।

তারা এরই মধ্যে এই ইস্যুতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন, ঢাকায় মায়ানমারের দূতের সাথে দেখা করে তাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন, রবিবারও তাদের একটি সংবাদ সম্মেলন রয়েছে বলে তারা জানাচ্ছেন।

কিন্তু তাহলে বৌদ্ধদের মন্দিরের সামনে পুলিশী নিরাপত্তা বাড়াতে হচ্ছে কেন।

ফিরে আসি আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে, সেটির প্রবেশ মুখেই শুধু নয়, ফটকের ভেতরেও একটি তল্লাশী চৌকি বসিয়ে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। নারী পুলিশও রয়েছেন কয়েকজন। এত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন, জানতে চেয়েছিলাম বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কেন্দ্রীয় একজন নেতা অশোক বড়ুয়ার কাছে।

মায়ানমারের ঘটনাবলীকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে কয়েকজন ভিক্ষুকে হেনস্থার কয়েকটি পৃথক ঘটনা উল্লেখ করে বৌদ্ধদের নেতা অশোক বড়ুয়া বলছেন, এসব ঘটনা কোন কোন ক্ষেত্রে এই সমপ্রদায়ের কিছু সদস্যরে মধ্যে একধরনের নিরাপত্তাহীনতা বোধ সৃষ্টি করেছে।

এসব কারণেই এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!