1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
১৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট,যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফিরাত কামনায় পলাশবাড়ীতে স্বেচ্ছা স্বেবকদলের উদ্যোগে দো’আ মাহফিল গাইবান্ধায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন : ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল গাইবান্ধায় গাছ কাটা দেখতে গিয়ে গাছের নিচে দুই বোনের মর্মান্তক মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মতপার্থক্য থাকুক, বন্ধ না হোক সংলাপ: রাজনীতিতে আশার বার্তা পলাশবাড়ীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ১০ পেয়ারা বাগানের সাথে শত্রুতা অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত কর্তৃক পলাশবাড়ীতে পেয়ারা গাছ ভাঙচুর : ব্যাপক ক্ষতি মাদকবাহী নৌকায় হামলায় নিহত ৮ ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী ১২৮ সাংবাদিক নিহত : আইএফজে

‘স্কুল পরিবর্তনের কারণ জানতে চাইলে মা বলেন ওই স্কুলে খুনিদের ছেলেরা আছে’

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক যখন প্রথম শুনেছিলেন তার নানার খুনীরা আইন দ্বারা সুরক্ষিত, তখন তিনি খুবই বিস্মিত হয়েছিলেন।

১৯৮৬ সালের ওই সময় তিনি একটি কিন্ডার গার্টেনের ছাত্র ছিলেন।

শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে ছাত্রদের একটি গ্রুপ ও পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু মার্ডার কেস : জানি, একম্প্লিশমেন্টস অ্যান্ড রিমেইনিং চ্যালেঞ্জেস’ শীর্ষক এক সেমিনারে এক প্রশ্নের জবাবে রাদওয়ান সিদ্দিক বলেন, ‘আমি ইনডেমনিটি আইনের কথা শুনে খুব আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলাম। কীভাবে এমন একটি আইন হতে পারে?’ খবর বাসসের।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের গবেষণা সেল সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এই সেমিনারের আয়োজন করে। ১৯৭৫ সালের এই দিনে কিছু সংখ্যক বিপথগামী সেনা সদস্য পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ স্বাধীনতার স্থপতিকে হত্যা করে।

এই নৃশংস হত্যাকান্ডের পর বিচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য তৎকালীন খন্দকার মোশতাক আহমেদের সরকার ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর এই ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করে। পরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে তৎকালীন বিএনপি সরকার ১৯৭৯ সালে সংসদে এই অর্ডিন্যান্স অনুমোদন করে।

১৯৭৭ সালে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জড়িত ১২ জন সেনা কর্মকর্তাকে বিদেশে বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেন।

তিনি বলেন, ‘১৯৮৬ সালে আমরা যখন ঢাকায় আসি তখন বনানীর ওই কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ভর্তি হই। কিন্তু পরে আমি ওই স্কুল পরিবর্তন করি।’

রাদওয়ান বলেন, ‘তখন কেন আমার ওই স্কুল পরিবর্তন করা হলো তা মায়ের কাছে জানতে চেয়েছিলাম। মা উত্তরে বলেছিলেন, ওই স্কুলে খুনিদের ছেলেরা রয়েছে।’ আমি তখন জিজ্ঞাসা করি, খুনিরা কিভাবে এখনো রয়েছে? তখন আমি ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স সম্পর্কে জানতে পারি।’

তার বয়সী ছেলেমেয়েরা তখন বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কিছুই জানতো না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিবার আমাদের কাছে কখনো ইতিহাস গোপন করেনি। তাই আমাদেরকে ওই বর্বরতা সম্পর্কে জানানো হতো।’

তিনি এমনকি নিরাপত্তার কারণে তার স্কুলে তার নানা সম্পর্কে কোনো কিছুই বলতেন না।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চিফ প্রসিকিউটর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এতে সঞ্চালক ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।

আলোচনার প্যানেলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পি, ঢাবির সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন ও দৈনিক জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়।

সিআরআই ট্রাস্টি ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, মেমোরিয়াল ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশুরা হোসেন ও জাদুঘরের কিউরেটর ও সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খানও সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft