1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
১৮ই পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৩ই রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফিরাত কামনায় পলাশবাড়ীতে স্বেচ্ছা স্বেবকদলের উদ্যোগে দো’আ মাহফিল গাইবান্ধায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন : ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল গাইবান্ধায় গাছ কাটা দেখতে গিয়ে গাছের নিচে দুই বোনের মর্মান্তক মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মতপার্থক্য থাকুক, বন্ধ না হোক সংলাপ: রাজনীতিতে আশার বার্তা পলাশবাড়ীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ১০ পেয়ারা বাগানের সাথে শত্রুতা অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত কর্তৃক পলাশবাড়ীতে পেয়ারা গাছ ভাঙচুর : ব্যাপক ক্ষতি মাদকবাহী নৌকায় হামলায় নিহত ৮ ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী ১২৮ সাংবাদিক নিহত : আইএফজে পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে : তারেক রহমান

সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে খাদ্যশস্য আমদানীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৭
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, তাঁর সরকার সতর্কতামূলক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে বিদেশ থেকে খাদ্যশস্য আমদানীর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, ‘বন্যার কারণে ইতোমধ্যেই বিস্তীর্ণ জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। আগামীতে বন্যা আরো ভয়াবহ আকার ধারন করতে পারে তাই দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ থাকার পরও যে কোন বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে সরকার খাদ্যশস্য আমাদানীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
শেখ হাসিনা আজ সকালে তাঁর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে জাতীয় পুষ্টি পরিষদের (এনসিসি) প্রথম সভায় সভাপতির ভাষণে একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি জনগণের পুষ্টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, তাঁর সরকার দেশের জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। এখন, পুষ্টি নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য। ‘পুষ্টির সাথে অনেক কিছু সম্পৃক্ত’-উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুষ্টির বিষয়ে শহরাঞ্চলে সচেতনতা সৃষ্টি হলেও গ্রামাঞ্চলে জনগণের মধ্যে আরো সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে, যাতে মানুষ সুষম খাদ্য গ্রহণ করে।
এ সময় জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্যাভ্যাসের উন্নত করতে হবে এবং সময় মতো খেতে হবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতি হিসাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২৩ এপ্রিল ‘বাংলাদেশে জাতীয় পুষ্টি পরিষদ‘ গঠনের আদেশ স্বাক্ষর করেন।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর ১৯৯৭ সালে প্রথম জাতীয় পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় এবং তাঁর সভাপতিত্বে ১৯৯৮ সালের ১১ অগাস্ট বাংলাদেশে জাতীয় পুষ্টি পরিষদের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালের সরকার জাতীয় পুষ্টি নীতি অনুমোদন করে। এই নীতি প্রণয়নের সাথে সাথে তা বাস্তবায়নের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসাবে ২০১৬ সালের শুরুতেই দ্বিতীয় জাতীয় পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়।
বৈঠকের শুরুতেই জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুকে স্মারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা যে শুধু স্বাধীনতাই দিয়ে গেছেন, তা নয়। তিনি সব কিছু দিয়ে গেছেন। নয় মাসে সংবিধান দিয়ে গেছেন।’
এসময়, সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদ উদ্ধৃত করেন প্রধানমন্ত্রী।
সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি প্রদেশ ছিল। ২৪ বছরের সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। একটি প্রদেশকে রাষ্ট্রিয় কাঠামোয় উন্নীত করে জাতির পিতা আমাদের সব কিছুই দিয়ে গেছেন।’
বাংলাদেশের জনগণের জীবনমানের উন্নয়নকে সরকারের প্রধান লক্ষ হিসাবে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘যে উন্নয়নটা সাড়ে তিন বছরে জাতির পিতা করেছিলেন… ১৫ অগাস্টের পর বাংলাদেশ আর সামনের দিকে এগুতে পারে নাই।’
একটি দেশের উন্নয়ন শাসক দলের নীতির ওপর নির্ভরশীল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৫ অগাস্টের পর যারা ক্ষমতায় এসেছিলো; তারা দেশটাকে পরনির্ভরশীল করে রাখতে চেয়েছিলো।’
আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে, তখনই পূর্ববর্তী সরকারে কাছে থেকে খাদ্য ঘাটতি পাওয়ার কথা বলেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালের বিএনপি যখন ক্ষমতা হস্তান্তর করে, তখন দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল ৪০ লাখ মেট্রিক টন। অন্যদিকে, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ২৬ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য উদ্বৃত্ত রেখে ক্ষমতা হস্তান্তর করে আওয়ামী লীগ। ২০০৯ সালের আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে তখনও দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিলো ৩০ লাখ মেট্রিক টন।
বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, খাদ্য মন্ত্রী কামরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকীসহ সংশ্লিষ্ট সচিববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র- বাসস

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft