1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় নির্মাণ শ্রমিকদের সম্মানে ইফতার ও দো’আ মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় এতিম ও দুঃস্থদের নিয়ে জোনার ফাউন্ডেশনের ইফতার মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া গাইবান্ধায় দুই খাদ্য উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে রঙ ব্যবহার করায় জরিমানা ঢাকাস্থ গোবিন্দগঞ্জ সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ীতে গ্রাহকের অনিচ্ছায় আবারও প্রিপেইড মিটার স্থাপন, ‘ভুতুড়ে বিল’ ও হয়রানির অভিযোগ পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি পীরগঞ্জে বিদ্যালয়ের পাশেই ইটভাটা!শিক্ষা ও পরিবেশের উপর নীরব হুমকি গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর পলাশবাড়ীতে নব-নির্বাচিত এমপির সাথে উপজেলা প্রথমিক শিক্ষক পরিবারের মতবিনিময় সভা

‘মুসলিমরা না থাকলে আমরা বাঁচতাম না’

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০১৭
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতে কলিঙ্গ উৎকল এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় একদল হিন্দু সাধুকে বাঁচিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির গড়লেন স্থানীয় মুসলিমরা। দুর্ঘটনায় ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অনেকে।

উৎকল এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলেন গোরুয়াধারী ভগবান দাস মহারাজ। তার সঙ্গে ছিলেন আরো ৬ শিষ্য। মধ্যপ্রদেশের মোরানা থেকে হরিদ্বার যাচ্ছিলেন তারা। পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।

ভগবান দাস জানিয়েছেন, ‘আমার মনে আছে আমার মাথা সামনের সিটে ঢুকে গিয়েছিল। প্রায় দুটো সিট এগিয়ে পড়েছিলাম আমি। খুব যন্ত্রণা হচ্ছিল। সবদিক থেকে চিৎকার ভেসে আসছিল। যদি ওই এলাকায় মুসলিমরা না থাকতেন, তাহলে আমরা বাঁচতাম না। ওরা দুর্ঘটনাস্থলে এসে আমাদের ট্রেন থেকে টেনে বের করে। আমাদের পানি এনে দেয়। আমাদের জন্য চিকিৎসকেরও ব্যবস্থা করে। আমরা ওদের এই ব্যবহার ভুলব না।’

ওই দলের ৩ সন্ন্যাসী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের লালা লাজপত রাই মেমোরিয়াল মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

আর এক সন্ন্যাসী মণি দাস জানিয়েছেন, ‘আমরা ভগবানে বিশ্বাস করি। দুর্ঘটনার পর আমরা তার প্রভাব দেখেছি। মানুষ হিন্দু-মুসলিমদের নিয়ে রাজনীতি করে। কিন্তু দুই দলের মধ্যে সবসময় ভালোবাসা থাকে।’

মুজফ্ফরনগরের খাতাউলির কাছে কলিঙ্গ উৎকল এক্সপ্রেসের ১৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়। সঙ্গে সঙ্গে মেরঠের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে জানিয়ে দেয়া হয়- তারা যেন দুর্ঘটনাগ্রস্তদের জন্য এমারজেন্সি ওয়ার্ড তৈরি রাখেন।

সন্ন্যাসী হাকিম দাস জানিয়েছেন, ‘আমাদের বগিতে অনেক শিশু ও মহিলা ছিলেন। আমরা গল্প করছিলাম। হঠাৎ আমাদের বগি উলটে যায়। প্রথমে তো আমরা বুঝতেই পারিনি কী হচ্ছে।’

মেরঠের প্রধান মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. রাজকুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘২৩ জনেরও বেশি আহতকে মেরঠের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ২৬টি সরকারি ও ২৬টি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনাস্থলে যায়।’

কলকাতা২৪ অবলম্বনে

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!