1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জে কোচিং বাণিজ্যে শিক্ষকদের লোলুপ দৃষ্টি! শিক্ষা কি এখন আর মানুষ গড়ার কারখানা নয়? পর্ব-৪ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী মূল্যায়ন উপলক্ষে গাইবান্ধায় সিপিবি’র বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা নবনির্বাচিত এমপি’র আগমন উপলক্ষে পলাশবাড়ী উপজেলার সকল দপ্তর প্রধানগণের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা গাইবান্ধায় গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে মাসব্যাপী ইফতার ও রাতের খাবার কর্মসূচি শুরু ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ— লালমনিরহাটে ত্রাণমন্ত্রী দুলু সাদুল্লাপুরে গণপিটুনিতে নিহত দুইজনের পরিচয় শনাক্ত সাদুল্যাপুরে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনি: নিহত ২ পীরগঞ্জে খামারের আড়ালে খাঁচায় বন্দি পাখি, শখের আড়ালে বন্যপ্রাণী আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন! রমজানে বাজার মনিটরিং-এ ফুলছড়ির উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান পলাশবাড়ীতে ‘মানবতার ঝুড়ি’: রমজানকে সামনে রেখে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে গণধর্ষনের অভিযোগ, এলাকা জুড়ে তোলপাড়

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০১৭
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

 

নীলফামারীর ডিমলায় অন্তঃসত্তা শেফালীকে গাছে বেধে মধ্যযুগীয় নির্যাতনের রেশ কাটতে না কাটতে এবার মাকে বাড়ীর উঠানে বেঁধে রেখে ৩ সন্তানের জননীকে গণধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২০শে জুলাই) ভোর রাতে ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নর দুর্গম চর পশ্চিম ছাতুনামায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মাকে বাড়ীর উঠানে বেধে রেখে ৩ সন্তানের জননীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গনধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় লম্পটদের বিরুদ্ধে।

সকালে পশ্চিম ছাতুনাম গ্রামের মেয়েটির বাড়ী থেকে ১ কিলোমিটার দুরে মুমুর্ষ হাত-পা বাধা অবস্থায় ফেন্সি বেগম (২৭) দেখতে পায় এলাকাবাসী। সে ওই গ্রামের কলিম উদ্দিনের কন্যা ও একই এলাকার রশিদুল ইসলামমের স্ত্রী।

নির্যাতিতর পরিবার সুত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন ভোরে ফেন্সি বেগমকে বাড়ী থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় তার মা ফাতেমা বেগম (৬০) কে বাড়ীর উঠানে মুখে কাপর ও হাত দুটো রশি দিয়ে পাশ্ববর্তী খুটিতে বেধে রাখে। মাকে বেধে রেখে বাড়ীর ১কিলোমিটার পূর্ব দিকে ফেন্সিকে নির্জন এলাকায় নিয়ে স্থানীয় বখাটেরা জোর পুর্বক ধর্ষন করেন। দুপুরে পুলিশ হাত পা বাধা অবস্থায় ফেন্সি ও তার মা ফাতেমা বেগমকে উদ্ধার করে।

ডিমলা থানার সিনিয়র সাব ইন্সেপেক্টর (এসআই) শাহাবুদ্দিন ঘটনাস্থল থেকে ফেন্সি ও তার মাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির করান। বিকাল ৩টায় মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য পুলিশ পাহারায় নীলফামারী আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ডিমলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফেন্সি বেগম এই প্রতিবেদক জানায়, তার মুখ বেধে ৩/৪ জন গনধর্ষন করেছে তাকে। কারা তাকে ধর্ষন করেছে তাদের নাম সে বলতে পারেনি।

ফেন্সির মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার জামাতা রশিদুল ইসলাম বাড়ীতে না থাকায় আমি, মেয়ে ফেন্সিসহ আমার নাতনী রেখা (৭), পারভীন (৩) ও নাতি সবুজ (৫) সহ জমাই বাড়ীতে বসবাস করতাম। রোববার ভোরে রাতে পাশ্ববতী মিস্টার, রহিম, দেলওয়ার, চেতনাসহ ১০/১২ জন আমার মেয়ের রুমে প্রবেশ করে তাকে হাত পা বেধে কাধে করে নিয়ে যায়।

এ সময় তারা আমার মুখে বেধে বাইরে উঠানে রশি দিয়ে বেধে রাখে। আমার নাতনী রেখা আক্তারের আত্ন চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন।

ডিমলা থানার এসআই শাহাবুদ্দিন বলেন, ফেন্সি ও তার মা ফাতেমা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ফেন্সির পিতা কলিম উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, পাশ্ববর্তী আবুল হোসেন, মোকলেছার রহমান, চাটি মামুদের সাথে জমি নিয়ে দ্বন্দ চলে আসছিল। আমার পরিবারের ক্ষতি করার জন্য পরিকল্পিতভাবে আমার স্ত্রীকে বেধে রেখে ফেন্সি তুলে নিয়ে নির্জন স্থানে ধর্ষন করে।

ডিমলা হাসপাতালে জরুরী বিভাগে কর্মরত ডাক্তার কৃষ্ণা রানী সেন বলেন, দুপুর ২টায় ফেন্সি ও তার মা ফাতেমা বেগমকে ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মেয়েটি অভিযোগ করেন তাকে ধর্ষন করা হয়। মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বিকাল ৩টায় নীলফামারী আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের দুর্গম পশ্চিম ছাতুনামা চরে মাকে বেধে রেখে মেয়ে ফেন্সি বেগমকে তুলে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে। ঘটনাটি অত্যান্ত দুঃখজনক।

ডিমলা থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ঘটনার স্বীকার মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নীলফামারীতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। এ রিপোট লেখা পর্যন্ত থানার মামলা দায়ের হয়নি, তবে পরিবারকে থানায় মামলা দেবার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!