শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
৭ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সৌদির সাথে মিল রেখে পলাশবাড়ীতে ঈদ উদযাপন ব্রহ্মপুত্রে ধরা পড়ল ৯০ কেজির বাঘাইর: ১ লাখে বিক্রি, মাছ কিনতে ক্রেতাদের ভিড় লালমনিরহাটে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শতাধিক পরিবারের ঈদ উদযাপন তারাগঞ্জে মঞ্জুরুল হত্যায় গ্রেপ্তার আরও ১,বেরিয়ে আসছে পরিকল্পিত খুনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পলাশবাড়ীতে বাসচাপায় অজ্ঞাত নারী নিহত গাইবান্ধায় খালের পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুণ মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল যুবক গ্রেফতার লালমনিরহাটে ঈদ উপলক্ষে ‘রোজ’ এনজিওর খাদ্য সহায়তা বিতরণ বিশ্বকাপ নয়, আমরা যুক্তরাষ্ট্র বয়কট করব : ইরান ফুটবল প্রধান লালমনিরহাটে অনলাইন জুয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৬ মোবাইল ও ২৪ সিম

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন বি.চৌধুরী ও ড. কামাল

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

বিকল্প রাজনৈতিক ধারা গড়ে তোলা আহ্বান জানিয়ে জাতীয় ঐক্যের ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ ঘোষণা দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, স্বাধীনতার লক্ষ্য, চেতনা ও মূল্যবোধকে অবহেলা করা হলে কিংবা জনগণের অধিকারসমূহ বাস্তবায়িত না হলে বুঝতে হবে জনগণ ক্ষমতার মালিকানা হারাতে বসেছে। এরূপ পরিস্থিতিতে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি অহিংস বিকল্প রাজনৈতিক ধারা গড়ে তোলা সময়ের দাবি। জনগণ প্রত্যেকেই সাধারণভাবে একা, কিন্তু ঐক্যবদ্ধ হলে জনগণ কখনোই একা নয় বরং একটি মহাশক্তি। জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির নিকট পৃথিবীতে অনেককেই মাথানত করতে দেখেছি। ’৫২-৯০ এর বিভিন্ন গণআন্দোলনে এবং -৭১-এর স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনগণ বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের জনগণকে রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার অর্থবহ পরিবর্তনের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে মুক্তিকামী জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্টা করেছে। ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তে লেখা সংবিধান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। সংবিধানে স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করা হয়েছে যে, ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যা প্রকৃত অর্থেই হবে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার মূল চেতনা নিশ্চিত করা; যার প্রতিটি স্তরে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হবে এবং জনগণ সে ক্ষমতা প্রয়োগ করবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ সংবিধানের আলোকে জনগণের মৌলিক চাহিদা, ন্যায্য অধিকার ও আশা-আকাক্সক্ষাসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে। এটাই বাংলাদেশের সাংবিধানিক রাজনীতির মূল কথা।

মহান স্বাধীনতা অর্জনের মধ্যদিয়ে সর্বস্তরের স্বাদীনতা, সার্ববৌমত্ব ও গণতন্ত্রের যে স্বপ্ন রচিত হয়েছে বাংলাদেশের মানুষ সে স্বপ্নের পূর্ণ বাস্তবায়ন চায়। যারা এ স্বপ্নে বিশ্বাসী তাদেরকে আজ কাছাকাছি আসতে হবে বলে দুই নেতা অভিমত ব্যক্ত করেন।

এজন্য তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি ছাত্রসমাজ, শিক্ষিত ও সুধীজন, আইনজ্ঞ, চিকিৎসক, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারবর্গ, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, কৃষক, সাবেক সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অন্যান্য পেশাজীবী মানুষের সমন্বয়ে বৃহত্তম একটি রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন। যার লক্ষ্য থাকবে সকল রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সুনিশ্চিত করা।

বিবৃতিতে বলা হয়, যারাই দেশকে ভালবাসেন, যারাই দেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী তাদেরকে একটি প্রগতিশীল, পাহাড় ও সমতলের সব মানুষসহ সকল সম্প্রদায়ের পূর্ণ অধিকারসম্পন্ন একটি বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft