1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
১৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট,যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফিরাত কামনায় পলাশবাড়ীতে স্বেচ্ছা স্বেবকদলের উদ্যোগে দো’আ মাহফিল গাইবান্ধায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন : ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল গাইবান্ধায় গাছ কাটা দেখতে গিয়ে গাছের নিচে দুই বোনের মর্মান্তক মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মতপার্থক্য থাকুক, বন্ধ না হোক সংলাপ: রাজনীতিতে আশার বার্তা পলাশবাড়ীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ১০ পেয়ারা বাগানের সাথে শত্রুতা অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত কর্তৃক পলাশবাড়ীতে পেয়ারা গাছ ভাঙচুর : ব্যাপক ক্ষতি মাদকবাহী নৌকায় হামলায় নিহত ৮ ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী ১২৮ সাংবাদিক নিহত : আইএফজে

গাইবান্ধায় শুধু বাড়ছে করতোয়ার পানি অন্যগুলোর কমছে

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধায় শুধু করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ী উপজেলার করতোয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অনেক স্থান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কমছে ব্রহ্মপুত্র নদসহ ঘাঘট ও তিস্তা নদীর পানি। সেসব স্থান মেরামতে কাজ করছে সেনাবাহিনী, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় মানুষজন। ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়ার পানি বিপদসীমার উপরে ও তিস্তার পানি বিপদসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৬টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৭০ সেন্টিমিটার উপরে, ঘাঘট নদীর পানি গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে ৫২ সেন্টিমিটার ও করতোয়া নদীর পানি কাটাখালি পয়েন্টে ৬৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এ ছাড়া তিস্তা নদীর পানি সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২০ সেন্টিমিটার, ঘাঘট নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার ও তিস্তা নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমেছে। আর করতোয়া নদীর পানি বেড়েছে ১৪ সেন্টিমিটার।
জেলা প্রশাসনের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা, পলাশবাড়ী, গোবিন্দগঞ্জ ও সাদুল্লাপুর উপজেলার ৫৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। আর পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৩৭৪টি গ্রামের দুই লাখ ৮৪ হাজার ৮৬জন মানুষ। আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ৯০টি। এসব আশ্রয়কেন্দ্র আশ্রয় নিয়েছে ২০ হাজার ৩৫৩ জন। জেলার সাত উপজেলার ২১ হাজার ৫৭২ হেক্টর জমির ফসল বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। বন্যার কারণে ১ হাজার ৩৬০টি পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। ৮৭টি শিক্ষা ও ৮টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পানি উঠার কারণে ১৭৪টি ও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে মোট ২১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে সাত উপজেলায় গঠন করা হয়েছে ৩৭টি মেডিকেল টিম। তারা স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা কর্তৃক পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্টের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করছে। কাঁচা রাস্তা আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ১৭৫ কিলোমিটার, বাঁধ আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দেড় কিলোমিটার ও ব্রিজ-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ১২টি। বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছে ৩টি শিশু। এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধ মেরামত কাজে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সহযোগিতা কাজ করছেন।
এসব বিষয়ে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ, ঘাঘট ও তিস্তা নদীর পানি কমছে। শুধু করতোয়া নদীর পানি বাড়ছে। বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে মেরামত কাজ চলছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft