গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ চারিদিকে থৈ থৈ পানি, ঘোলা আর ময়লা যুক্ত পানি যা কোন ভাবেই পান করার মত নয়, বন্যা কবলিত গ্রামের প্রায় ৯০ শতাংশ নলকুপ এখনও পানির নিচে। পানি কমে যাওয়ায় যে কয়টি জেগে উঠেছে সে নলকূপের পানিও পান করার উপযুক্ত নয়।
এই অবস্থায় এসকেএস ফাউণ্ডেশন সাঘাটা এবং ফুলছড়ি উপজেলায় বন্যা কবলিত পরিবার চর অথবা যে সকল পরিবার বাঁধে এবং উচুঁ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে তাদের মাঝে তিন বেলা খাবার ও অন্যান্য কাজে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহের উদ্দ্যোগ নিয়েছে।
জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং এসকেএস ফাউণ্ডেশন এর সহযোগিতায় সাঘাটা এবং ফুলছড়ি উপজেলার চাহিদা পূর্নস্থান নির্ধারন করে ‘ওয়াটার পিওরিফিকেশন ট্রেটমেন্ট প্ল্যান্ট’ স্থাপন করে এবং নৌকায় গাজী ট্যাংক স্থাপন করে নিরাপদ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়াও যে সকল স্থানে ট্রেটমেন্ট প্ল্যান অথবা নৌকা পৌছানো সম্ভব হচ্ছে না সেই সকল স্থানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের পাশাপাশি নলকুপ স্থাপন করে নিরাপদ পানির অভাব মেটানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সাথে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে চাহিদা নিরুপন করে অস্থায়ী ল্যাট্রিন স্থাপনের কাজ ও চলমান রয়েছে।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া এবং জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল গত ১৭ আগষ্ট সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করে এসকেএস ফাউণ্ডেশন এর নির্বাহী প্রধান রাসেল আহম্মেদ লিটনকে এবিষয়ে উদ্দ্যোগ গ্রহনের পরামর্শ দেন। অবস্থা বিবেচনায় গতকাল থেকে ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এসকেএস ফাউণ্ডেশন এর মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য আরও চারটি নৌকায় ট্যাংক স্থাপন করে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন চরে পানি সরবরাহ এবং বন্যা পরবর্তী সময়ে নিরাপদ পানি প্রাপ্তী ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্দ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে।