1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন
১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত নিহত ৭৮৭ : রেড ক্রিসেন্ট ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণে যানবাহনের গতি বেড়েছে পলাশবাড়ীতে সামাজিক বনায়নের গাছ কাটায় অনিয়মের অভিযোগ: তদন্তে উপজেলা প্রশাসন খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামায়াতের মনোনয়ন পেলেন তরুণ সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার সলিমুল্লাহ সলিল গোবিন্দগঞ্জে ৯৯০ পিস বুপ্রেনরফিন (এম্পল) ইনজেকশনসহ নারী মাদক কারবারী আটক দেশব্যাপী ধর্ষণ ও জেলায় ধারাবাহিক খুন ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে সমাবেশ পীরগঞ্জের সাগুনী শালবনের ছায়ায় দোলের রঙ, ৮ নং দৌলতপুর ইউনিয়নে বসন্তোৎসবের উচ্ছ্বাস গাইবান্ধায় সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবীতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ গাইবান্ধায় জেলা বিনিয়োগ ও ব্যবসায় উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ইফতারের আলোয় প্রাণ ফিরে পায় পীরগঞ্জের বাজার

‘আপনি খুব উদার’ শেখ হাসিনাকে ওআইসির মহাসচিব

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৭
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

 

ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের মুসলিম নেতৃবৃন্দ ও মিয়ানমারের বৌদ্ধ ধর্মের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আন্তঃধর্মীয় সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সফররত ওআইসি-র মহাসচিব ড. ইউসুফ বিন আহমেদ আল-ওসাইমীনের এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বলেন, ‘এই সংলাপ নেতৃবৃন্দের মাঝে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করবে।’

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ব্রিফ্রিংএ একথা জানান। খবর বাসসের।

তিনি বলেন, ওআইসির মহাসচিব অসংখ্য রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন ‘আপনি খুব উদার’। এসময় তিনি সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের নিন্দা জানিয়ে বলেন, ইসলাম শান্তি ও সহনশীলতার ধর্ম।

বৈঠকে ওআইসির মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, আমি সবসময় বলি যে আপনি একজন সফল নেতা এবং বিশ্বের মুসলিম নারীদের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

ড. ওসাইমীন এ সময় বাংলাদেশী শ্রমিকদের প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশী শ্রমিকরা আন্তরিক, কঠোর পরিশ্রমী এবং পেশাদার।

তিনি আনন্দের সাথে উল্লেখ করেন যে, আগামী বছর বাংলাদেশ ওআইসির পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সম্মেলন এবং ওআইসি পর্যটন মন্ত্রীদের সম্মেলন, দুটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ওআইসি বাংলাদেশের নারীদের যেকোনো উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে পারলে খুশি হবে।

ওআইসি মহাসচিব বলেন, তার সংস্থা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা বিদ্যায় সদস্য দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি চালুর চিন্তা-ভাবনা করছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে। আমরা মায়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে বলছি, কারণ আমরা শরণার্থীদের ছুঁড়ে ফেলতে পারি না।

এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, শরণার্থীরা যাতে ভালভাবে থাকতে পারে এজন্য তাঁর সরকার ইতোমধ্যে তাদের অস্থায়ী বসবাসের জন্য একটি দ্বীপ বেছে নিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে মহাসচিব বলেন, এটি খুবই চমৎকার সিদ্ধান্ত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উভয় দেশের বর্ডার গার্ডের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে।

সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ সম্পর্কে তিনি বলেন, এই দুই দানবের বিরুদ্ধে তাঁর সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং এর প্রতিরোধে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করেছে।

তিনি বলেন, ইমাম, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে এগিয়ে এসেছে এবং এতে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল দেশে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

ইসলাম শান্তি ও পরমত সহিষ্ণুতার ধর্ম- এ ধর্মে সন্ত্রাসবাদের কোন স্থান নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিদ্যমান এবং দেশের মানুষ শান্তি ও সৌহার্দ্যরে মাঝে বসবাস করছে।

শেখ হাসিনা বিভিন্ন খাতে তার সরকারের অর্জনের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠাই তার সরকারের লক্ষ্য। জনগণের এই মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ জাতির পিতাকে হত্যার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এবং তাঁর ছোট বোনকে ৬ বছর দেশে ফেরার অনুমতি দেয়নি।

সারাদেশে প্রায় ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য চলমান সরকারি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে ওআইসি সদস্য দেশগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

দেশের ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূয়সী প্রশংসা করার জন্য ওআইসি মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করার পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ওআইসি মহাসচিব ৪ দিনের সরকারি সফরে গতরাতে ঢাকায় পৌঁছান। জেদ্দা ভিত্তিক এই সংস্থার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম বাংলাদেশ সফর।

সৌদি আরবের প্রাক্তন সামাজিক বিষয়ক মন্ত্রী ড. ওসাইমীন গত বছরের ১৭ নভেম্বর ওআইসি’র নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে ওআইসি গঠিত হয়। ওআইসি’র সদস্য দেশ ৫৭টি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!