1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩রা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে কৃত্রিমভাবে রাসায়নিক সার সংকট সৃষ্টির দা‌য়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে : প্রধান উপদেষ্টা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫টি আসনে দলীয় প্রতীক পেলেন যারা মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২৫ এর গেজেট প্রকাশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ আসনে দলীয় প্রতীক পেলেন যারা গণভোট ২০২৬: সংস্কারের পথে জনমতের সন্ধান—বৈরচুনা থেকে যে বার্তা উঠে এল গোবিন্দগঞ্জে মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কল্পে মাঠ দিবস পলাশবাড়ী পৌরশহরের উদয়সাগর গ্রামের পরিচিত মুখ মিন্টু মিয়ার ইন্তেকাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফুলছড়ির থানা পরিদর্শন করলেন এডিশনাল ডিআইজি আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সমন্বয় সভা ও মাঠ পরিদর্শন

গাইবান্ধার-৮২ ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা পাউবোর ৪০ কি.মি. বাঁধের ৮০ পয়েন্টে ধস

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৪০ কিলোমিটার বেরি বাঁেধর প্রায় ৮০ পয়েন্টে ধস দেখা দিয়েছে। যে কোন মহুর্তে বাঁধটি ভেঁঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। গত সোমবার হতে পাউবো সুন্দরগঞ্জ এলাকায় বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টে বাঁশের খুঁটির প্যালাসাইটিং দিয়ে বালুর বস্তা ফেলছে। বাঁধটি ভেঁঙ্গে গেলে গাইবান্ধা জেলার সাতটি উপজেলার ৮২টি ইউনিয়নে পানি ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলার ডান তীর গাইবান্ধা সদরের কামারজানি হতে বাম তীর পীরগাছার তাম্বুলপুর পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধটির ৮০টি পয়েন্ট ধসে গেছে এবং গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বাঁধটি নির্মাণের পর থেকে আজ পর্যন্ত মেরামত এবং সংস্কার করা হয়নি। যার কারণে বাঁধটি হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। তাছাড়া বাঁধের দুই পাশে কেটে তিস্তায় খুঁয়ে যাওয়া পরিবারগুলো বসতবাড়ি গড়ে তুলেছে। সে কারণে বাঁধটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। বর্তমানে বাঁধটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সুন্দরগঞ্জ হতে বেলকা হয়ে পাঁচপীর পর্যন্ত বাঁধটিতে অসংখ্য খানা-খন্দে ভরে গেছে। এছাড়া বাঁধের দুই পার্শ্বে গড়ে উঠা পরিবারগুলো বাঁধ কেটে চলাচলের রাস্তা তৈরি করায় বাঁধটি বেশি করে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। গত সাত দিনের ব্যবধানে উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের কয়েকটি পয়েন্টে বালুর বস্তা ফেলেছে পাউবো কর্তৃপক্ষ।
বেলকা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্ল্যাহ জানান- দীর্ঘদিন থেকে বাঁধটি মেরামত না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া বাঁধের দুই ধারে গড়ে উঠছে অবৈধভাবে বসতবাড়ি। বেলকা ইউনিয়নের প্রায় ১৫ হতে ২০টি পয়েন্টে ধস দেখা দিয়েছে। বাঁধটি স্থায়ীভাবে মেরামত করা একান্ত প্রয়োজন ।
সাবেক জাপার এমপি ওয়াহেদুজ্জামান সরকার বাদশা জানান- আমার বাড়ি ঘেঁষে পাউবোর বাঁধটি চলে গেছে। তিনি বলেন- আমি কয়েক দফা বাঁধটি মেরামতের জন্য চেষ্টা করে ছিলাম কিন্তু পারিনি। বাঁধটি মেরামত করা অতিব জরুরি হয়ে পড়েছে। তা না হলে যদি বাঁধটি ধসে যায় তাহলে গাইবান্ধার সাতটি উপজেলার ৮২টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে পড়বে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান, বাঁধটির বর্তমানে বেহাল দশা। বিষয়টি পাউবোসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
স্থানীয় সাংসদ গোলাম মোস্তফা আহমেদ জানান, আমি বাঁধটি মেরামতের ব্যাপারে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে উপস্থাপন করব। ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান জানান, বর্তমানে বাঁধটির আসলেই দুরাবস্থা। বাঁধটি মেরামত প্রয়োজন। কিন্তুু মেরামত করার মত ফান্ড না থাকায় সেটি সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন- বন্যার সময় জরুরিভাবে কিছু কাজ করার জন্য আমাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয় উপর থেকে। আমরা সে মোতাবেক কাজ করে থাকি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft