1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১লা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সুজন মহুরীর হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধা আইনজীবী সহকারি সমিতির মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন তারেক রহমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানে উন্নীত করাই প্রধান লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন সাংবাদিকদের সমস্যা সমাধান ছাড়া গণমাধ্যমের উন্নয়ন সম্ভব নয় : তথ্যমন্ত্রী যুবদল নেতার ওপর সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত ‎দুলু কেবিনেট মন্ত্রী হওয়ায় লালমনিরহাটে বইছে আনন্দের জোয়ার, জেলা জুড়ে মিষ্টি বিতরণ প্রধান সড়কে তুলার দোকান, প্রকাশ্য তুলোধুনোতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের জন্য চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ ফুলছড়িতে নবজাগরণ পাঠাগারের আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

বন্যা দুর্গত এলাকায় গো-খাদ্যের তীব্র সংকট পানির দামে বিক্রি হচ্ছে গৃহ পালিত পশু পাখি

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০১৭
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বন্যা দুর্গত এলাকার গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যার কারণে কৃষকরা পানির দামে বিক্রি করছেন গৃহ পালিত পশু-পাখি।
টানা বিশ দিনের বন্যায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, শ্রীপুর, চন্ডিপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর পানি নেমে যাওযায় ওই সব এলাকায় গো-খাদ্যের সংকটসহ নানাবিধ রোগ-ব্যাধির প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। এ কারণে কৃষকরা গৃহ পালিত গরু, ছাগল, হাস, মুরগী, ভেরা পানির দামে বিক্রি করছে। বন্যার পানি নেমে যাওযায় গৃহ পালিত পশু-পাখির মাঝে দেখা দিয়েছে নানাবিধ রোগ-ব্যাধি । পাশাপাশি গো-খাদ্য তীব্র সংকটে গরু, ছাগল লালন-পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ সময় চরাঞ্চলে কোন প্রকার খাদ্য সংগ্রহ করা যাচ্ছে না । কোন উপায় না পেয়ে অবশেষে চরাঞ্চল বাসীর এক মাত্র সম্বল গৃহ পালিত পশু-পাখি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি একশ খরের আটির দাম তিন হতে চার’শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। উজান থেকে নৌকা যোগে খর কিনে নিয়ে এসে গরু, ছাগলকে খাওয়ানো অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। কাপাসিয়া ইউনিয়নের কাজিয়া চরের আনছার আলী নামে আমার ৫টি গরু ও ৩টি ছাগল রয়েছে। বন্যা চলা কালিন শুধু মাত্র ধানের খর খেয়ে রেখে ছিলাম। যার কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই খর শেষ হয়ে যায়। বর্তমানে খর কিনে নেয়ে এসে খাওযায় অত্যন্ত ব্যয-বহুল হয়ে পড়েছে। এ কারণে অল্প দামে বিক্রি করে দিতে হচ্ছে গরু, ছাগল। ইতি মধ্য দুটি গরু ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি। যদি আর এক মাস পর ওই গরু দুটি বিক্রি করতাম তাহলে প্রায় ১ লাক্ষ টাকা হতো । এছাড়া হাস, মুরগী অত্যন্ত কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে চরাঞ্চল বাসীকে। উপজেলর মীরগঞ্জ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে একটি করে হাস ৫০ হতে ৮০ টাকা এবং একটি মুরগী ৮০ হতে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ বন্যার আগে একটি হাঁস ২০০ টাকা এবং একটি মুরগী ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হত। উপজেলা ভেটেরেনারি সার্জন ডাক্তার রেবা বেগম জানান, বন্যা নেমে যাওযায় পর নানাবিধ রোগ-ব্যাধি দেখা দিতে পারে। যথা সময়ে চিকিৎসা দেওয়া হলে তা সেরে উঠে। কিন্তু দুর্গম চরাঞ্চলে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা অত্যন্ত দুরহ ব্যপার হয়ে পড়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!