1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০১:১০ অপরাহ্ন
১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৩ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকা হত্যাকান্ডের ঘটনায় দ্বিতীয় স্বামী আটক গাইবান্ধায় ট্রাক্টর চাপায় গৃহবধূ নিহত গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার আওতাধীন দু’টি রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারাগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন: মোবাইল কোর্টে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সাঘাটায় লাইসেন্সবিহীন সেমাই কারখানায় অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা লালমনিরহাট খামারবাড়িতে উড়ছে না জাতীয় পতাকা, বিধিমালা জানেন না উপ-পরিচালক! লালমনিরহাটে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে ধর্ষন চেষ্টা, গণধোলাইয়ের শিকার বখাটে যুবক পলাশবাড়ীতে মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর ফোরলেন খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’ দেওয়া হবে : বিপ্লবী গার্ডস

জলাশয় ভরাট করে স্থাপনা তৈরি করায় রাজধানী প্লাবিত: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৭
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

 

বৃষ্টির পানিতে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, পত্রিকায় বড় বড় হেডিং করেছে ঢাকায় ‘ধানমন্ডি নদী’। এই ধানমন্ডিতে ছিল ধান ক্ষেত। পান্থপথ ছিল খাল। মতিঝিল ছিল বড় ঝিল। ঢাকার এসব জলায়শয় ভরাট করে বিভিন্ন স্থাপনা করা হয়েছে। খালগুলো বন্ধ করে বক্সকালভার্ট করা হয়েছে। ধোলাই খালসহ ঢাকার সকল খাল বন্ধ করা হয়েছে। যার কারণে বৃষ্টি পানি আটকে গিয়ে ধানমন্ডি নদী হয়ে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বৃহস্পতিবার সংসদের বাজেট অধিবেশনে সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে তার সরকারের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এদেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের কোনো স্থান হবে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। এই বাংলাদেশ হবে সোনার বাংলাদেশ। ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, ‘এই পার্লামেন্টে সর্বপ্রথম সংসদ সদস্যরা যে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন, সেটা সরকারী দলের হোক আর বিরোধী দলের হোক। ৭০ অনুচ্ছেদ সংবিধানে আছে, অনেকেই সেটার সমালোচনা করেন এবং ভুল ব্যাখ্যা দেন। আমার মনে হয় এই বাজেটের আলোচনায় আমাদের সংসদ সদস্যরা যেভাবে বক্তব্য রেখেছেন, বিরোধী দল তো বিরোধীতা করবেই। সব থেকে বেশি আমি দেখেছি আমাদের সরকার দলীয় সদস্যরাই সমালোচনা করেছে। মাননীয় অর্থমন্ত্রী বাজেট দিয়েছেন। বাজেটের সমালোচনা করেছেন, সরকারের সমালোচনা করেছেন এবং তাদের এই আলোচনাকে মাননীয় অর্থমন্ত্রী কিন্তু বাজেটে বেশ কিছু সংশোধনী এনেছে। সংসদ সদস্যরা কিন্তু জনপ্রতিনিধি। আমাদের সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। আর সেই জনগণের প্রতিনিধি সংসদ সদস্যরা। তারা স্বাধীনভাবে বক্তব্য রেখেছেন। এখানে কিন্তু কাউকে বাধা দেয়া হয়নি। কাজেই সংসদ সদস্যদের যে মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে-এটাই কিন্তু প্রমাণীত সত্য।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতিই কিন্তু এই ভ্যাট স্থগিত করা হয়েছে। মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা বলেছেন, এতে হয়তো ক্ষতি হবে। ক্ষতি কিন্তু হয়েছে। এই ভ্যাট ও মোবাইল ফোনের আয় ধরেই কিন্তু বাজেট করা হয়েছিল। ভ্যাট স্থগিত করায় ২০ হাজার কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় হবে। আমাদেরকে যেভাবেই হোক ব্যবস্থা করতে হবে। হয় আমাদেরকে ব্যাংক থেকে লোন নিতে হবে অথবা আমাদের উন্নয়ন বাজেট কাটছাট করতে হবে। তারপরও মাননীয় সংসদ সদস্যদের মতামতের প্রতি অর্থমন্ত্রী সম্মান দিয়েছেন এবং ভ্যাট স্থগিত করেছেন। এটা বাস্তবতা।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ১৪টি বাজেট দিয়েছি। যেভাবে আমরা বাজেট দিয়েছি তাতে কিন্তু জনগণের কল্যাণ হয়েছে। আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, জনগণ অর্থনৈতিক ভাবে সাবলম্বি হয়েছে। এটাই হলো বাস্তবতা। মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। বাজেট দেয়ার আগে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। বাজেট দেয়ার আগে আলোচনা করে মানুষের প্রত্যাশা জেনেই কিন্তু সে অনুযায়ী বাজেট দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা যেভাবে বাজেট বৃদ্ধি করেছি, এতবড় বাজেট এর আগে কখনো কিন্তু দেয়া হয়নি। আমি সংসদ সদস্যদের প্রতি অনুরোধ করবো নিজ নিজ এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয়টা যেন সঠিক ভাবে হয় সেটা নিশ্চিত করা। আমাদের লক্ষ্যটাই হচ্ছে গ্রামের অর্থনীতিকে উন্নতি করা। মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করা। আমাদের উন্নয়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটা আমরা করতে পেরেছি সেটা হচ্ছে আয় বৈষম্য হ্রাস ও দরিদ্র বৈষম্য হ্রাস করতে পেরেছি। তৃণমূল পযায়ে মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে। আমাদের উন্নয়নটা দরিদ্র মানুষের কাছে পৌছেছে। এটাই আমাদের নীতি মালা। তেল মাথায় তেল দেয়া নয়, ধনীকে আরও ধনী করা নয়। উন্নয়নটা যেন হতদরিদ্র মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌছাতে পারি সেভাবেই আমরা কাজ করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেশবাসীকে বলবো, সকলে যদি আয়কর দেন, ট্যাক্স দেন সেটা কিন্তু উন্নয়নের কাজেই লাগবে। রাস্তাঘাট তৈরী হবে, মানুষের চলাচলের পথ হবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে পারবো, ফসল উৎপাদন বাড়াতে পারবো। অর্থনৈতিক দিক থেকে মানুষের উন্নয়ন হবে। কাজেই সামান্য একটু ট্যাক্স দিলেই কিন্তু তিনি অনেকগুলো সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আমাদের ঘাটতিও পূরণ হবে, দেশটাও উন্নত হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের উন্নয়নটা শুধু মুখের উন্নয়ন না, সেই সাথে সাথে আমি আমরা যেমন খাদ্য উৎপাদন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেরেছি। আমরা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পেরেছি। বন্যায় হাওড় এলাকায় খাদ্য কিছু নষ্ট হয়ে গেছে বলে আমরা বসে থাকিনি। সেই সাথে সাথে আমরা ঘাটতি পূরণ করে, সামনে এই বন্যাটা হয়তো আরও বড় আকারে আসতে পারে। সেই বিষয় বিবেচনা করে, ইতিমধ্যে কিন্তু আমরা বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানী করে মজুত করে রেখেছি। যাতে করে আমাদের কোন রকম বিপদ হলেও দেশের মানুষ যেন কষ্ট না পায়।

সংসদ নেতা বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনেকে ভুল ব্যাখ্যা করেন। বাজেট সম্পর্কে সরকারি দলের সদস্যরা সব চেয়ে বেশি সমালোচনা করেছেন। সরকারের সমালোনা করেছেন। সংসদ সদস্যরা জনপ্রতিনিধি। তারা স্বাধীনভাবে বক্তব্য রেখেছেন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে এটা প্রমাণিত সত্য।

তিনি বলেন, বড় বড় পত্রিকা বড় হেডলাইন করে। ১ লাখ কোটি টাকার উপরে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কোনো সরকার করতে পারেনি। আওয়ামী লীগ করেছে। একটা ইতিহাস সৃষ্টি করেছি। এবারও ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা। এটাও পূরণ করতে পারব। সেই বিশ্বাস আছে। মন্ত্রী এমপিদের অনুরোধ করব। নিজ নিজ এলাকায় যে সব প্রকল্প আছে সেগুলোতে যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেগুলো যেন যথেচ্ছভাবে খরচ না  হয়।

ঢাকাকে বাঁচাতে সারা দেশ থেকে রাজধানীমুখী মানুষের শ্রোত থামাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশেষ অনুরোধ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ অনুরোধ জানান। বিরোধী দলীয় নেতা এসময় ঢাকামুখী মানুষের চাপ কমাতে ৮টি বিভাগীয় শহরে হাইকোর্টের আটটি বেঞ্চ দেয়ার আহ্বান জানান।

 

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, ‘৮টি বিভাগে হাইকোর্টের বেঞ্চ (ডিভিশন) দিয়ে দেন। প্রতিদিন ৯৬০ জন লোক ঢাকায় আসছে। ঢাকাকে বাঁচাতে চাইলে ছোট ছোট কলকারখানা করে দিন, যাতে যেখান থেকে লোকজন এসেছে, সেখানে ফিরে যেতে পারে। ঢাকাকে বাচান। আপনি চির স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, রাজধানীতে যে পরিবেশ দুষণ। রাস্তাগুলো ড্রেনের নামে খোড়াখুড়ি হচ্ছে। বৃষ্টিতে মানুষজন চলতে পারছে না। গাড়ি চলতে পারছে না। স্কুলে যেতে পারছে না। বৃষ্টি হচ্ছে অতিরিক্ত, ড্রেনেজ সিস্টেম ভালো না হওয়ায় পানিটা জমে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সঠিকভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের ৩০০ নদী আছে। এই নদীগুলো আমরা দূষিত করে ফেলেছি। অনেকগুলো নদী আমরা নষ্ট করে ফেলছি। কাজেই এই নদীগুলোকে যদি বাচানো না যায়, আর গাছ পালা বাচানো না গেলে মানুষ বাচবে না। সিটি করপোরেশন ড্রেন বানানোর জন্য গাছ কেটে ফেলছে। গাছ কেটে ফেললে ঢাকায় যে দেড় কোটি/ দুই কোটি মানুষ থাকে তারা অক্সিজেন কোথায় পাবে? এ বিষয়ে কেউ কথা বলেনি। কথা বললে কিন্তু গাছগুলো বাচানো যেত।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!