1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বাড়ি ফিরেই মারা গেলেন 'বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ' - খবরবাড়ি24.com
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
২রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৭শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীতে উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেডের ৩৯তম বার্ষিকসাধারণ সভা অনুষ্ঠিত তারাগঞ্জে ইলেকট্রিশিয়ান মনজুরুল হত্যা মামলায় ২ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ গাইবান্ধায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সভা গাইবান্ধায় বসুন্ধরা শুভ সংঘের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন ডা. মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধায় তরুণদের উদ্যোগে সবুজ পণ্যের বাজার নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে গাইবান্ধা মহিলা পরিষদের জেলা সংগঠকদের প্রশিক্ষণ সুন্দররগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ১১৭ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ২ গোবিন্দগঞ্জে কাটাখালী পত্রিকার উদ্যোগে আলোচনা সভা, ইফতার ও দো’আ মাহফিল শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয় ছাত্রশক্তির গাইবান্ধা জেলার সদস্য সচিবের পদ স্থগিত

বাড়ি ফিরেই মারা গেলেন ‘বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ’

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১ মে, ২০১৭
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

ইন্দোনেশিয়ার এক ব্যক্তি যার বয়স প্রায় দেড়শ বলে দাবি করা হয় এবং বলা হয় যে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ, তিনি মারা গিয়েছেন।

কাগজপত্র অনুযায়ী, মধ্য জাভার অধিবাসী সোদিমেজো নামের এই ব্যক্তির ১৪৬ বছর।

তার জন্ম হয়েছিল ১৮৭০ সালে।

ইন্দোনেশিয়ায় জন্ম সনদ তৈরির কাজটি শুরু হয়েছিল ১৯০০ সালে।

কিন্তু এরপরও কর্মকর্তারা বিবিসিকে বলেছেন, মি. সোদিমেজোর সাথে কথা বলে এবং জন্ম তারিখের সপক্ষে তিনি যেসব কাগজপত্র এবং প্রমাণ জমা দিয়েছেন তা যাচাই করে তারা নিশ্চিত হয়েছেন।

স্বাস্থ্যগত কারণে গত ১২ই এপ্রিল তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু তিনি সেখানে থাকতে চাননি।

বাড়িতে ফিরিয়ে আনার কয়েক দিন পর তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছেন তার একজন নাতী। গত বছর মি. সোদিমেজো বিবিসিকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তার এই দীর্ঘ জীবনের গোপন চাবিকাঠি কী?

জবাবে তিনি জানিয়েছিলেন, একটি হচ্ছে ধৈর্য। “আর অন্যটি হচ্ছে ভালবাসা – যারা আমার আশেপাশে রয়েছে, আমাকে দেখাশোনা করছে তাদের ভালবাসা।”

মি. সোদিমেজো ছিলেন একজন চেইন স্মোকার।

তার চার স্ত্রী, ১০ ভাই-বোন এবং সব সন্তান এর আগেই মারা গেছে।

আত্মীয়রা জানাচ্ছেন, তার কবরের ফলকটি দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির দরজার পাশে পড়ে ছিল।

সোমবার তার কবর হয়ে যাওয়ার পর ফলকটি সেখানে লাগিয়ে দেয়া হয়। বিবিসি বাংলা

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!