1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
১০ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
জনজাতির ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় করণীয় বিষয়ে জনউদ্যোগের মতবিনিময় গোবিন্দগঞ্জে সেপটিক ট্যাংক থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপি নজরুল ইসলাম লেবু শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে ঝাড়ু হাতে গাইবান্ধা সদরের এমপি আব্দুল করিম সাদুল্লাপুরে গণপিটুনিতে নিহত দুই ছিনতাইকারীর ঘটনায় হত্যা মামলা পলাশবাড়ী পৌর ছাত্রশিবির সভাপতির নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গাইবান্ধায় শহীদ মিনারে ফুল দিতে এসে দুই আ’লীগ নেতা আটক পলাশবাড়ীতে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন পলাশবাড়ীর পরিচিত প্রিয় মুখ চা ও সুস্বাদু ভাপা পিঠা বিক্রেতা মাসুদ পোদ্দার ওরফে মাসুদ আর নেই গাইবান্ধা সরকারি কলেজে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

সাদুল্যাপুরে বোরো ধান কাটা-মাড়াই দিশেহারা কৃষক

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ৪ মে, ২০১৭
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ চলতি ইরি-বোরো মওসুমে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মাঠপর্যায়ে ইরি-বোরো ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবারে কাঙ্খিত ফলন না হওয়ায় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এ বছরে বৈরী আবহাওয়ার বিরুপ প্রতিক্রিয়ার কারণে বোরো ধান ক্ষেতে নেকব্লস্ট রোগে ফসলহানি ঘটেছে। শুধু তায় নয়, এর সাথে যোগ হয়েছিল ভারি বর্ষন ও শিলাবৃষ্টি। ফলে জমির আধাপাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছিল। সম্প্রতি ওই জমির ধান কাটতে অতিরিক্ত শ্রমিক ব্যবহার করতে হচ্ছে। এছাড়াও শ্রমিক সংকটে জমির ধান আরও ক্ষতিসাধন হচ্ছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে সরজমিনে সাদুল্যাপুর উপজেলার বড় জামালপুর এলাকার বোরো চাষি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমার ৫০ শতক জমিতে ধানের শীষ সাদা হয়েছিল। গতকাল ওই জমির ধান কাটা-মাড়াইয়ের পর মাত্র ৫ মণ ধান পেয়েছি। স্বাভাবিক চাষাবাদে প্রতি বছরেই ওই জমিতে ৪০ মণ ধান হয়ে থাকে।

সাদুল্যাপুরের কৃষক জলিল মিয়া বলেন, আমার কোনো নিজস্ব আবাদি জমি না থাকায় আমি ৬০ শতক জমি বর্গা নিয়ে ইরি-বোরো ধান চাষ করেছি। ৫০ মণ ধান ঘরে তোলার আশাবাদে বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে লোন নিয়ে ধান চাষাবাদ করি। এমতাবস্থায় ওই ক্ষেতে সাদা শীষ ও পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় বর্তমানে জমি থেকে ৫ মণ ধান অর্জন করাও সম্ভব হচ্ছে না। এখন গ্রহিত ঋন কিভাবে পরিশোধ করব এনিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি। বিশেষ করে বি-আর-২৮ জাতের ধান ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে তিনি জানান।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তাহের জানান, এবারে প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে চলতি বছর বোরো ধানের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন হতো।

সাদুল্যাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. ফজলু এলাহী বলেন, চলতি বোরো মওসুমে সাদুল্যাপুর উপজেলায় ১৪ হাজার ৬শ ৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ হয়েছিল। এবারে বৈরী আবহাওয়ার কারণেই লক্ষমাত্রা অর্জন সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!